বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০ ২০
এক্সক্লু‌সিভ ডেস্ক
১৯ মার্চ ২০ ২০
৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ
প্রতারক মোর্শেদ ও সিমা থেকে সাবধান  

মোর্শেদ-সিমা। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। আর পেশায় প্রতারক। সিলেট নগরীতে বিভিন্নভাবে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সর্বত্র তাদের প্রতারণার জাল বিস্তার রয়েছে। মাসে বাসা বদল আর ৩শত টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে চেক দিয়ে টাকা নিয়ে প্রতারণা তাদের মূল পেশা। কখনো যদি কোন ব্যক্তির কাছে ধরা পড়েন এর জন্য রয়েছে আলাদা প্রতারক গ্রুপ। তার স্ত্রী সিমাকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন কৌশলে মোর্শেদকে ছাড়িয়ে আনার। ধারনা করা হচ্ছে মোর্শেদ ও সিমার আলাদা একটি প্রতারণা চক্র শুধু সিলেটে নয় পুরো বিভাগজুড়ে রয়েছে। তারা স্বামী স্ত্রী কখনো সিলেট নগরে আবার কখনো নগরের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করে আসেন। এক স্থানে তারা দীর্ঘদিন বসবাস করেন না প্রতারনা করার স্বার্থে। মোর্শেদ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নাজিরবাজার এলাকার নরসিংপুর গ্রামে আনছার আলীর পুত্র। জিন্দাবাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, মোর্শেদ অভিনব ভাবে প্রতারণা করেন। কখনো সে কোন দোকানে চাকুরী নেয়। চাকুরী করে বিভিন্ন কৌশলে মালিকের প্রতি বিশ^াস অর্জন করে। পরে মালিকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে উদাও হয়ে যায়। এধরনের প্রতারনা শিকার হয়েছেন নগরের অনেক ব্যবসায়ী ও সাধারণ যুবক। অনেকে আবার তার প্রতারণার কাছে হারিয়েছে সবকিছু। দক্ষিণ সুরমার এক যুবকের কাছথেকে কিছু দিন পূর্বে নগরীর জিন্দবাজারের লতিফ সেন্টারের একটি দোকান বিক্রয় করার কথা বলে অগ্রীম কয়েক লক্ষদিক টাকা নেয় মোর্শেদ ও তার স্ত্রী। দোকান বিক্রয়ের কথা বলে ঐ যুবকে দোকানে চুক্তিপত্রের কপি, লক্ষদিক টাকার চেক ও দোকানের ভুয়া টেড্র লাইন্সেস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায় স্বামী-স্ত্রী। কয়েকদিন পর ঐ যুবক লতিফ সেন্টারে গেলে গিয়ে দেখেন সে অন্য আরেক জনের কাছে দোকান বিক্রয় করে ফেলেছে। ঐ যুবক দিশেহারা হয়ে পড়েন। কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। তখন নগরীর বিলেরপাড়ারে ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখেন বাসা ছেড়ে পালিয়েছে মোর্শেদ ও তার স্ত্রী। এধরনের প্রতারনা শিকার হচ্ছে অনেক যুবক। ঐ যুবক জানান, শীঘ্রই মোর্শেদ ও তার স্ত্রী এবং তাদের সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে মামলা দায়েল করবেন এবং মামলা দায়েরের পর সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যেদিয়ে এই প্রতারণা চক্রের মুখোশ সমগ্র সিলেটবাসীর কাছে উন্মোচন করার কথা।


 

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য