মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০ ২০
ক্লাব সংগঠন ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০ ২০
১০ :৫৬ অপরাহ্ণ
পারিবারিক সংস্থা সাহেবের বাজারের ইয়াংস্টার

দীর্ঘ একযুগেও নেতৃত্বের কোন রদবদল হয়নি যে সংস্থার। সেটি হচ্ছে সিলেট সদরের সাহেবের বাজার ইয়াংস্টার সমাজকল্যান সংস্থা। নানা অনিয়ম ও অপকৌশলের মাধ্যমেই একযুগ ধরে আঁকড়ে ধরে রাখা হয়েছে সভাপতির  আসন। 
সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেবের বাজারে আজ থেকে ১২ বছর পূর্বে গঠিত হয় ইয়াংস্টার সমাজ কল্যাণ সংস্থা নামে একটি সমাজ সেবামূলক সংগঠন। সংস্থার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সভাপতির পদে সমাসীন জনৈক মতিউর রহমান।  প্রতিষ্ঠানটি সমাজ সেবা অফিস সিলেট কর্তৃক রেজিষ্ট্রিকৃত হলেও মানা হচ্ছে না সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কোন নিয়ম কানুন। এলাকার সর্বসাধারনের সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই এই সংস্থায়। শুধু সভাপতির  অনুগামী ও  স্বজনদের সদস্য করা হয় এতে। আর এ অপকৌশলেই প্রতি সেশনে স্বপদে বহাল থেকে যান সভাপতি । প্রতি সেশনের নির্বাচনে সভাপতি তাকে   নির্বাচিত করবে যারা,তাদেরই স্থান দেওয়া হয় এই সংস্থায়। 
২০১৪ সালে সংস্থার সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাশুক মিয়া খুন হন।  খুনিকে  স্বপদে রেখে এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে তার মূখে কেক তুলে দেন ।  সংস্থার যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলনা কোন উপদেষ্ঠারা। এলাকাবাসী এটাকে একটি পারিবারিক সংস্থা মনে করেন। এ সংস্থার সাধারন সদস্যদের প্রায়ই সভাপতির  স্বজন ও আপনজন। অথচ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের বিধি মোতাবেক সমাজ কল্যাণমূলক কোন  সংস্থার নির্বাহী কমিটিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্য থাকতে পারেন না। এমনটা জানিয়েছেন সমাজ সেবা সিলেট অফিসের কর্মকর্তা একরামুল কবির।

মাশুক হত্যামামলার অভিযুক্ত আসামীর  ব্যাপারে সভাপতি মতিউর রহমান জানান- জামিনে থাকায় তাকে সদস্য পদে রাখা হয়েছে। বিচারে সাজা না হওয়া পর্যন্ত তার সদস্যপদ বাতিল করা যাবে না।

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য