বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুরে মোহাজেরদের স্থাপিত সাইনবোর্ড স্থাপনের ৩ দিনের মধ্যে চুরি



জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:: জৈন্তাপুরের মোহাজেরদের ভূমি রেকর্ড সংশোধন, অবৈধ দখলদার চিহ্নিতকরন ও সাইনবোর্ড স্থাপন করেতে দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নিদের্শ জারী করে।

নিদের্শ মোতাবেক উপজেলার বিরাইমারায় ২২ জানুয়ারী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সাইনবোর্ড স্থাপন করে।

সাইনবোর্ড স্থাপনের ৩ দিনের মধ্যে তা হয়েছে চুরি করেছে মর্মে অভিযোগ দায়ের।

অভিযোগ সূত্রে যানা যায়, দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ১০ এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখের স্মারক নং ৫১.০১.৯১০০.০০০.০১৫.১৪.০৪০ (খ) ১৩-৫৯, মোতাবেক মোহাজেরদের পূর্ণবাসনের জন্য অধিগ্রহনকৃত ভূমির রেকর্ড সংশোধন, অবৈধ দখলদার চিহ্নিতকরন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ত্রান ও পূর্ণবাসন শাখা সিলেটের নির্দেশ প্রদান করে।

নির্দেশ জারির পর সহকারি কমিশনার (ভূমি) উপজেলা ভূমি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে গত ২২ জানুয়ারী জরিপকার্য সম্পাদন পূর্বক ত্রান মন্ত্রনালয়ের ভূমির সীমানা নির্ধারন করে সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

সাইনবোর্ড স্থাপনের ৩ দিনের মধ্যে জবর দখলকারীরা রাতের অন্ধকারে সাইনবোর্ড টি চুরি করিয়া নিয়া যায়। এ নিয়ে গত ২৯ জানুয়ারী সাইনবোর্ড চুরির বিষয়ে মোহাজের উন্নয়ন বহুমুখি সমবায় সমিতির রেজি নং সিল-২০৩/০৯-১০ এর সভাপতি আব্দুল মালিক ও সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুন নুর বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগ দায়েরের ১৩দিন পার হলেও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি মামলা হিসাবে গ্রহন করছে না বলে দাবী মোহাজের পরিবারের সদস্যদের। এ নিয়ে মোহাজের পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্যাট মনুতাসির হাসান বলেন- মোহাজেরদের পূর্ণবাসনের জন্য দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ মোতাবেক জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বিরাইমারা হাওরে জরিপ সম্পাদন করে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

রাতের আঁধারে অবৈধ দখলদার বাহিনী সাইন বোর্ডটি চুরি করে নিয়ে যায় বলে মোহাজেররা অভিযোগ করে। তাদের অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের অফিসার ইনচার্জ জৈন্তাপুর মডেল থানাকে অনুরোধ করেছি।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. মাইনুল জাকির বলেন- অভিযোগ পেয়ে ঘটনার বিষয় তদন্ত চলছে। যেহেতু ঐ এলাকায় সাধারনত লোকজন বসবাস করে না তাই প্রকৃত রহস্য জানতে সময় লাগছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।