রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ক্যামেরাতেই ঐতিহ্য সাংবাদিক পাভেল’র



সাজিদুল ইসলাম রানা:: সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক ‘নাজমুল কবীর পাভেল’নেশায় পেশায় একজন অকুতোভয় সাংবাদিক। সংবাদের পেছনের খবর খুঁজে বেড়ানোই তাঁর কাজ। খবরের অন্তরালের খবর বের করে আনতে প্রতিনিয়ত ক্যামেরা নিয়ে ছুটে চলেন। ‘যেখানেই সংবাদ,সেখানেই পাভেল’।

এ কথাটি সিলেট বিভাগের মিডিয়া পাড়া ও সাংবাদিক মহলের কাছে একটি ব্যাপক প্রচারিত বাক্য। সংবাদ ও সাংবাদিকতার পিছনে ছুটতে গিয়ে জীবনে অনেকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। মৃত্যুকে পরোয়া না করে, দিন রাত ছুটে চলছেন সংবাদের পিছনে। জীবনে পেয়েছেন অনেক খ্যাতি ও সম্মান।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আজীবন সংগ্রামী একটি পরিবার থেকে উঠে আসা নাজমুল কবীর পাভেল বর্তমানে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সিলেট অফিসের স্টাফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মরত আছেন।তিনি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ‘দৈনিক সংবাদ’ এর ছাতক প্রতিনিধি হিসেবে বিগত ১৯৯৪ ইংরেজি থেকে কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে একই পত্রিকার সিলেট অফিসে কাজ করেছেন।তিনি ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় সিলেট অফিসে ফটো সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকায় জন্মলগ্ন থেকে সিলেট অফিসে স্টাফ ফটোগ্রাফার হিসেবে অদ্যাবধি কাজ করেছেন।তাছাড়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার পাশাপাশি তিনি ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের টেলিভিশন নিউজ ২৪ এর সিলেট অফিসে ক্যামেরাপার্সন হিসেবে আড়াই বছর কর্মরত ছিলেন

এছাড়াও পাভেল ১৯৯১ সাল থেকে উনাদের পারিবারিক পত্রিকা সাপ্তাহিক সুনামগঞ্জের কাগজ।২০০৩ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি লিটল ম্যাগাজিন “রক্ত সাগর পেরিয়ে” সম্পাদনা করে ব্যাপক প্রংসিত হন। ২০০৫ সালে তিনি “আলোকিত ছাতক” সম্পাদনা করেন।

বিভিন্ন সময় ‘দৈনিক সিলেট বাণী’, ‘দৈনিক জালাবাদ’, ‘দৈনিক খবর’, ‘দৈনিক প্রভাত বেলা’।তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশ কৃষক সমিতি, ন্যাপ (মোজাফফর) এর একজন কর্মী।তিনি বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ছাতক ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একই সাথে তিনি ছাতক প্রেস ক্লাবেরও সদস্য ছিলেন ।

ব্যক্তিগত জীবনে উনার স্ত্রী একজন গৃহিনী। উনার বড় মেয়ে ঝুমা কবির মিম মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি সিলেটে কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে ২য় সেমিস্টারে অধ্য্যনরত।উনার বড় ছেলে আল মুক্তাকিম কবীর সোহান ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ থেকে চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।উনার ছোট ছেলে আল মুক্তাধির কবীর রোহান একই বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণীতে অধ্য্যনরত।

তিনি ব্যাক্তিগতভাবে একজন সৎ ও কর্মনিষ্ট সংবাদকর্মী। তাছাড়া, সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে তিনি জড়িত আছেন। তিনি সিলেট প্রেসক্লাবের সদস্য এবং ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়া জার্নালিষ্ট (ইমজা) সিলেটের সদস্য সহ বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন

নাজমুল কবীর পাভেলের বড়ভাই মো. আব্দুল ওদুদ। সুনামগঞ্জ প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। ছাত্রজীবন থেকেই দীক্ষা গ্রহণ করেন তৎকালীন দেশের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের। এরপর থেকেই গোটা সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। নিজ বিলাসী জীবনের মোহ ত্যাগ করে মাঠের রাজনীতিতে অদম্য হয়ে উঠা ওদুদের এভাবেই শুরু হয় সংগ্রামী পথচলা। পরবর্তীতে যুক্ত হন কমিউনিষ্ট রাজনীতির সাথে। আপন যোগ্যতা এবং পার্টির প্রতি দায়বোধ থেকেই একসময় জেলা থেকে কেন্দ্রিয় রাজনীতিতে ঠাঁই করে নেন তিনি। আজন্ম সংগ্রামী আব্দুল ওদুদ বর্তমানে দেশের প্রাচীন রাজনৈতিক সংগ্রঠন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামীপার্টি ন্যাপ এর সুনামগঞ্জ জেলা সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ন্যাপ’র জাতীয় পরিষদ সদস্য।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসন থেকে দলীয় প্রতীক কুঁড়েঘর নিয়ে মাঠে

