বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ



স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সুবিদবাজার বনকলাপাড়া থেকে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ করা হয়েছে। সে পীরমহল্লা গৌছ উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী । ওই ছাত্রীকে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর অপহরণ করা হয়। অপহরণ ও ধর্ষণের ৬ দিন পর তাকে রংপুর থেকে উদ্ধার করেছে এসএমপির বিমানবন্দর থানা পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সিলেট নগরীর সুবিধবাজার বনকলাপাড়ার বাসিন্দা ও পীরমহল্লা গৌছ উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে ১৪ই সেপ্টেম্বর তার বাসা থেকে অপহরণ করা হয়।

এ সময় তার মা মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ছিলেন। পরে তার মা বাদী হয়ে এসএমপির বিমানবন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তিনি তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

বড় মেয়ে নাবালিকা। সে ৪র্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার সময় দুই মাস থেকে প্রায়ই ইভটিজিংয়ের শিকার হতো।

এ বিষয়ে তিনি ওই এলাকার বিশিষ্টজনদের কাছে নালিশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুবিদবাজার বনকলাপাড়া নুরানী ১০৫/৭/১ আব্দুল্লা মিয়ার কলোনির বাসিন্দা খোকন মিয়ার ছেলে মো. লিমন ইংলিশ (২০), তার বড় ভাই ইমন (২৩) ও ওই এলাকার বাবু (১৯)সহ আরো ৪ থেকে ৫ জন তার বাসার সামনে এসে তার মেয়েকে নাম ধরে প্রতিদিন ডাকাডাকি করে ও বাসার সামনে জোর করে গান করে। এতেও তিনি বাধা দিতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর তার অবর্তমানে ঘরে থাকা তার ছোট মেয়েকে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে বড় মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি হাসপাতালে ছিলেন। তার দুই মেয়ে ঘরে ছিল। আর তার স্বামী ছেলেকে নিয়ে সদাই করতে বাজারে ছিলেন।

পরে তিনি বাসায় গেলে তার ছোট মেয়ের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনেন ও স্থানীয়দের জানান এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এ ব্যাপারে নগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ওসি গৌসুল হোসেন জানান, তিনি অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালান। পরে সোর্সের মাধ্যমে ও প্রযুক্তির সাহায্যে জানতে পারেন অপহৃত ছাত্রী রংপুর রয়েছে। তাই রংপুর অভিযান চালিয়ে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

UA-126402543-3