সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০ ২০
এজহার ডেস্ক
১৭ মার্চ ২০ ২০
১০ :১০ অপরাহ্ণ
সিলেটে প্রবাসীর বাড়ি অবৈধভাবে নিলামে তোলার পাঁয়তারা

প্রবাসীর জায়গা অবৈধভাবে নিলামে তোলার পাঁয়তারা শুরু করেছে একটি ব্যাংক। ঘটনাটি সিলেটের। সিলেট নগরীর চৌহাট্টার ওয়ান ব্যাংক শাখা ওই অনিয়ম সৃষ্টি করার চূড়ান্ত পর্যায়ে অবস্থান করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে ওই প্রবাসী আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়। প্রতিদিন ব্যাংকের লোকজন ওই প্রবাসীর বাড়িটি মাপযোগ করছেন। এতে বিষয়টি আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট শহরতলির খাদিমপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভাটপাড়া গ্রামের মতছিম আলী একজন সৌদি প্রবাসী। ১৯৯৪ ও ৯৫ সালে তিনি ভাটপাড়ায় পৃথকভাবে ১৫ শতক জমি ক্রয় করেন সুনু মিয়া, মনির মিয়া ও সৈয়দা সৈদুন নেছার উত্তারিধকারির আবদুল আহাদ গং এর কাছ থেকে। যার চৌহাদ্যা উত্তরে রাস্তা, দক্ষিণে আমরু মিয়ার উত্তরাধিকারির জমি, পূর্বে অত্র দাগের ভূমি ও পশ্চিমে সরকারি পাকা রাস্তা ও মসজিদ। এই জায়গার দাগ নং-২৬৯৬, জেএল-৯৬ ও ছাপা খতিয়ান ৩৫৩।  মতছিম আলী জানান, ওই জমি ক্রয়ের পর তিনি ২০০৫ সালে সেখানে বাসা বাড়ি নির্মাণ করেন। বাসা নির্মাণের পর সেখানেই বসবাস করে আসছেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা।  তিনি জানান, গত ৬-৭ মাস আগে থেকে ওয়ান ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা আমার বাড়ির আশপাশে পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি ব্যাংকের কর্মকর্তারা আমার বাড়ির আশপাশের লোকজনের সাথে আমার বাড়ি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা আমার প্রতিবেশিদের জানান যে, আমার বাড়িটি তাদের কাছে মর্গেজ দেয়া। বিষয়টি জানতে পেরে মতছিম আলী যোগাযোগ করেন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে। তারা আমাকে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। ব্যাংকের লোকজন আমার বাড়ির আশপাশে গিয়ে নানাজনকে বলছেন, যে বাড়িটি তাদের কাছে মর্গেজ দেয়া। এতে আমি বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি।  মতছিম আলী জানান, তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন, একটি ভুল চৌহাদ্যার মাধ্যমে ওয়ান ব্যাংক কোনো এক ব্যক্তিকে ঋণ দিয়েছিলেন। এখন তারা আমার বাসা বাড়ি নিলামে তোলার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ব্যাংকের লোকজনকে সকল দলিল পত্র দেখানোর পরও তারা তা আমলে নিচ্ছেন না।  ওয়ান ব্যাংক চৌহাট্টা শাখার ব্যবস্থাক রাফি সাফকাত আদিল এ প্রসঙ্গে বলেন, আইন নির্ধারণ করবে তফসিল ও চৌহাদ্যা। এ নিয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।        

Related Posts