নেমেছিলেন তিনি। তিনি মনে করেন ,মাঠের রাজনীতির দীক্ষা নিয়েছি মাঠে থাকার জন্য। ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না এসে, তবে একলা চলো রে’ রবী ঠাকুরের এমন কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের নাম যদি রাজনীতি হয়, তাহলে ঘরে বসে থাকার কোনো মানে হয়না। তাই অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সর্বোপরি আমার এই শিল্পাঞ্চলকে যথার্থ অর্থে সমৃদ্ধ নগরী গড়ে তোলার মানসে এবারও প্রার্থী হয়েছি। যৌবনের উত্তপ্ত সময়ে রাজপথ কাঁপানো এই ডাকসাইটে নেতা বলেন, সেই সময়ে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ছাতকের অনেক ন্যায্য দাবি আদায়ে সোচ্চার ভুমিকা রেখেছি।
আব্দুল ওদুদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন :
১৯৬৫ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সংগ্রামী জীবনের পথ চলা। ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ হিসেবে ১৯৬৮ সালে ছাতক থানা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন।
৬৯-৭২ সালে তিনি ছাতক থানা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন। ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে সরব অংশ গ্রহণ।
৭০ ন্যাপের নির্বাচন (ছাতক-দোয়ারা- কোম্পানীগঞ্জ) পরিচালনা কমিটির তিনি ছিলেন সদস্য সচিব। ৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন ( ন্যাপ- সিপিবির ছাত্রইউনিয়নের গেরিলা বাহিনীর অন্যতম সদস্য। ৭২-৭৬ ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্রহন। ৭৪ সালে তিনি সিপিবির সদস্য পদ গ্রহণ করেন। ৮০-৮৫ ছাতক সিপিবির সম্পাদক এবং জেলা কমিটির সদস্য ৮২ থেকে ছাতক থানা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। ৮৬-৯০ কৃষক সমিতির সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। ৮৯ সালে ছাতক থানা ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক। ৯০ থেকে জেলা ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এবং ন্যাপ জাতির কমিটির অন্যতম সদস্য। ৭২-৭৯ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, পেপারমিল শ্রমিক, রেল শ্রমিক এবং যুব ইউনিয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট।
৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নের্তৃত্বদান। উদীচী শিল্পীগোষ্টী এবং খেলাঘরের সাথে প্রতিষ্ঠাকালীন জড়িত।
১৯৭২ সালে ছাতক ডিগ্রী কলেজে প্রতিষ্ঠাতা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি এবং কলেজ পরিচালনা কমিটির একাধিকবার নির্বাচিত সদস্য।
কালারুখা হাজি কমর আলী উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত।
ছাতক চন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন
ছাতক জালালিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটর সদস্য ছিলেন। ৮৫ সালে ছাতক থানা ক্রিড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক।
৮৬ থেকে ৯৫ পর্যন্ত থানা ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সদস্য। ৬৯-৭৪ ছাতক উদয়ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক।
৭৪ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় লঙ্গরখানার দায়িত্ব পালন।
৭১-৭৩ ছাতক থানা রেডক্রসের সদস্য ৬৯-৮৮ ছাতক মিলনায়তন ভবন (ক্লাব) যুগ্ম সম্পাদক । ৯০-৯১ একই ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন। ৮৬ সালে ছাতক সরকারি পাবলিক লাইব্রেরীর পরিচালনা কমিটির সদস্য। ছাতক কেন্দ্রিয় শহিদমিনার প্রতিষ্ঠা কমিটির যুগ্মসম্পাদক এবং পরে সাধারণ সম্পাদক।
ছাতক শহর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনে ন্যাপের

