বুধবার, আগস্ট ৫, ২০ ২০
স্বাস্থ্য ডেস্ক
১৮ মার্চ ২০ ২০
২:১৯ অপরাহ্ণ
হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন জেলা এডভোকেসি সম্পন্ন 

সারা দেশের ন্যায় সিলেটেও আগামী ১৮ মার্চ শুরু হচ্ছে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০। ‘আয় আয় সোনামণি, টিকা নিয়ে যা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন সপ্তাহব্যাপী এই ক্যাম্পেইন শেষ হবে এপ্রিলের ১১ তারিখে। টিকাদান ক্যাম্পেইন সফলের লক্ষ্যে আজ রোববার সোমবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয় হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন জেলা এডভোকেসি সভা। সিলেটের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফ, গ্যাভি ও ডব্লিউএইচও -এর সহযোগিতায় সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নূরে আলম শামীম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. কাজী এমদাদুল হক হাম-রুবেলা প্রতিরোধে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, হাম এবং রুবেলা ভাইরাসজনিত দুটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। আমাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন একটি শিশুও হাম-রুবেলা টিকা গ্রহন থেকে বাদ না পড়ে। শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বাদ পড়লে তার পাশাপাশি অন্য শিশুরাও হাম-রুবেলার ঝুঁকিমুক্ত থাকবে না। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করতে সকল শিশুর এমআর টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।  আমাদের প্রত্যাশা টিকাদানের মাধ্যমে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে হাম রুবেলা মুক্ত করা।
টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আমজাদ হোসেন। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব। 
সভায় জানানো হয় সিলেটের বিভিন্ন নিয়মিত স্থায়ী  ও অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে শুরু করে ১০ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে টিকা খাওয়ানো হবে।  পূর্বে হামের টিকা বা এমআর টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হলেও ঐ বয়সের সকল শিশুকে ১ ডোজ এম.আর (হাম-রুবেলা) টিকা দেয়া হবে।
সভায় আরো জানানো হয়, হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যাতিত তিন সপ্তাহব্যাপী (১৮ মার্চ-১১ এপ্রিল ২০২০) প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলবে। স্কুল ক্যাম্পেইন চলাকালীন স্কুলের সময়সূচির উপর ভিত্তি করে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। পৌর এলাকা, সিটি কর্পোরেশন এবং শিল্পাঞ্চলে কর্মজীবী মায়ের শিশুদের টিকা দেয়ার সুবিধার্থে প্রয়োজনে বিকালে ও সন্ধ্যায় টিকাদান কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হবে। সকল স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে শিশুর যেকোনো অসুবিধা মোকাবেলা করার কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে।
সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চিফ হেলথ অফিসার,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক, ইমাম সমিতি সিলেটের সভাপতি, ডব্লিউএইচও এর প্রতিনিধি ও ইউনিসেফ এর প্রতিনিধিসহ আরো অনেকেই মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। 
 

সম্পর্কিত খবর

পুরানো খবর দেখার জন্য