শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০ ২০
মৌলভীবাজার ডেস্ক
২৮ অক্টোবর ২০ ২০
১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
আমি যারে প্রয়োজন মনে করেছি তাকে দিয়েছি- এমপি সুলতান মনসুর
কুলাউড়ায় এমপি’র টিউবওয়েল বরাদ্দের তালিকায় ধনাঢ্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম

মোঃ নাজমুল ইসলাম, কুলাউড়া:: বহুল আলোচিত, সমালোচিত কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসন থেকে নির্বাচিত এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের বরাদ্দকৃত ২০২০-২১ অর্থ বছরের (“সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ” প্রকল্পের আওতায় সরকার থেকে পাওয়া) ১ম পর্যায়ের ১৭০ টি টিউবওয়েল যারা বরাদ্দ পেয়েছেন সেই তালিকায় যাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাতে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ করা হয়েছে। সেই তালিকায় দেখা গেছে কুলাউড়া পৌর শহরসহ সবক’টি ইউনিয়নের অনেক ধর্নাঢ্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রবাসী, আইনজীবি, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। তালিকা প্রস্তুুতে ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন চেয়ারম্যান বা মেম্বারদের সাথে কোন ধরণের সমন্বয় করা হয়নি। যার কারণে এই তালিকা তৈরিতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তালিকাটি এমপি’র ব্যক্তিগত সহকারী, অফিস সহকারী, সমন্বয়কারীসহ তাঁর অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহুর্তের মধ্যে দেশ ও বিদেশে চাউর হলে নেট দুনিয়ায় তা ভাইরাল হয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এমপি’র প্রতি বিষেদাগার করেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার শত শত লোকজন। তবে এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেছেন, এককথায় আমি বলতে পারি, আমি যারে প্রয়োজন মনে করেছি তাকেই টিউবওয়েল দিয়েছি।

এমপি সুলতান মনসুর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিজয়ের ৩৮ বছর বলে বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়ে কুলাউড়া ছাড়েন। করোনাকালীন সময়ে এমপি’র কাছে মুঠোফোনে কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের এক বাসিন্দা ত্রাণ চাইলে তিনি তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে হাকালুকি হাওরে গিয়ে ডুব দিয়ে মরতে বলেন। তাঁর এ ধরণের বক্তব্যের একটি ফোনালাপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর আর তিনি কুলাউড়া না ফিরে সাধারণ জনগণের সাথে কোন ধরণের যোগাযোগ ছাড়াই করোনা অজুহাতে দীর্ঘ ১০ মাস থেকে ঢাকায় অবস্থান করছেন। এই সুযোগে এমপি’র কুলাউড়ার দাপ্তরিক অফিস বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতি আখড়ায় পরিণত হয়েছে। তাঁর সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা ইচ্ছামাফিক টাকার বিনিময়ে সরকারি টিউবওয়েল, স্যোলার (সৌর বিদ্যুৎ) বরাদ্দ দিচ্ছেন তাদের ঘনিষ্টজন ও এমপি’র অনুসারীদের। সাম্প্রতি কিছু দিন আগে সরকারী স্যোলার (সৌর বিদ্যুৎ) বিতরণেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। এমপির বরাদ্দকৃত তালিকায় দেখা যায় নামী-দামী গাড়ি বাড়ির মালিক সহ এমপির গ্রামের ধন্যাঢ্য আত্মীস্বজনরা ব্যাপকহারে সৌর বিদ্যুৎ বরাদ্দ পেয়েছেন। এ নিয়ে কুলাউড়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছিলো। কিন্তু বর্তমানে সরকারী টিবওয়েল বরাদ্দের তালিকা দেখে সামাজি যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ এমপি সুলতান মনসুরকে নিয়ে দেশ-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় উঠেছে। 

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুস শহীদ ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ছয়ফুর রহমান আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও ধানের শীষের এমপি সুলতান মনসুরের সরকারি টিউবওয়েলসহ আর বিভিন্ন কাজের সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাঁর যুবলীগ প্রীতি (হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু) দেখে অনেক বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন তাকে ভূলতে বসেছেন। সবাই মনে করছেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে সুলতান মনসুরকে এমপি নির্বাচিত করে তারা চরম ভূল করেছেন। যার কারণে এখন সুলতান মনসুর বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে ভূলে গেছেন। 

