সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০ ২০
১৭ মার্চ ২০ ২০
১:৪০ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্যানেলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সবাইকে প্যানেল গঠনের মাধ্যমে নিয়োগের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনায়  সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটি সিলেটের উদ্যোগে গতকাল রোববার সকালে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সকল উপজেলা থেকে ২০১৮ এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা অংশগ্রহণ করেন। 
মানববনন্ধনে বক্তারা প্যানেল গঠনের মাধ্যমে প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সবাইকে অবিলম্বে নিয়োগের দাবি জানান। মুজিববর্ষকে সামনে রেখে মহান ভাষার মাসে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। 
বক্তারা বলেন, রিট জটিলতার কারনে ২০১৪ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে কোন সার্কুলার হয়নি। যদিও বর্তমানে চরম শিক্ষক সংকট বিদ্যমান। দীর্ঘদিন পর প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১৮তে অংশ নেয়া ২৪ লাখ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৫৫ হাজার ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়; যা মোট প্রার্থীর মাত্র ২.৩%। অথচ এর মধ্যে মাত্র ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বাকি ৩৭ হাজার মেধাবীদের বাদ দেয়া হয়। অথচ বর্তমানে প্রাথমিকে প্রায় ৪০ হাজারের উপরে শূন্যপদ রয়েছে। আমাদের নিয়োগ বঞ্চিত করায় শিক্ষিত বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে চলতে হচ্ছে। এর মধ্যে অনেকের সরকারি চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা শেষ হওয়ায় এটাই ছিল তাদের শেষ সুযোগ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাই মুজিববর্ষ উপলক্ষে এই ৩৭ হাজার মেধাবীদের প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটি সিলেটের সভাপতি মো. আজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ আলীমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ওয়াহিদুর রহমান চৌধুরী, এমডি তাজওয়ার আলম চৌধুরী, আশিকুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, সেলিম আহমদ, নুরুন্নাহার, নীপা পাল, অনুপমা দাশ, আশরাফুর রহমান, রুপম দাস, মারুফ আহমদ চৌধুরী, জাহিদ হাসান, সুজন কান্তি দাস, মো. শেবুল হক, সাইফুর রহমান, ঝুমা রানী দাস, আফতাব হোসেন, মোহাম্মদ উল্লাহ, মাহবুবুল করিম চৌধুরী, আব্দুল কাদির, জাবিরুল করিম চৌধুরী, মাকসুদুর রহমান, এনায়েত হোসেন, জলি রানী দাস, শিল্পী রানী, নবাব আহমদ চৌধুরীসহ সিলেটের সকল উপজেলা থেকে আসা মেধীবী শিক্ষার্থীরা।
 

Related Posts