সুনামগঞ্জ মহকুমা পর্যায়ের প্রখ্যাত সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন মহকুমা কমিটির সভাপতিবৃন্দ যথাক্রমে সর্বজনাব গোলাম রব্বানী, নাসির উদ্দিন, এডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, হুমাউন হক, এড. বেদনানন্দ ভট্টাচার্য্য এবং রাজনৈতিক জীবনে সুনামগঞ্জ মহকুমা পর্যায়ের প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ যথাক্রমে কমরেড বরুণ রায়, এডভোকেট আলতাফ উদ্দিন, এডভোকেট আলী ইউনুস, এড. দিতীশ্বর পাল কানন, ডা. আব্দুল খালেক, সিলেট জেলা পর্যায়ে প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ যথাক্রমে আব্দুল হামিদ, জহির চৌধুরী সুফিয়ান, সৈয়দ আব্দুল হান্নাত, ইকবাল চৌধুরী, তারা মিয়া, রফিকুল রহমান লজু এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সর্বজনাব ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভানেত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুদ্দিন আহমদ (সিপিবি নেতা), ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি সামছুদ্দহা, ছাতক ইউনিয়ন সভাপতি ও বিশ্ব ছাত্রনেতা নুরুল ইসলাম নাহিদ (বর্তমান সফল মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী), ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ও ডাকসু ভিপি মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ছাত্র ইউনিয়ন ও ডাকসুর সেক্রেটারী মাহবুব জামান, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি নুহে আলম লেলিন (সাবেক আ.লীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য), ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি ও বর্তমান বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী আয়শা খানম ও ঢাকার কেন্দ্রীয় রাজনীতিবিদ সর্বজনাব সিপিবির সভাপতি কমরেড মণিসিং, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ওরফে বারিন দত্ত, ন্যাপ প্রধান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, ন্যাপ কার্যকরী সভানেত্রী আমেনা আহমদ এমপি, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ এমপি, ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক পংকজ ভট্টাচার্য্য, ন্যাপ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজলুম জননেতা পীর হাবিবুর রহমান, সৈয়দ আলতাফ হোসেন, ন্যাপ সাবেক সহ সভাপতি মাওলানা আহমেদুর রহমান আজমী, ন্যাপ সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সংবাদ পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ও সত্ত্বাধিকারী আহমেদুল কবীর, সিপিবির সাবেক নেতা ও একতা পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ও বর্তমান প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাহচর্যে ও নেতৃত্বে রাজনীতি করেছেন জনাব মো. আব্দুল ওদুদ। কেন্দীয় রাজনীতিবিদ ও ছাত্রনেতৃবৃন্দ যথাক্রমে সর্বজনাব কমরেড মণি সিং, অধ্যাপক মোজ্জাফফর আহমদ, পীর হাবিবুর রহমান, বেগম মতিয়া চৌধুরী, মাওলানা আহমদুর রহমান আজমী, কমরেড মঞ্জুরুল আহসান খান, কমরেড বরুণ রায়, নুরুল ইসলাম নাহিদ, সন্তুষ গুপ্ত, আয়শা খানম ছাতকে এসে যতগুলি জনসভা করেছেন প্রত্যক জনসভায় সভাপতিত্ব করেছেন জনাব মো. আব্দুল ওদুদ এবং উনার বাসায় সকল নেতৃবৃন্দ মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। ন্যাপ নেতা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ ও মুক্তিযোদ্ধের সর্বাধিনায়ক সাবেক আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী, বিরোধী দলের প্রার্থী মরহুম আতাউল গণি ওসমানী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। সেই দুইটি প্রেসিডেন্ট র্নির্বাচনের সময় ছাতকে নির্বাচন পরিচালনায় মূল দায়িত্ব পালন করেন জনাব মো. আব্দুল ওদুদ। স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তীতে বিএনপি জামাত জোট বিরোধী আন্দোলনের সময় সিলেট শহরের রিকাবীবাজারের ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন সেই মঞ্চেও উপস্থিত ছিলেন জেলা ন্যাপ সেক্রেটারী জনাব মো. আব্দুল ওদুদ।
উল্লেখ করা আবশ্যক যে, ২৬শে মার্চ ১৯৯০ সালে এডভোকেট আলী ইউনুস সাহেবের ‘মুক্তিযোদ্ধে সুনামগঞ্জ’ বইয়ে এবং এডভোকেট আব্দুল মজিদ খসরু ভাইয়ের লিখিত ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ’ নামের বইয়ে মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক হিসেবে জনাব মো. আব্দুল ওদুদ এর নাম উল্লেখ রয়েছে। তিনি দৈনিক সিলেটের ডাক সহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখেন।

সূত্র: ইউকে টাইমস