চলতি অর্থ বছরে সরকারি টিউবওয়েল বরাদ্দের তালিকায় যে সকল ধর্নাঢ্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম রয়েছে তারা হলেন- বরমচাল ইউনিয়নে ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাহান উদ্দিন যার পরিবারের তিন ভাই লন্ডনে রয়েছেন এবং স্থানীয় ফুলেরতল বাজারে একটি বিশাল মার্কেট ও রয়েছে, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগের চাচাতো ভাই সবুজ উদ্দিন, ধনাঢ্য ব্যক্তি মোঃ দলা মিয়া যার ছেলে আশরাফ আল পারভেজ মিশরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। লোকমুখে বিরাজমান, জাতীয় নির্বাচনের সময় এমপি সুলতান মনসুরকে দশ লক্ষ টাকা প্রদান করেন ওই মিশর প্রবাসী ব্যবসায়ী আশরাফ আল পারভেজ। ভূকশিমইল ইউনিয়নে ধনাঢ্য ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন ডাঃ মামুন, উপজেলা যুবলীগ নেতা এনামুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুুবলীগের সভাপতি বিরেন্দ্র কান্ত দাস। 

ভাটেরা ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল হামিদ খান, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনি হাসান ছালাম, যার পরিবারে একাধিক ব্যক্তি লন্ডন রয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুজিবুর রহমান তালুকদার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন মিয়া, স্বপন মিয়া যার পরিবার গত অর্থ বছরেও সরকারি টিউবওয়েল বরাদ্দ পেয়েছে। জয়চন্ডী ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এনামুল হক মিফতা, উপজেলা আ’লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক খালেদ পারভেজ বখ্শ, এড মোঃ কামরুল ইসলাম যার কুলাউড়া পৌর শহরে ৫ তলা একটি ভবন রয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন-জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য ও এমপি’র ঘনিষ্টজন বিমলেন্দু সেন কৃষ্ণ, ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সভাপতির ছেলে নাসের আহমদ। কাদিপুর ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজলু, উপজেলা বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন যার ব্রাহ্মণবাজারে একটি মার্কেট রয়েছে, ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী শাহিন বক্স, এমপি’র কুলাউড়া অফিসের সমন্বয়কারী,আব্দুল হান্নান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উপজেলা যবলীগের সিনিয়র সদস্য খায়রুল আলম কয়ছর, ধনাঢ্য ব্যক্তি নিয়ামুল ইসলাম, আব্দুল নাঈম চৌধুরী যিনি এমপি’র সৌর বিদ্যুৎ বিষয়ক প্রতিনিধি নাহিদ চৌধুরীর ভাই। 

কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- ধনাঢ্য ব্যক্তি আতাউর রহমান চৌধুরী বাবলা, লন্ডন প্রবাসী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালিব লিটন। 

রাউৎগাঁও ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রুহুল আমীন যার কোটি টাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, প্রপার্টি ও গাড়ি রয়েছে এমনকি তার পরিবারের কয়েকজন প্রবাসী রয়েছেন, উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সফি আহমদ চৌধুরী পলিট, ধনাঢ্য ব্যক্তি সৈয়দ মহসিন আল হাসান, মোঃ সিপন খান, বিএনপি নেতা আমেরিকা প্রবাসী লেবু মিয়া, ধনাঢ্য ব্যক্তি খন্দকার মোঃ ফখলুছ যার রবিরবাজারে ওয়াফি সাফি প্লাজা নামে এক তিন তলা মার্কেট রয়েছে।  

টিলাগাঁও ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- ছাত্রদল নেতা আনখার উদ্দিন, সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক বাবুল মিয়া, ধনাঢ্য ব্যক্তি আব্দুস ছালাম চৌধুরী, ডাঃ কেরামত আলী। হাজীপুর ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- হাজিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মুহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক তোয়াহিদ আলী, সাবেক সভাপতি জমসেদ আলী, সাবেক সেক্রেটারি রকিব আলী, ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি মছব্বির আলী, ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মোশাররফ হোসেন মিজু, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিএনপি নেতা বাবু বিধান চন্দ্র দে।  

