মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬   ১৫ সফর ১৪৪১

১৬০

গোলাপগঞ্জে আসামি`র হুমকিতে বাড়ি ছাড়া এক ব্যাক্তি

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮ ০৬ ১০  

ডেস্ক নিউজ:: গোলাপগঞ্জের শীলঘাট লম্বাগাঁও’র আব্দুল খালিক তাজ উদ্দিনের নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রতিবেদন দাখিল। গত ২৯ আগস্ট সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর কাছে গোলাপগঞ্জ উপজেলা আনসার ও ডিডিপি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ২৯ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটে মামলা দায়ের করেন তাজ উদ্দিন। যাহার মামলা নং-৭১২/২০১৯খ্রি. ও মামলার স্মারক ৮৫৮।
তদন্ত প্রতিবেদনে গোলাপগঞ্জ উপজেলা আনসার ও ডিডিপি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুযাযী সরেজমিন তদন্তের নিমিত্তে আমি নিজে বাদীর নিজ বাড়ীতে যাই এবং বাদীর সহায়তায় মামলায় উল্লেখিত আমরা ব্রীজে যাওয়ার পথে মাঝামাঝিতে অবস্থিত কদম রসুল গ্রমের স্থায়ী বাসিন্দা ফয়েজ উদ্দিন, পিতা মছন আলী এবং তার স্ত্রীর মৌখিক জবানবন্দী শুনি যেখানে ফয়েজ উদ্দিনের স্ত্রী ও তার বড় সন্তান ঘটনার প্রত্যক্ষ্যদর্শী বলে জানায় কিন্তু নৌকাটি মোটামোটি দুরবর্তীতে থাকায় প্রত্যক্ষদর্শীরা মহিলার চিৎকার শুনতে পান কিন্তু কোন ব্যাক্তিকে সনাক্ত করতে পারেন নি। আমরা কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ ও সময় নির্ধারিত সাক্ষীদের জবানবন্দী নিয়ে ২১/০৮/২০১৯ ইং তারিখে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, গোলাপগঞ্জ, সিলেটে লিখিত ও মৌখিক জবানবন্দী সংগ্রহ করি। অতপর, ২৮/০৮/১৯ ইং তারিখ আমি নিজে আমড়া ব্রীজের দই পাশে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির সাথে কথা বলি তাদের মধ্যে কয়েকজন মামলায় উল্লেখিত ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে আমাকে অবগত করেন কিন্তু অপর কয়েকজন লোক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বলে আমাকে অবগত করেন যাদের মধ্যে বায়োজৈষ্ঠ একজনের (ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. কমর উদ্দিন) নিজ বাড়িতে গিয়ে তার জাতীয় পরিচয় পত্রসহ লিখিত জবানবন্দী আমার ডায়রিতে লিপিবদ্ধ করি (সংযুক্ত করেছি) তবে তিনি ব্রীজ হতে যথেষ্ট দূরে সুন্দিশাইল গ্রামের বাসিন্দা, তিনি ঘটনাটি শিকপুর বাজারে যাওয়ার পথে দেখেছেন বলে জানান কিন্তু তিনি কাউকে চিনেন না বলে অবগত করেন। সুতরাং সাক্ষীদের সাক্ষরীত লিখিত জবানবদন্দী এবং সরজমীন তদন্তের সার্থে স্থানীয় লোকদের মৌখিক জবানবন্দীর ভিত্তিতে বিবাদরি বিরূদ্ধে বাদীর অভিযোগ পুরোপরি সত্য না হলে ও প্রাথমিকভাবে কিছুটা সত্য বলে মনে হচ্ছে অর্থাৎ নৌকার মাধ্যমে অপহরণের বিষয়ে নির্ধারিত সাক্ষীরা ছাড়া লোকদের জবানবন্দীতে কিছুটা সন্দেহ থেকে যায় কেননা তারা ঘটনাস্থলের কাউকে চিনেন না বলে জানান। তবে জমি নিয়ে বাদী বিবাদীর মধ্যে অনেকদিনের চরম বিরোধ বিরাজমান বলে মৌখিকভাবে জানা গেছে।
উল্লেখিত গত ২৯/০৭/১৯ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালত সিলেটে তাজ উদ্দিন একই গ্রামের আব্দুর রহিম পুত্র আব্দুছ ছামাদ (২৫), মৃত রফিক উদ্দিনের পুত্র আব্দুল করিম (৫০), আব্দুর রহিম (৫৫), আরব আলী (৩৫), রাহাদ (২৩)’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর