রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২২ মুহররম ১৪৪১

১০৪৩

মরহুম বাবুল মিয়া স্মরণে প্যারিসে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২ ০২ ৩৯  

প্যারিস প্রতিনিধি:: দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী জালালপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি মরহুম মো. বাবুল মিয়া স্মরণে ফ্রান্সের প্যারিসে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্যারিসের রিপাবলিক এলাকায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা মরহুম বাবুল মিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।

প্যারিসে বসবাসরত জালালপুরের সর্বস্তরের প্রবাসী এ শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। সভায় বক্তারা বলেন- শিক্ষার বিস্তার, সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা আর গঠনমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় মরহুম বাবুল মিয়া নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তার পরিশ্রমে জালালপুরের অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি সমাজের পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে বিশেষভাবে কাজ করে গেছেন। তাঁর রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজগুলো আঞ্জাম দিতে আমাদের উদ্যোগী হতে হবে।

প্যারিস প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা সমসপুর গ্রামের জুয়েল আহমদের সভাপতিত্বে ও তরুণ সংগঠক জালালপুরের একুশে পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শেখপাড়া গ্রামের শাহ রাসেল আহমদের উপস্থাপনায় এতে আলোচনায় অংশ নেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব রায়খাইল গ্রামের পাভেল আহমদ, অসীত বরণ তালুকদার, সমসপুর গ্রামের শাহীনুল ইসলাম, টাকির মহল গ্রামের শাহ সুহেল আহমদ, সমসপুর গ্রামের ছাবেরুল হক, খতিরা গ্রামের সরওয়ার শাহীন, রায়খাইল গ্রামের পারভেজ আহমদ, বাদেশপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিন চৌধুরী, রায়খাইল গ্রামের ফাহিম আহমদ প্রমুখ।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন- মরহুম বাবলু মিয়া ছিলেন সমাজের আইকন। তার নেতৃত্বে জালালপুরের রাজনীতি যেমন এগিয়েছে তেমনি শিক্ষাও অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তাঁর কাজকে অনুসরণ করে আমাদের এগুতে হবে। আর এজন্য তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে কমিউনিটি নেতা জুয়েল আহমদ বলেন- জালালপুরের সার্বিক উন্নয়নে বাবুল মিয়ার অবদান রয়েছে। তিনি একাধারে জালালপুর আলীয়া মাদরাসা, জালালপুর ডিগ্রী কলেজ, হযরত শাহজালাল রহ. উচ্চ বিদ্যালয়সহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ছিলেন। তিনি সুষ্ঠু রাজনীতি করে গেছেন। তাঁর মাধ্যমে আমাদের জালালপুর, দক্ষিণ সুরমা তথা সিলেটের মধ্যে এক অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে। জীবদ্দশাতেই তাঁর কাজের স্বীকৃতি পাওয়া উচিত ছিল।
সভা শেষে বাবুল মিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর