বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সোনার হরিনের আরেক নাম টিকেট



এমদাদুল হক মান্না:: প্রাচীন কাল থেকেই আমরা সোনার হরিন নিয়ে অনেক কোতুহল ছিলো। কিন্তু সিলেটে এবার বাস্তবে ও তার প্রমান মিললো। তা আর কিছুই না ডাক্তারদের টিকেট।

ছোট্ট এই সিলেট শহরে ব্যঙ্গের আগাছার মত ডাক্তার থাকলে ও তাদের মধ্য ও ভালো মানের কিছু ডাক্তার আছেন।

আর সেই সব ভালো মানের ডাক্তার দের টিকেট পাওয়া এখন সোনার হরিনের মতই, তা দেশতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেলো প্রত্যক ডাক্তারদের টিকেট্রে জন্য একটি সিরিয়াল নাম্বার দেয়া থাকে এবং একটি সময় বেধে দেয়া থাকে। থাকে এবং এই সময়ে এই নাম্বারে কল দিতে রোগিদের অনুরোধ করা হয়ে থাকে।

এবং নাম্বার টি সর্বোচ্চ আধা ঘন্টা থেকে ১ ঘন্টা সময় খোলা থাকবে। এই সময়ের ভিতরে ডাক্তারদের নির্দিষ্ট করা টিকেট তাদের এসিস্টেন্ট রা ফোন কলে গ্রহন করে থাকে। এবং এতে করে কুনো ডাক্তার ৩০ টি আবার কেউ ৪০ টি টিকেট গ্রহন করে থাকে।
এদের মধ্য ডাক্তার শিশির বসাক এর এক সহযোগীর সাথে কথা বললে তিনি জানান তাদের ডাক্তার দের সিরিয়ালের জন্য ১ ঘণ্টা ফোন খোলা থাকে। এর মধ্য প্রায় ৫০০/৬০০ কল এসে ডুকে, যাদের কল আগে আসে তাদের কে টিকেট দেয়া হয়, এবং নির্দিষ্ট টিকেট এর সিরিয়ালের নেয়া হলে ফন অফ করে দেয়া হয়,

শুধু এখানে নয় সিলেটের প্রায় প্রত্যক্ট টি প্রাইভেট হসপিটাল আর ডায়গন্সটিক সেন্টারে প্রায় প্রতিদিন ই এই নিয়মে চলছে।
এছাড়া এই টিকেট নিয়ে এক শ্রেনীর অসাধু লোক রোগীদের জিম্মি করে অবৈধ ভাবে টাকা উপার্জন করছে।
এই সব দালাল রা একেক রোগির কাছ থেকে টিকেট দিবে বলে প্রায় ৫০০থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়। তাদের মাঝে কেউ টিকেট দেয় আবার কেউ পুরাটা টাকা জালিয়াতি করে নিয়ে যায়।

এ নিয়ে এই সব ডাক্তার পাড়ায় অভিযোগের শেষ নেয়, সিলেট নগরীর স্টেডিয়াম এলাকায় এ রকম দালাল দের খুব সহজে চোখে পরে। তাদের টার্গেট থাকে মুলত গ্রামের সহজ সরল মানুষদের প্রতি। এই সব দালাল দের নানান মিস্টি কথায় গ্রামের এই সহজ সরল মানুসেরা অতি সহজেই তাদের ফাদে পা দেন। যা দেখার কেউ নেই, এমন কি কুনু কুনু লোক তারে সর্বস্ব দিয়ে দিতে হয় এই সব দালাল দের হাতে, যা দেখার কেউ নেই।

এ নিয়ে প্রায় ই এই স্টেডিয়াম এলাকায় ঝামেলা হতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন এই দোকানদার। তিনি আরো ও বলেন একটি চক্র এখানে এই অপরাধমুলক কাজ করে আসছে যা শেল্টার দি”েছ সরকারদলীয় নেতারা ।

শুধু তাই নয় এই টিকেটের জন্য নিতে প্রতিনিয়ত নানা মহল থেকে রিকোয়েস্ট আসে, যা কিনা এই সব ডাক্তারদের এসিস্টেন্ট রা ভয়ে ও অনেক সময় টিকেট দিতে বাধ্য থাকে। নাম প্রকাশে অনি”ছুক এক ডাক্তারের এসিস্টেন্ট বলেন প্রতিদিন ই কেউ না কেউ ভিবিন্ন পরিচয়ে প্রায় জোর পুরবক ভাবে টিকেট নেয়। সেখানে বাধা দিলে চেম্বার থেকে বের হয়ে মারার হুমকি দামকি দেয়া হয় যা দেখার কেউ নেই। এমন কি অনেক ডাক্তার ও এই সব দের কাছে জিম্মি থাকে ।

UA-126402543-3