রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে নতুন পোশাক কিনতে ব্যস্ত ক্রেতা

ড্রীম সিলেট

প্রকাশিত : ০৮:১৪ পিএম, ৩১ মে ২০১৯ শুক্রবার

এন.এ নাহিদ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ::  মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। ইতিমধ্যে সারা দেশে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। তারই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জের উপজেলার পাগলা, শান্তিগঞ্জ, পাথারিয়া, নোয়াখালী ও ভীমখালী বাজার সহ ছোট বড় অনেক বাজারে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে জুতোর দোকান থেকে শুরু করে  গার্মেন্টসগুলোতেও। 
সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত নতুন পোশাক কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা।

ঈদ উপলক্ষে বাজারে এসেছে বাহারি পোশাক। তবে এর মধ্যে ভারতীয় সিনেমা ও বাংলা সিরিয়ালের বিভিন্ন চরিত্রের নামে আসা পোশাক নিয়ে এবারও চলছে মাতামাতি। মাত্র কয়েকদিন পেরোলেই পুরো দেশ মেতে উঠবে ঈদের আনন্দ ও উল্লাস। এ ঈদে নানা শ্রেণী পেশার মানুষজন এ শ্রোতে ভাসলেও সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ধানের মূল্য কম হওয়ায় উপজেলার অনেক সাধারণ  কৃষক পরিবারের ঈদ আনন্দ দুঃস্বপ্ন  হয়ে গেছে।
জানা যায়, উপজেলা জুড়ে অর্থাভাবে অনেক পরিবারেই এখনো কেনা হয়নি নতুন জামাকাপড়। কোন কোন পরিবার বিভিন্ন দোকানের ঋণ পরিশোধ করতে কিছু পরিমাণ ধান বিক্রি করে কোন রকম চাহিদা মেটাচ্ছে। ধানের মূল্য কম হওয়ায় উপজেলার কৃষি পরিবারের অনেকেই এবার বঞ্চিত হবেন ঈদ আনন্দ থেকে।
কিন্ত তবুও তেমে নেই ঈদের বেচাকেনা।  

প্রচন্ড গরমে শেষের দিকে ঠেলাঠেলি করে জিনিসপত্র কেনা কষ্টকর হবে, তাই এবার আগেভাগেই ঈদের কেনাকাটা করছি, তবে দাম বেশী, কথাগুলো বললেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ'র পাগলা বাজারে ঈদের মার্কেট করতে আসা এক গৃহবধূ। তিনি স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে পছন্দসই কেনাকাটা করতে পাগলা বাজারে এসেছেন। দোকানীরা বলছেন, এ রমজানের মধ্য থেকে বাজারে ক্রেতাসাধারণকে আসা শুরু হয়েছে। যদিও মূল বেচাকেনা ঈদের ১/২ আগেই হয় প্রতিবারই।

উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়ন  থেক আসা এক ক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি জানান, কেনাকাটা তো করতেই হবে। তাই আগে-ভাগেই করাই ভালো। সাধ আছে সাধ্য নেই, ঈদের ক্ষেত্রে তা যেন প্রযোজ্য নয়। যেভাবেই হোক পরিবার-পরিজনের জন্য নতুন জামা কাপড় ও জিনিসপত্র কেনার ব্যাপারে কার্পন্য করা ঠিক হবে না। তাই ছুটে এসেছি।