রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কাইয়ুমে বাজিমাত করবে সিলেট ৩ আসনে বিএনপি !



বিশেষ প্রতিনিধি:
ব্যবসায়িক নেতৃত্বের কারন সীমাহীন ভোগেছে বিএনপি। রাজপথে না থেকে নির্বাচন এলে টাকার গরমে টিকিট নেওয়া একটি ট্রাডিশনে পরিণত হয়েছিল বিএনপিতে। এর খেসারত দিয়ে চলছে বিএনপি গত ১০ বছর ধরে দেশের রাজনীতির মাঠে। মেধাবী, ত্যাগি কর্মীদের অবমূল্যায়নের কারনে বিপুল কর্মী থাকার পরও নেতৃত্বহীন বিএনপি। রাজপথে দাড়িয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দ্ওেয়ার মতো লোকের বড় অভাব দলে।

বিগত ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির টিকিটে বিজয়ী বেশির ভাগ এমপিরা পরবর্তীতে রাজপথ ছেড়ে চলে গেছেন ঘরে। কেউ আবার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়েছেন পুরোদমে। শাসক দলের সাথে ব্যবসায়িক সর্ম্পক তৈরী করে থেকেছেন বহাল তবিয়তে। কিন্তু সরকার বিরোধী কোন তাপ তাদের শরীরে আচঁড় কাটেনি। অথচ সাধারন কর্মী সমর্থকরা মামলার পাহাড়ে দিশেহারা হয়ে উঠে।

চরম বিপদে সেই এমপিরা তাদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা পর্যন্ত করেননি। এতে করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উপলব্ধি হয় রাজনীতিক নেতৃত্বের বাস্তবতা। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে সেই পুরানো দিনের মতো আবার ব্যবসায়িক সুবিধাভোগীরা বিএনপির টিকিট আদায়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।

কোনটাসা করতে চাইছে বর্ণাঢ্য রাজনীতির অধিকারী রাজপথের নেতাদের। সিলেটের ৬ টি আসনের মধ্যে সিলেট ৩ আসনেও এরকম অবস্থা দৃশ্যমান। বিপুল কর্মী সমর্থক ও ধানের শীষে উর্বর এই আসনে ব্যবসায়ি ব্যক্তি মনোনয়ন লাভে দৌড়ঝাপ শুরু করে দিয়েছেন। এছাড়া আছেন প্রবাসে বসবাসকারী একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশি।

তাদের সাথে কর্মী সমর্থকের কোন সর্ম্পক নেই। সরকার বিরোধী মামলা বা হয়রানী তারা স্বপ্ন্ওে কল্পনা করতে পারেননি। কিন্তু সুদিনে ধানের শীষ বগলদাবা করতে তারা মরিয়া। দুরে থেকে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচন করা অশুভ এ প্রতিযোগিতার বিপরীতে রাজপথে কর্মী বান্ধব একমাত্র নেতা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি দলের শীষ পর্যায়ে রাজনীতির বিস্তর অভিজ্ঞতা তার। সিলেট-৩ আসনে প্রতিটি ওয়ার্ডের কর্মী সমর্থকের সাথে রয়েছে তার গ্রহনযোগ্য সর্ম্পক। চরম বিপদের সময়ও খোজ খবর নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন নেতাকর্মীদের। কারন রাজনীতিতেই তার বর্তমান ও ভবিষ্যত। নেতাকর্মীরাও তার প্রতি আস্থাশীল। সেকারনে তার কর্মী বান্ধব সর্ম্পক থাকায় তাকে প্রত্যাশা করছে দলের নেতাকর্মীরা। যুবদলের কেন্দ্রিয় সহ-সভাপতি ও দেশের ইতিহাসের সফল জনবান্ধব অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ।

এর মধ্যে দিয়ে দেশ ও আন্তর্জাতিক অংগনে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সমর্থ হন তিনি। একজন মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিকের জন্য বিষয়টি গৌরবের ও সৌভাগ্যের। স্থানীয় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত রাজনীতির বাস্তব অভিজ্ঞতাও রয়েছে কাইয়ুম চৌধুরীর। এতে করে নেতাকর্মী ও দলকে পথ দেখাতে পারবেন তিনি সচেতন রাজনীতিকরাও তাই মনে করেন। কাইয়ুম চৌধুরীকে নিয়ে বড় মানের একটি অবস্থান রয়েছে দলে নেতাকর্মীদের মধ্যে।

কারন তার কাজের ব্যাপ্তি ও অভিজ্ঞতা বিস্তর। এই মুর্হূতে বিএনপি রাজনীতিতে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যার কাছ থেকে অভিজ্ঞতা নেওয়া যাবে এগিয়ে য্ওায়ার নেতৃত্বের। সিলেটের এই মাপের কোন রাজনীতিক নেই বিএনপিতে। স্থানীয় ভাবে ব্যাপক গ্রহনযোগ্য ্ও কর্মট লোক থাকলেও সামনে দাড়িয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো লোকদের মধ্যে কাইয়ুম চৌধুরী অন্যতম। তাকে সমীহ করেন প্রতপিক্ষ রাজনীতিক দলের নেতারাও।

বিজ্ঞ রাজনীতিকরা মনে করেন, কাইয়ুম চৌধুরী সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো মেধা রয়েছে। যা বিএনরি রাজনীতি তথা সিলেট বিএনপির জন্য দরকার। সিলেট ৩ আসনে দলের মনোনয়ন একজন রাজনীতিক হিসেবে কাইয়ুম চৌধুরীর পেলে অবশ্যই ধানের শীষের বিজয় সম্ভব হবে। সেই সাথে দলের নেতাকর্মীরাও উজ্জীবিত হবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য আসনগুলোতে। ধানের শীষের বিজয়ের মধ্যে দিয়ে নির্বাচন ও রাজনীতির বিজয় ঘটবে সিলেট বিএনপির।

UA-126402543-3