বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেট আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলা নিয়ে শাহি ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন কমিটির বিবৃতি



সিলেট ৫ম আর্ন্তজাতিক বানিজ্য মেলা নিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন শাহী ঈদগাহ সদর উপজেলা খেলা মাঠ উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ। ৯ ফেব্র“য়ারি শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানান, বছরের ৮ মাসই খেলা হয় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। আর দুই মাস মেলা এবং দুই মাস থাকে বৃষ্টি। খেলার মাঠে মেলার আয়োজন হলে উপকৃত হয় খেলোয়াড়বৃন্দ ও উপজেলা পরিষদ। ফলে খেলার মাঠে মেলার আয়োজন করলে কোন ধরণের ক্ষতি হবে না। তাছাড়া অতীতে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মেলার আয়োজন করে একটি বেসরকারি ব্যবসায়ি সংগঠন। তারা প্রচুর লাভবান হলেও মেলার মাঠের জন্য তেমন বরাদ্দ দেয়নি। অথচ সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি খেলার মাঠ উন্নয়নের জন্য আর্থিকভাবে সকল সময়ই সাহায্য সহযোগিতা করে আসছে। সদর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনেও রয়েছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গত মাসে আয়োজিত ফুটবল টুর্ণামেন্টেও বড় ধরণের সহযোগিতা করে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার।
বিবৃতিদাতার আরো জানান, সরকারের সব ধরণের অনুমতি নিয়ে মেলার আয়োজন করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি। কিন্তু তাদের মেলায় গিয়ে একটি পক্ষ চাঁদা দাবি করে। ঐ পক্ষটি শাহি ঈদগাহ ও মাঠ উন্নয়ন কমিটির কেহ নয়। আর তাদেরকে চাঁদা না দেয়ায় ঐ কুচক্রি মহলটি মেলা বন্ধের জন্য নানা ধরণের ফন্দি ফিকির করে আসছে ।
আপনারা নিশ্চয় জানেন, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্টার জন্য সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার। মেট্রোপলিটন চেম্বারের উদ্যোগে মাঠের সীমানা প্রাচিরও তৈরি করা হয়েছে। আর মেট্রোপলিটন চেম্বার যতবার মেলা আয়োজন করেছে ততবারই তারা তাদের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ দিয়েছে খেলার মাঠ উন্নয়ন ফান্ডে। তাই বছরে দুটি মেলার আয়োজন হলে উপকৃত হবে সদর উপজেলা খেলার মাঠ তথা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম।
বিবৃতিদাতারা হলেন, মাঠ উন্নয়ন কমিটির উপদেষ্টা ফজলুল হক, রানু মিয়া, মাঠ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্য্না আশফাক আহমদ, সহ-সভাপতি আইনজীবী শাহ মো. মোসাহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, সদস্য আব্দুল আহাদ, আমিনুর রহমান পাপ্পু, আব্দুস সালাম ফারুক, গুলজার মিয়া, টিভি গেইট দর্পন ক্লাবের সভাপতি শাহিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক রুমেল আহমদ, বিশিষ্ট মুরব্বী তারু মিয়া, আনোয়ার হোসেন রাজু, কাইয়ুম আহমদ, সাদেক আহমদহ এলাকার শতাধিক নেতৃবৃন্দ বিবৃতি প্রদান করেন।-বিজ্ঞপ্তি
সিলেট আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলা নিয়ে
শাহি ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন কমিটির বিবৃতি

সিলেট ৫ম আর্ন্তজাতিক বানিজ্য মেলা নিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন শাহী ঈদগাহ সদর উপজেলা খেলা মাঠ উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ। ৯ ফেব্র“য়ারি শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানান, বছরের ৮ মাসই খেলা হয় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। আর দুই মাস মেলা এবং দুই মাস থাকে বৃষ্টি। খেলার মাঠে মেলার আয়োজন হলে উপকৃত হয় খেলোয়াড়বৃন্দ ও উপজেলা পরিষদ। ফলে খেলার মাঠে মেলার আয়োজন করলে কোন ধরণের ক্ষতি হবে না। তাছাড়া অতীতে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মেলার আয়োজন করে একটি বেসরকারি ব্যবসায়ি সংগঠন। তারা প্রচুর লাভবান হলেও মেলার মাঠের জন্য তেমন বরাদ্দ দেয়নি। অথচ সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি খেলার মাঠ উন্নয়নের জন্য আর্থিকভাবে সকল সময়ই সাহায্য সহযোগিতা করে আসছে। সদর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনেও রয়েছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গত মাসে আয়োজিত ফুটবল টুর্ণামেন্টেও বড় ধরণের সহযোগিতা করে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার।
বিবৃতিদাতার আরো জানান, সরকারের সব ধরণের অনুমতি নিয়ে মেলার আয়োজন করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি। কিন্তু তাদের মেলায় গিয়ে একটি পক্ষ চাঁদা দাবি করে। ঐ পক্ষটি শাহি ঈদগাহ ও মাঠ উন্নয়ন কমিটির কেহ নয়। আর তাদেরকে চাঁদা না দেয়ায় ঐ কুচক্রি মহলটি মেলা বন্ধের জন্য নানা ধরণের ফন্দি ফিকির করে আসছে ।
আপনারা নিশ্চয় জানেন, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্টার জন্য সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার। মেট্রোপলিটন চেম্বারের উদ্যোগে মাঠের সীমানা প্রাচিরও তৈরি করা হয়েছে। আর মেট্রোপলিটন চেম্বার যতবার মেলা আয়োজন করেছে ততবারই তারা তাদের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ দিয়েছে খেলার মাঠ উন্নয়ন ফান্ডে। তাই বছরে দুটি মেলার আয়োজন হলে উপকৃত হবে সদর উপজেলা খেলার মাঠ তথা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম।
বিবৃতিদাতারা হলেন, মাঠ উন্নয়ন কমিটির উপদেষ্টা ফজলুল হক, রানু মিয়া, মাঠ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্য্না আশফাক আহমদ, সহ-সভাপতি আইনজীবী শাহ মো. মোসাহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, সদস্য আব্দুল আহাদ, আমিনুর রহমান পাপ্পু, আব্দুস সালাম ফারুক, গুলজার মিয়া, টিভি গেইট দর্পন ক্লাবের সভাপতি শাহিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক রুমেল আহমদ, বিশিষ্ট মুরব্বী তারু মিয়া, আনোয়ার হোসেন রাজু, কাইয়ুম আহমদ, সাদেক আহমদহ এলাকার শতাধিক নেতৃবৃন্দ বিবৃতি প্রদান করেন।-বিজ্ঞপ্তি