মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

দুইদিনের দলীয় ভ্রমণ সম্পন্ন



ফারুক আহমেদ, ধর্মপাশা, প্রতিনিধি:: কালার্স টোরিজম এর ব্যানারে ঢাকা থেকে আসা ১২জন সদস্যের দুইদিনব্যাপী দলীয় ভ্রমণ সম্পন্ন।
আসল প্রকৃতির সুন্দর্য্যের কথা নাবল্লেই নয়। প্রকৃতির অপরূপ সুন্দর্য্য মাঝে মাঝে উপভোগ করার জন্য বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করতে হয়।

আর তেমনি এক প্রকৃতি মনা ১২সদস্যের এই দলটি সরকারি কর্মকর্তা আতিকুর রহান মুন্নার নেতৃত্বে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের এর মাধ্যমে মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

তাদের ভ্রমণের প্রধাণ গন্তব্য স্থান হল বাংলাদের অন্যতম বৃহত্তম টাঙ্গুয়ার হাওর পরিদর্শন করে ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত টেকের ঘাট। যেখানে রয়েছে বাংলাদের এক অন্যতম প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ চুনাপাথর এর খনী। তবে দলটি ঢাকা থেকে ট্রেনের মাধ্যমে আসার পথে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এসে ট্রেনর চাকা লাইন থেকে পরে যায়।

পরে তারা সেখান থেকে বাস, সিএনজি, অটোবাইকের মাধ্যমে শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে এসে পৌছাই। আর সেখান থেকে তাদের সাথে ভ্রমণ সঙ্গী হিসেবে যোগদেন সাংবাদিক সালেহ আহমদ, প্রথম আলোর প্রতিনিধি ধর্মপাশা উপজেলা ও সাংবাদিক ফারুক আহমেদ। বাশাগঞ্জ থেকে নৌকার মাধ্যমে সেই প্রাকৃতিক সুন্দর্য্যের নীলাভুমি টাঙ্গুয়ার হাওরের অপরূপ সুন্দর্য্য উপভোগ করে সন্ধ্যায় টেকের ঘাটে পৌছাই। কিন্তু টাঙ্গুয়ার হাওরে অবস্থিত ওয়াশ টাওরে ওঠে প্রকৃতির এই সুন্দর্য্য দেখতে দেখতে দুপুরের খাবারে কথা ভুলে যায়।

তার পর বড়ছড়া বাজারে সন্ধ্যার খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পরি। পরে শনিবার সকাল সাতটাই ঘুম থেকে ওঠে প্রথমে শিমুল বাগান থেকে শুরু করে বাহরাম নদীতে লাল বালুর চর, যাদুকাঁটা নদী, মেঘালয়ের পাদদেশে চুনাপাথর খনী, টেকের ঘাটে শহীদ সিরাজ লেক, নীলাদ্রী লেক, বড়ছড়া, বারেকের টিলা ইত্যাদি পরিদর্শন শেষে দুপু বারটাই সেখান থেকে চলে আসি ওয়াশ টাওরে।

এখানে এসে গোসল শেষে পূণরায় সন্ধ্যায় বাদশাগঞ্জ বাজার ঘাটে এসে পৌছাই। তবে ঢাকা থেকে আসা মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন ঢাকা থেকে টেকের ঘাটে এসে পৌঁছাইতে পথিমধ্যে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হলেও মন কারা প্রকৃতির এই সুন্দর্য্যে মুগদ্ধ হয়েছি। বার বার সেখানে ফিরে আসতে ইচ্ছে করছে। আর এখানেই মহান আল্লাহ’র অশেষ কৃপায় দুইদিনব্যাপী দলীয় ভ্রমণ সমাপ্ত হয়।