শুক্রবার   ২১ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৬ ১৪২৬   ১৭ শাওয়াল ১৪৪০

সিলেটে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

ড্রীম সিলেট

প্রকাশিত : ০৫:৪১ পিএম, ১ জুন ২০১৯ শনিবার

সিলেটে গণমুখী সাংবাদিকতার পথিকৃত ব্যক্তিত্ব তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দি নিউ নেশ সিলেট ব্যুরো অফিসের উদ্যোগে ১ জুন শনিবার বাদ জোহর নগরীর দরগাহে হযরত শাহজালাল (রঃ) জামে মসজিদে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 
দি নিউ নেশ সিলেট ব্যুরো প্রধান এস.এ শফির সার্বিক পরিচালনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক ড. মির শাহ আলম, বাংলাদেশ মাজার ফেডারেশরে সিনিয়র সহ সভাপতি, মোল্লারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ মোঃ মকন মিয়া, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশ সিলেটের সাবেক সভাপতি নাজমুল কবির পাভেল, সিলেট মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, দয়ামীর ইউপি চেয়ারম্যান এস.টি.এম ফখরুদ্দীন, বিশ^নাথ প্রেসকাব সভাপতি মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল, সাপ্তাহিক নকশি বাংলা সম্পাদক সালেহ আহমদ হোসাইন, এনডিপি’র সিলেট জেলা সেক্রেটারী আনিসুর রহমান, সিলেট জেলা যুবদল নেতা সাহেদ আহমদ, হযরত শাহজালাল রঃ ৩৬০ আউলিয়া ভক্তবৃন্দ পরিষদের সহ সভাপতি মোঃ পংকি মিয়া জালালী, বিশ^নাথ উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর আসাদ, দক্ষিণ সুরমা প্রেসকাবের নির্বাহী সদস্য শরীফ আহমদ, দৈনিক সিলেটের ডাক এর সহকারী ম্যানেজার (প্রেস) সামসুল ইসলাম সাদিক, সাপ্তাহিক শাহজালাল বার্তার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন টিপু, সিলেট জেলা গণদাবী পরিষদের অর্থ সম্পাদক মোঃ মাসুদ মিয়া। 
মিলাদ শেষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মরহুমের রূহে মাগফেরাত কামনা করেন। 
উল্লেখ্য, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ১৯৬৯ সালের এইদিনে মাত্র ৫৮ বছর বয়সে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ণজন্মা এই সাংবাদিক। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের কথা সহজ ভাষায় মানুষের সামনে তুলে ধরতেন মানিক মিয়া। তিনি ছিলেন নির্ভীক সাংবাদিকতার কিংবদন্তী পুরুষ, আধুনিক সংবাদপত্রের রূপকার, বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা। ‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’, ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ আর ‘রঙ্গমঞ্চ’ শিরোনামে কলাম লিখে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতাকামী করে তোলেন মানিক মিয়া। ‘মোসাফির’ শিরোনামে তাঁর ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ কলামে নির্ভীক সত্য ভাষণ, অনন্য রাজনৈতিক দিক নির্দেশনা এবং গণমানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণেই বাংলার মানুষের হূদয়ে তিনি অবিনশ্বর হয়ে রয়েছেন। ইত্তেফাক সবসময় মনে করেছে, সাংবাদিকতার মূল ল্যই হচ্ছে মানুষের কথা বলা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। ইত্তেফাক পূর্ব পাকিস্তানে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা ছিল সময়ের দাবি। আওয়ামী লীগের সেই সময়ের রাজনীতিকে ইত্তেফাক জনগণের দাবি বলেই মনে করেছিল। মানুষের মুক্তির পে সরাসরি অবস্থান নিয়েছে জাতির প্রতিটি ক্রান্তিকালে। মানিক মিয়া ছিলেন তার কান্ডারি। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার অবস্থান, ইত্তেফাকের সাংবাদিকতা এবং আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থান ছিল এক ও অভিন্ন। -বিজ্ঞপ্তি