সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০ ২০
সিলেট ডেস্ক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০ ২০
২:৪৫ অপরাহ্ণ
সিলেটে গণধর্ষণ, ঘটনাস্থলে বিশিষ্ঠ নাগরিকবৃন্দদের নিয়ে পাবলিক ভয়েস

আমরা আজ সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের সম্মুখে বর্বরোচিত গণধর্ষণের ঘটনায় পাবলিক ভয়েস এর পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে এসে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের এই প্রিয় ক্যাম্পাস ও আমাদের এই প্রিয় পূণ্যভূমি সিলেটের কতিপয় নরপশু সরকারদলের পৃষ্ঠপোষকতায় যারা একের পর এক জঘন্য কার্যক্রমে এমসি কলেজে পরিচালিত করছে, তারাই আজ গ্যাং রেপের মতো একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে এবং ১২৮ বছরের পুরনো চির সবুজ এই বিদ্যাপীঠ কে তারা কলঙ্কের কালিমালিপ্ত করেছে। 
তারা শুধু কলেজ ক্যাম্পাস কে নয়, পুরো সিলেট তথা সারা বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছে।ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে সভাপতির বক্তব্যে পাবলিক ভয়েস এর চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
আজ  ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ঘটনাস্থল সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের সম্মুখে, গৃহবধু গণধর্ষণের প্রতিবাদে, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব মুকুল মুর্শেদ ও ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ শাকিলুর রহমান এর পরিচালনায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে মিফতাহ্ সিদ্দিকী আরো বলেন, এইসব কুচক্রীমহল, সরকারী দলের পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের ছাত্র সংগঠনের নেতারা এমসি কলেজের হোস্টেল কে জ্বালিয়ে দিয়েছিল। আমরা সিলেটের সচেতন সমাজ তখন শাস্তির দাবী নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম কিন্তু আমরা প্রতিকার পাইনি। এবারও যদি এই কুলাঙ্গারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হয় তবে সিলেটবাসীকে সাথে নিয়ে আবারও সচেতনসমাজ রাজপথে নামবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে, আমরা শপত নিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ধর্ষক ও তাদের মদতদাতার বিরুদ্ধে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাব।

অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট লেখক, কলামিস্ট ও গণফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এড: আনসার খান বলেন, এমসি কলেজ যেখানে সাবেক হাজারও শিক্ষার্থী  দেশ বিদেশে এই কলেজের নাম উজ্জল করে রেখেছেন। এই ক্যাম্পাস কে এমন কলঙ্কিত যারা করলো তাদের কখনো এই দেশ ক্ষমা করবে না। এই অপরাধীরা এক দিনে তৈরী হয়নি, ধীরে ধীরে বড় হয়েছে। অনতিবিলম্বে তাদের মদতদাতাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হউক।
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এড: শামীম সিদ্দিকী তার বক্তব্যে বলনে, আমি এখানে কোন দলীয় পরিচয়ে আসিনি, একজন অভিবাবক পরিচয়ে 
এসেছি। দেশে হাজার-কোটি টাকা লোটপাট হচ্ছে, দুর্ণীতি হচ্ছে, আইনের শাষন নেই, তাই এরকম ন্যাক্কজার জনক ঘটনা বারবার ঘটছে। আমি তেমন কিছু বলতে চাইনা। 
অতি শীগ্রই ধর্ষকদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আশার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাই।
সিলেট বারের সিনিয়র আইনজীবী এড: হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমাদের প্রাণের সিলেট কে যে সন্ত্রাসীরা কলঙ্কিত করেছে তাদের কোন ক্ষমা নাই। আজ আমাদের জেলা বারে মিটিং করে সিদ্ধান্ত হবে ইনশাল্লাহ আমি মনের করি এই ধর্ষকদের পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী দাড়াবেন না। 

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল ফাত্তাহ বকসি, সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সিলেট মহানগর বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম নাচন, 
সিলেট মহানগর বিএনপির বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মামুন, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মন্জুর হোসেন মজনু, সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি ইউনুস মিয়া, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাকিল মুর্শেদ, সিলেট জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আহমদ রানু, সিলেট জেলা জাসাসের সহ-সভাপতি রফিকুল বারী রোমান, সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল ওয়াহিদ সোহেল, সেলিম আহমদ মাহমুদ, কৃষক দল মহানগরের সদস্য সচিব মারুফ আহমেদ টিপু, আল মামুন খান, সিরাজুল ইসলাম, এড: লোকমান চৌধুরী, মমতাজ হোসেন মুন্না, রাজিব কুমার দে, আবু সাইদ মো: তায়েফ, হোসেন আহমদ রুহুল, জাকির হোসেন কয়েছ, আলমগীর কবির মুন্না, এখলাসুর রহমান মুন্না, আব্দুল মান্নান, ইফতেখার আহমদ বিপুল, এনামুল হক এনাম, মশিউর রহমান পাবেল, বিমন দেবনাথ, উজ্জল রন্জন চন্দ্র, সিলেট এম সি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক বদরুল আজাদ রানা, জমজম বাদশা, মো: রাসেল আহমদ, জাকির হোসেন, আজিজুর রহমান, এড: ফোরাহিম হোসেন, সুমন আহমদ, কাওসার হোসেন রকি, কয়েছ আহমদ, জালাল আহমদ, মীর সাইদুর রহমান আয়াত, সায়েম জাকির, আনোয়ার আহমদ, হোসেন খান ইমাদ, সোলায়মান আহমদ সুমন, শাহরিয়ার আশফাক শাহী, শাওন আশরাফ, 
জাকির আহমদ রিফাত প্রমুখ।
 

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য