সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

গোলাপগঞ্জে প্রবাসী ফলিক খানকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন চক্রান্তকারীরা



ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটের গোলাপগঞ্জে প্রায় ২০ বছর পূর্বে একটি সাজানো মামলায় আসামী করা হয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক ফলিক খানকে। সাজানো এ মামলায় ফলি খান ৩ মাস ১০ দিন জেল কেটেছেন। পরে আরো ৩টি ভূয়া মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ১ জানুয়ারি তিনি ১ মাস ১০ দিন কারাবরণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।

জানা যায়, বিগত ১৯৯৯ সালের ৭ জুলাই গোলাপগঞ্জের লামা চন্দরপুর গ্রামের ভিতর দিয়ে ফলিক খানের অর্থায়নে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাকে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতিকারীরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে মামলা দেয় ফলিক খানের উপর। মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে বিচারাধীন থাকে। সাক্ষীর অভাবে ফলিক খান দিনের পর দিনের এ মামলায় নির্যাতিত হতে থাকেন। সর্বশেষ গত ২৭ নভেম্বর ফলিক খানকে আরো তিনটি ভূয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করায় দুস্কৃতিকারীরা। আর এসব মিথ্যা মামলার পেছনে ছিলেন- তৎকালীন ও.সি খন্দকার কবির, এস.আই আলমগীর, লামা চন্দরপুর গ্রামের মৃত আব্দুশ সহিদের ছেলে আব্দুছ ছুবহান (বর্তমানে মৃত), মাহমদুর রাহমানের ছেলে সেলিম, মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে বলাই, কাসেম, আকবর আলী গং’রা সহ আরো ৭’জন পুলিশ কন্সটেবল।

কিন্তু ফলিক খান জেল খাটার পর ওই মামলার তদন্ত করেন সি.আই.ডি। এতে মূল রহস্য উঠে আসে। মূল চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অস্ত্র-আইনের বিশেষ-ক্ষমতার ১৯’এর (ক)-(চ) ধারায় মামলাটি রুজু করেন ভুক্তভোগী ফলিক খান। বর্তমানে মামলাটির স্বাক্ষীগ্রহণ চলছে। সেই মামলায় ফলিক খান তাদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই বেশ দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ সাপেক্ষে উল্লেখিত দুষ্কৃতিকারীগন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে বলে ফলিক খান আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এমনকি মামলাটি ধামাচাপা দেয়ার আর কোনো সুযোগ নেই বলে এটাও তিনি জানান।