বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় ‘মাতৃভাষা চর্চা’ কার্যক্রম শুরু



ডেস্ক নিউজ:: সিলেটে নাট্য সংগঠন ‘একদল ফিনিক্স’ এর আয়োজনে এবং সিলেট সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বাংলা শুদ্ধ উচ্চারণ কার্যক্রম ‘মাতৃভাষা চর্চা’।

‘প্রমিত বাংলার শুদ্ধাচার, ভাষার মাসে অঙ্গীকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভাষার মাসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম।

সোমবার সকাল ১১টায় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান লাইব্রেরি হলে ‘মাতৃভাষা চর্চা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ভাষাসৈনিক আব্দুল আজিজ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘মাতৃভাষা চর্চা কার্যক্রম নিঃসন্দেহে খুবই ভালো উদ্যোগ। এমন আয়োজনে আমরা সবসময় পাশে থাকবো।’

অনুষ্ঠানে এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শামিমা চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবীর ইকু, বিশিষ্ট তথ্যচিত্র নির্মাতা নিরঞ্জন দে যাদু, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম. রবিউল হোসেন, ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তাহের বিল্লাল খলিফা, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক, পরিচালক (প্রশাসন) তারেক ইসলাম, পরিচালক (অর্থ) মিহির কান্তি চৌধুরী, সহকারী রেজিস্ট্রার লোকমান আহমদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্লাস নেন অধ্যাপক শামিমা চৌধুরী।

‘মাতৃভাষা চর্চা’ কার্যক্রম সিলেটের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ১০টি কলেজ ও ৬টি স্কুলে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুটি করে সেশন পরিচালনা করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এই কার্যক্রমে প্রকাশনা সহযোগী হিসেবে আছে চৈতন্য প্রকাশনী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একদল ফিনিক্সের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন ইমনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি আবু বকর আল আমিন বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি মানুষের মুখের ভাষার উপর দেশপ্রেম অনেকটা নির্ভর করে।

শুদ্ধ উচ্চারণে মাতৃভাষায় কথা বলতে পারাটা নিজের ভাষার ও দেশের প্রতি যেমন শ্রদ্ধাশীল করে তোলে তেমনি ভাষার প্রমিত উচ্চারণ চর্চার প্রতি দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। আঞ্চলিক ভাষার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আমাদের সিলেটে শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা ভাষা চর্চার সুযোগ তেমন নেই বলেই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সিলেটের অধিকাংশ মানুষই প্রমিত বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারেন না। তাই শুদ্ধভাবে বাংলা ভাষা উচ্চারণের লক্ষ্যে মাসব্যাপী মাতৃভাষা চর্চা নামক কার্যক্রম চলবে।’