বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০ ২০
শিক্ষা ডেস্ক
১০ অক্টোবর ২০ ২০
১২:১৩ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ  ও মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে- প্রফেসর ডা: ঈসমাইল পাটোয়ারী
সিলেটের জালালাবাদ কলেজের স্মার্ট ওরিয়েন্টেশনের উদ্ধোধন

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা: ঈসমাইল হোসেন পাটোয়ারী বলেছেন, বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের যুগ। করোনা মহামারী ভাইরাস কোভিড-১৯ আমাদেরকে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভুত করাচ্ছে। করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত শ্রেণী কার্যক্রম একটি মাইলফলক। ৩১ আগষ্ট বাংলাদেশের মধ্যে ৪র্থ এবং সিলেট বিভাগের মধ্যে ১ম স্মার্ট ক্যাম্পাস হিসেবে জালালাবাদ কলেজের যাত্রা সিলেটবাসীর জন্য বিশাল অর্জন। ক্যাম্পাসে উপস্থিত না হয়েও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে কলেজটি। স্মার্ট ক্যাম্পাস হিসেবে অনলাইনে ২০২০-২১ সেশনের একাদ্বশ শ্রেণীর ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে জালালাবাদ কলেজ আরো একটি লক্ষ্য অর্জনে একধাপ এগিয়ে গেলো। ক্যাম্পাসে উপস্থিত না হয়ে অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত শ্রেনী কার্যক্রমে সকল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং নিয়মিত অধ্যয়ন সম্পন্ন করতে হবে। আগামীর বিশ^ায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদেরকে দক্ষ ও মেধা নির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি শনিবার সকালে উইজডোম ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠান সিলেটের ১ম স্মার্ট ক্যা¤পাস জালালাবাদ কলেজের স্মার্ট ওরিয়েন্টেশন এক্সট্রা ভেগেঞ্জা-২০২০ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের ১ম দিন ২০২০-২১ সেশনের একাদ্বশ শ্রেণীর ভার্চুয়াল ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান ‘স্মার্ট একাডেমিক কাউন্সিলিং প্রোগ্রাম’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। অনুষ্ঠানমালা মধ্যে ২য় দিন রবিবার স্মার্ট হেলথ স্কিনিং প্রোগ্রাম ও ৩য় দিন সোমবার স্মার্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।
নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেটের শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান, জালালাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল বাকী চৌধুরী। অনুষ্ঠানে নিজ নিজ বাসা থেকে একাদ্বশ শ্রেণীর নবীন শিক্ষার্র্থীরা জুম এপসের মাধ্যমে ভার্চুয়াল ওরিয়েন্টেশনে অংশ নেন। 
কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সায়েম আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওরিয়েন্টশন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল বাকী চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন কলেজের প্রশাসনিক কো-অর্ডিনেটর ও বাংলা বিভাগের প্রধান মো: আব্দুস শাকুর।
কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসানের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত অনুষ্ঠানে বর্ণমালা পাট করেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ মরিয়ম বিনতে আলম। দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সিদ্দিকা। নবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন মো: শাওন রহমান ও সুমাইয়া আক্তার লিজা। 
শিক্ষকদের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ফাহিমা সুলতানা, বাংলা বিভাগের প্রভাষক সালমা সুলতানা, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শাহ মাহমুদুল হাসান বান্না, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক আহমদ, সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক ফরিদ আহমেদ, পৌরনীতি বিভাগের প্রভাষক নজরুল ইসলাম ও গণিত বিভাগের প্রভাষক মিটুন দেবনাথ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল বাকী চৌধুরী বলেন, পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট ক্যাম্পাস হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর পর থেকে জালালাবাদ কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আমরা অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পাশাপাশি অনলাইনে ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রমের সূচনা করলাম। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সমন্বয়ে মেধাবী ও দক্ষ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, শিক্ষকমন্ডলী ও অভিভাবকমন্ডলীদের যৌথ সমন্বয় প্রয়োজন। 
 

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য