শরীফপুর ইউনিয়নে তায়েফ আহমদ যিনি এমপি’র টিউবওয়েল বন্টনের সমন্বয়কারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সভাপতি ছয়ফুর রহমানের ভাগনা। পৃথিমপাশা ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- সুলতানপুরের ধনাঢ্য ব্যক্তি জাহাঙ্গীর কবির হেপী যার বাড়িতে দ্বিতল একটি অত্যাধুনিক ভবন রয়েছে, ধনাঢ্য ব্যক্তি আবু মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন যার স্থানীয় রবিরবাজারে বড় হোটেল রয়েছে এবং তার পরিবারের এক ভাই যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, ধনাঢ্য ব্যক্তি বখতিয়ার হোসেন খছরু, ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ, আলী আমজদ স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী সামছুদ্দোহা সুয়েব, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও ব্যবসায়ী হিরা মিয়া, খালেদ আহমদ যার রবিরবাজারে আশিক ম্যানশন নামে একটি বড় মার্কেট রয়েছে, রইছ আলী সরদার যারা ছেলেরা প্রবাসে রয়েছেন। 

কর্মধা ইউনিয়নের তালিকায় রয়েছেন- কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজিব আলীর ছেলে জামায়াত নেতা জুয়েল আহমদ যার পরিবারের কয়েকজন প্রবাসে রয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও ব্যবসায়ী রুহুল আমীন, কর্মধা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মশাহিদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ছায়দুল ইসলাম সাহেদ, ধনাঢ্য ব্যক্তি রেজান আলী, আশরাফুল হক মুন্না, কর্মধা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সেক্রেটারি আজিজুল হক জুয়েল, এমপি’র অফিস সহকারী শেখ রুহেলের বাড়ির ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান ডাঃ উজির আহমদ শিশু একাডেমীর নামে টিউবওয়েল বরাদ্দ হয়েছে। বিশেষ করে কর্মধা ইউনিয়নের কর্মধা গ্রামেই ৮টি টিউবওয়েল বরাদ্দ করা হয়েছে।

এমপি’র ঘনিষ্টজন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুস শহীদ বলেন, আমি এমপি’র কোন কমিটির দায়িত্বে নেই। অফিসিয়ালি টিউবওয়েলের দায়িত্বে রয়েছেন ছয়ফুর রহমান। সম্পর্কের খাতিরে উনাকে সহযোগিতা করি। 

এমপি’র (জনস্বাস্থ্য বিষয়ক) টিউবওয়েল বরাদ্দের তালিকার প্রণয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ছয়ফুর রহমান বলেন, টিউবওয়েল বরাদ্দ এটা কেবল এমপি’র সিদ্ধান্ত। নেতাকর্মীদের তিনি খুশি রাখতে সমন্বয় করে টিউবওয়েল বরাদ্দ দিয়েছেন। এসব বিষয়ে কোন কিছু জানতে চাইলে সরাসরি এমপি’র সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।  
এ ব্যাপারে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এমপি মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, এসব বিষয়ে সামনা সামনি কথা বলা উচিত। আমি তো তোমারে চিনিয়ারও না দেখিয়ারও না। এককথায় আমি বলতে পারি, আমি যারে প্রয়োজন মনে করেছি তাকে টিউবওয়েল দিয়েছি। গরীবরা টিউবওয়েল থেকে বঞ্চিত কিন্তুু ধনীরা টিউবওয়েল পাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কে ধনী-গরীব এটা আমার বিবেচনার বিষয় নয়, পানির যার প্রয়োজন তাকে টিউবওয়েল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে দিয়ে টিউবওয়েলের তালিকা তৈরি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি যাকে ভালো মনে করেছি, প্রয়োজন মনে করেছি তাকে দিয়ে টিউবওয়েলের তালিকা করিয়েছি। খুব স্বচ্ছভাবে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আমি কাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছি, এটা কেবল আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার কাছে সে একজন সমাজকর্মী, রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিবেচনা করে তাকে দিয়েই তালিকা করিয়েছি। টিউবওয়েল বরাদ্দে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব আমাকে বলে লাভ নেই, এসব বিষয়ে মতিন মিয়া ও শাহিনকে (আব্দুল মতিন ও এম এম শাহিন, সাবেক দুই সাংসদ) জিজ্ঞেস করো। কারণ অতীতে কুলাউড়ায় টিউবওয়েল বরাদ্দে অনেক অনিয়ম ও দূর্নীতি হয়েছে।
 

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য