রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্ক নৌবাহিনীর ১৪টি জাহাজের খোঁজ নেই!



turkyব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর থেকে তুরস্কের নৌবাহিনীর কমপক্ষে ১৪টি জাহাজের খোঁজ নেই। এতে অবস্থানরত কমান্ডাররা অভ্যুত্থানের পক্ষের নাকি বিপক্ষের তাও জানা যায় নি। অভ্যুত্থানের পর থেকে নৌবাহিনীর সদর দপ্তর বা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তারা কোন রকম যোগাযোগ করেন নি।তবে ধরে নেয়া হচ্ছে এর কমান্ডাররা প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানকে উৎখাতের পক্ষে ছিলেন।
একটি সূত্র দ্য টাইমসকে বলেছেন, শুক্রবার ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের নৌবাহিনীর কমান্ডার এডমিরাল ভেইসেল কোসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তিনিও যোগাযোগ করেন নি। ফলে তিনি অভ্যুত্থানের পক্ষে নাকি বিরুদ্ধে তা আপাতত পরিষ্কার নয়।
অভ্যুত্থানকারীরা তাকে বলেছিল, দেশে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। জিম্মি করা হয়েছে অনেক মানুষকে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। অভ্যুত্থানের দিন আজিয়ান বা কৃষ্ণ সাগরে দায়িত্বে সক্রিয় ছিল তুরস্কের ১৪টি জাহাজ। সেসব জাহাজ নৌ সদর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নি। বন্দরে ফিরেও আসে নি।

ধারণা করা হচ্ছে, তারা গ্রিসের বন্দরের দিকে গিয়ে থাকতে পারেন। যদি তা-ই করেন এবং গ্রিসের হাতে পড়েন তাহলে তাদেরকে তুরস্কে ফেরত পাঠানো হতে পারে। কারণ, অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর তুরস্ক সেনাবাহিনীর ৮ কর্মকর্তা হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যান গ্রিসে। সেখানে গিয়ে তারা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। কিন্তু গ্রিস তা প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তাদের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বলেছে, এখন পর্যন্ত শীর্ষ যেসব সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল আকিন ওজতুরক। তাকে অভ্যুত্থান চেষ্টার মূলহোতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া রয়েছেন তুরস্কের সেকেন্ড আর্মির কমান্ডার জেনারেল আদেম হুদুদি।