মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

বড়লেখায় ছাত্রলীগ যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১২: পুলিশের মামলা

ড্রীম সিলেট

প্রকাশিত : ০২:০৯ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ মঙ্গলবার

বড়লেখা প্রতিনিধি:: বড়লেখায় যুবদলের মিছিলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও যুবদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ঘটিকার সময় ঘটনাটি ঘটেছে। বড়লেখা বাজারের  উত্তর চৌমুহনির ডাকবাংলোর সম্মুখে সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কটি দোকানপাট ভাঙচুরসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।  এই ঘটনায় যুবদলের ১০ জন এবং ছাত্রলীগের ২ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের কয়েকজনকে বড়লেখা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, শাহবাজপুর যুবদল সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুসলেহ উদ্দিন , বড়লেখা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি আলিমউদ্দিন,  উপজেলা যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন, ইসলাম উদ্দিন, আজিজুল হক সেচ্ছাসেবকদল নেতা, লুৎফুর রহমান,  আবুল হোসেন আজাদ, ছাত্রদল নেতা ময়নুল ইসলাম, আব্দুল বাসিত,  ও আব্দুল বারী, ছাত্রলীগের আহতরা হলেন জাহিদ আহমেদ, ও জাকের আহমদ। উক্ত ঘটনায় বড়লেখা থানার পক্ষে এসআই কাজী জিয়াউদ্দীন বাদী  হয়ে  দোকানপাট লুঠ এবং যানবাহন ভাংচুর সহ সরকারী কাজে বাধাদানের একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার জি/আর নং ১৬৫/১৬ইং। মামলার আসামীরা হলেন, উত্তর শাহবাজপুরের নান্দুয়া গ্রামের আজমল আলীর পুত্র মোঃ মুসলেহ উদ্দিন(৩৩), গৌরনগর গ্রামের বশারত আলীর পুত্র আলিম উদ্দিন(৩০), বর্ণী গ্রামের মোবারক আলীর পুত্র কামাল উদ্দিন(২৬)। এছাড়াও অন্যান্য আসামীরা হলেন যুবদল কর্মী ইসলাম উদ্দিন, লুৎফুর রহমান,  নুরুল হক, আবুল হোসেন আজাদ, ফয়জুর রহমান, আব্দুল বাসিত, ময়নুল ইসলাম, আব্দুল বারি, সায়েম আহমাদ, জুনেদ আহমদ সহ অজ্ঞাত আরো দশজন। 

বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজের কাছে সংঘর্ষের বিষয় জানতে চাইলে সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, যুবদলের মিছিলটি ছিল সম্পূর্ণ অহিংস ও গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচি। কিন্তু সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা তাদের স্বেচ্ছাচারিতার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালায়। এই ঘটনাটিকে সরকারের দলীয়করণ এবং ছাত্রলীগের হিংস্র ও নোংরা রাজনীতির উদাহরণ উল্লেখ করে বড়লেখা যুবদল সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, যুবদলের মিছিলে হামলা করে রক্তাক্ত  করা হলেও পুলিশ আমাদের মামলা নেয়নি। উল্টো আমাদের নেতাকর্মীদের আসামী করে মামলা দেওয়া হয়েছে। তিনি ছাত্রলীগের হয়ে পুলিশের হামলায় অংশগ্রহণেরও নিন্দা জানান।

 ছাত্রলীগ সভাপতি তানিম আহমেদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটানাটির জন্য যুবদলকে দায়ী করে বলেন, যুবদলের মিছিলে স্লোগানের নামে শেখ হাসিনাকে গালাগালের কারনে দেশপ্রেমিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বাধা দেয়, এতে যুবদল আমাদের উপর আক্রমন করে। পুলিশ এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নেয়। 

বড়লেখা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মামলার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, ঘটনাটি বিএনপি সন্ত্রাসীদের দ্বারা জনগনের জানমালের ক্ষতি, এবং সরকারী কাজে বাধা দানের। তাই তদন্তের মাধ্যমে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।