শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০ ২০
এক্সক্লুসিভ ডেস্ক
২৫ মার্চ ২০ ২০
৭:০ ৮ অপরাহ্ণ
নিয়ম না মেনেই অফিস খোলা সিলেট রবি সেবার, দেখার কেউ নেই

করোনা ভাইরাসের কারণে ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্য ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ও পরে ২৭ ও ২৮ মার্চের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে। এ ছাড়া ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি এ ছুটির সঙ্গে যোগ হবে। তবে এ ছুটি কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল এবং জরুরি সেবার জন্য প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থার জন্য বেসরকারি প্রশাসনকে সহায়তা দিতে সেনাবাহিনী নিয়োজিত হয়েছে।

এই সময়ে ফোন কোম্পানির জেলাস্থ অফিসগুলোর কাজ কি? "জরুরী সেবার" আওতায় সিম বিক্রি, সিম রিপ্লেসমেন্ট, সিম অফ, রিচার্জ এগুলো পড়ে কি? জরুরী সেবা না হলে ঘোষিত ছুটির আওতায় এরা পরবেনা কেন? 

সাধারণ ছুটির দেশব্যাপী নিয়মের ঘোষনা আসার পরও এনিয়ে কোনো ঘোষনা না দিয়ে অফিস খোলা রাখার পথেই হাটছে সিলেটের মিরবক্সটুলাস্থ রবি সেবা সেন্টার৷ 

জানা যায়, প্রদেয় সেবাগুলোর মাঝে বেশিরভাগই হলো নতুন সিম বিক্রি, সিম রিপ্লেসমেন্ট, সিম অফ, একাউন্ট রিচার্জ ইত্যাদি- তাও ইদানিং দেখা যাচ্ছে সিমের ক্রেতা হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইটালিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিভিন্ন দেশের প্রবাসী ভাইয়েরা (দেশীয় আরো দু'চারজন সহই যাচ্ছেন তারা কিনতে বা সেবা নিতে। এই অফিসগুলো যে সেবা দেয়, এগুলোর বেশিরভাগই জরুরি সেবার আওতায় পড়ার কথা নয়৷

এই মুহুর্তে দেশীয় কারো নতুন সিম কেন লাগবে? সিম রিপ্লেসমেন্টইবা কেনো লাগবে, সিম অফ করানোরইবা কি এমন হয়েছে বা সময় চলে যাচ্ছে?

আরো জানা যায়, বাকি সেবাগুলো হটলাইন নাম্বারে কল দিয়েইতো নেয়া যায়, টপ আপ বা ফ্লেক্সিলোড চলে বিকাশ বা ডেবিট কার্ড দিয়ে বা কাঁচাবাজারের যেকোনো দোকানেও, আর একটু বেশি টাকা ঢুকিয়ে রাখলেই চলে ক'দিন। 

সত্যিকারের জরুরি সেবা ছাড়া বাকি সব অফিস বন্ধ করে দেয়া হউক আগামী কিছুদিন, প্রশাসন ব্যাপারটি দেখতে পারে খতিয়ে৷

Related Posts