রবিবার, মার্চ ২৯, ২০ ২০
লেখালেখি ডেস্ক
২০ মার্চ ২০ ২০
৫:১১ অপরাহ্ণ
শিশুটি যখন মুজিবপ্রেমী

স্টাফ রিপোর্ট:: আমাদের শিশুদের সবাই কি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চেনে? মূলধারার শিক্ষায় ছাত্ররা জাতির জনকের নাম হয়তো জানে, ছবি দেখে হয়তো চিনতে পারবে, অনেকে হয়তো বলতেও পারবে যে, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির জনক। অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সঠিক ইতিহাসযুক্ত পাঠ্যপুস্তক থাকায় কিছুটা জানতে পারছে আমাদের শিশুরা। কিন্তু বাকিরা?

দেশের আনাচে কানাচে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে উঠা কিন্ডারগার্টেন স্কুল, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কিংবা মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশুরা কতখানি চেনে বঙ্গবন্ধুকে? শিশুদের মন ও মগজে আমরা কতটুকু প্রবেশ করাতে পেরেছি জাতির জনককে। রাষ্ট্র কি শিশুদের সামনে বঙ্গবন্ধুকে তাদের বয়স ও মনের মত করে তুলে ধরতে পারছে। সামনে মুজিবর্ষ সাড়াদেশের ন্যায় প্রতিটি জায়গায় ব্যাপক ডাক ঢোলের মহড়া চলছে।সবাই অপেক্ষা করছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরজন্মশতবার্ষিকীউদযাপনের।
সুতারাং এই যখন প্রক্ষাপট। তখন এই প্রতিবেদক গতকাল সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গেলে নজরে আসে জেলাপ্রশাসক প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্দুর একটি বিশাল ছবির দিকে। জেলাপ্রশাসন সুত্রজানায় মুজিব বর্ষ পালন উপলক্ষে এই সেল করা হয়েছে। সেখানে মুজিব সমন্বয় সেলের সামনে দাঁড়ানো ছোট্র একটি মেয়ে বঙ্গবন্ধুর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। কখনো আদর করছে কখনোইবা স্যালুট জানাচ্ছে।  নাম জিগ্গেস করলে শিশুটি জানায়, (নাম দিয়ে কাম কি) মাহজাবীন সায়র মৃন্ময়ী।  শিশুটি পড়ালেখা করছে, সিলেট   সরকারি শিশু কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ে ক্লাস ওয়ানে । বঙ্গবন্ধুকে সেতো  দেখা দূরের কথা তার মা,বাবা,দেখছেন কি না সন্দেহ আছে? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জাতির মাঝে বেচে থাকবেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই শিশুর কথায় ফুটে উঠে। শিশুটির মুুুখে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির পিতা,আমাদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা,হুম হুম.. তিনি হুম আমাদের দেশের জন্য অন্নেক অন্নেক কষ্ট করছেন।আর জানেন,হুম.. তিনি এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম বল্লেছিলেন, আর তিনি কতই না কষ্ট করছেন। আমি জানি তুমি কি জানো জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন হলো শিশুদিবস হিসেবে পালন করা হয়। আমার আব্বু আম্মুর কাছ থেকে প্রত্যেকদিন কত গল্প শুনি……এইরকম পঠ পঠ করে উপরিউক্ত কথাগুলো বলছিলো। বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম আত্মত্যাগের জন্যই আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে বসবাস করছি এবং একজন গর্বিত বাঙালি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারি। বাঙালি জাতির বাতিঘর বঙ্গবন্ধু। সুতারাং এই যখন বাস্তবতা তখন আসন্ন মুজিবর্ষ উপলক্ষে সরকারি বেসরকারিভাবে জাতির পিতাকে স্বরণ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। বলাবাহুল্য আজকের শিশুরা আগামির মুজিব প্রেমিক।
উল্লেখ্য: মাহজাবীন সায়র মৃন্ময়ী’র মা, বাবা উভয়জন সরকারী কর্মকর্তা। তাঁর মায়ের নাম উম্মে সালিক রুমাইয়া যিনি সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও তাঁর বাবা ব্রাম্মনবাড়িয়া নাসির নগর উপজেলার সাবরেজিস্টার।

Related Posts