সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভূতুড়ে বিলের কারনে অতিষ্ঠ দক্ষিণ সুরমাবাসী



সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভূতুড়ে বিল ও মিটার রিডিংয়ের চেয়ে অতিরিক্ত বিল প্রদানের কারনে দক্ষিণ সুরমার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ও চরম হতাশা বিরাজ করছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা বিলের কপি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হেড অফিসে গিয়ে বিল সংশোধন করছেন। আবার কোন কোন গ্রাহক উপায়ন্তর না পেয়ে বিল পরিশোধও করে আসছেন ।

জানা যায়, সেপ্টেম্বর মাসের বিল অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ প্রদান করে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। গ্রাহকরা বিলের কপি হাতে পাওয়ার পর দেখা যায় মিটার রিডিংয়ের চেয়ে দিগুন বিল দেয়া হয়েছে। আবার অনেক গ্রাহকের সকল মাসের বিল পরিশোধ থাকা সত্তেও বকেয়া বিল সংযুক্ত করে মোটা অংকের বিল দেয়া হয়। এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে দক্ষিণ সরমার কুচাই পশ্চিম ভাগ আবাসিক এলাকার গ্রাহক মনজুর আহমদ জানান, তার বাড়ীর মিটারের সকল মাসের বিদ্যুতের বিল পরিশোধ থাকা সত্তেও প্রদান করা বিলে বকেয়া হিসাব ধরে বিল আসে ৬২২৬ টাকা। পরে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অফিসে গেলে তা ২৯৫০ টাকা ধরে হাতে লিখে বিল সংশোধন করে দেয়া হয়।

সুলতানপুর এলাকার মুরাদ জানান, আমার বাড়ীর মিটারের বিল রিডিংয়ের চেয়ে দিগুন বেশি আসে। পরে তা অফিসে গিয়ে সংশোধন করি। এভাবে দক্ষিণ সুরমার সিলেট পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন কুচাই, শ্রীরামপুর, পালপুর, মোগলাবাজার, চান্দাই চকের বাজার, জালালপুর ও দাঁউদপুর এলাকার গ্রাহক এ ভূতুড়ে বিলের কারনে হয়রানীর ও প্রতারনার শিকার হচ্ছেন বল অভিযোগ উঠে।

দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রাহকরা বিলের কপি সংশোধন করার জন্য অফিসে ভীড় করছেন। এতে করে কারো বিল সংশোধন হচ্ছে, আবার কারো বিল হচ্ছে না। অনেক সময় গ্রাহকদের সাথে অফিসের কর্মকর্তাদের বাক বিতন্ডার ঘটনাও ঘটছে।

গ্রাহদের অভিযোগ অফিসের লোকদের অবহেলা ও কস্পিউটার ম্যানের অদক্ষতার কারনে সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম জানান, বিদ্যুৎ গ্রাহকেদের বিলের অভিযোগের ব্যাপারে আমি অবগতি আছি এবং তা সমাধানেরও ব্যাবস্থা করা হয়েছে, এতে হতাশাগ্রস্ত হওয়ার কিছু নয়। কম্পিউটারের সফট্যায়ারের গুলযোগের কারনে গত মাসের বিলে ত্রুটি হয়েছে। এখন সার্ভিস স্বাভাবিক হয়েছে। পরর্বতীতে এ সমস্যা আর হবে না বলেও তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।-বিজ্ঞপ্তি