মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০ ২০
শিক্ষা ডেস্ক
৭ সেপ্টেম্বর ২০ ২০
৮:২০ অপরাহ্ণ
নতুন রূপে সজ্জিত পশ্চিমভাগ (২) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

নতুন রূপে সেজেছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ (২) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ খচিত বিদ্যালয়টি এখন সকলের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের চেয়ে পুরো গ্রামবাসীর কাছে এক নতুন আবহের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়,  ইউনিয়নের মধ্যবর্তী গ্রাম পশ্চিমভাগের দক্ষিণদিকে সবুজ শ্যামল বেষ্টনীর মধ্যে অবস্থিত প্রাচীণতম এই বিদ্যালয়টিতে দুজন চিত্র শিল্পী রং তুলি দিয়ে বিদ্যালয়ের দেয়ালে ছবি আকছেন। পুরোনো টিনসেড ও একটি পাকা ভবনের সবকটি দেয়াল এবং পিলারে বিচিত্র রকমের চিত্র সহ বর্ণমালা তৈরী করছেন। এটা দেখে গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। 
আলাপকালে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পাপড়ী রানী দে এর অকান্ত পরিশ্রম এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রাচীণতম এই বিদ্যালয় নতুন রূপ লাভ করেছে। ফলে শিক্ষানুরাগীসহ সর্বমহল বিদ্যালয়ের বর্তমান রূপে বেশ অভিভুত। তারা চান বিদ্যালয়টি যেভাবে নতুন রূপ লাভ করেছে, শিক্ষাক্ষেত্রেও বিদ্যালয়টি একধাপ এগিয়ে আসুক। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য বলেন, ইতোমধ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের পুরনো একটি ভবনকে সংস্কার করে তাতে বঙ্গবন্ধু কর্ণার, মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার এবং প্রাক প্রাথমিক শাখার জন্য সাজিয়ে তোলাসহ দরজা-জানালা মেরামত, বিদ্যুৎতের কাজ এবং রং করণ করে  হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিটি শ্রেণী কক্ষের নামকরণ এবং বর্ণমালা দিয়ে দেয়ালিকা তৈরী করা হয়েছে। যাতে ছোট শিশুমনিরা আনন্দের সাথে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে মনোযোগি হয়। 
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত লালাবাজার ইউনিয়নের ৩৪নং পশ্চিমভাগ (২) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির অবস্থান। বিদ্যালয়ে ১১০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানে রয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষক । আর এই শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। সহকারী শিক্ষিকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করছেন। 
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পাপড়ি রাণী দে বলেন, ছাত্রছাত্রীদের মনোযোগ আকর্ষণে এবং শিক্ষার পরিবেশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদ্যালয়টি সজ্জিত করা হয়েছে। গত বছর প্রধান শিক্ষক অন্যত্র বদলী হলে পদটি শূন্য বিধায় আমাকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তবে অতিশীঘ্রই বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য