বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা: “দ্যা ক্যারিশম্যাটিক লীডার”



তিনি এক ক্ষণজন্মা মহানায়কের কন্যা।হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
তাঁর শৈশব কেটেছে মানুষের প্রতি পিতার অকুণ্ঠ ভালবাসা দেখে। তিনি দেখেছেন তাঁর পিতা কীভাবে আদর্শের জন্য সহ্য করেছেন নির্যাতন, জেল-জুলুম,কীভাবে তাঁর পিতা দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন,জীবন উৎসর্গ করেছেন।

পিতার মানবতা,পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ছোটবেলা থেকেই।তাই ১৯৬২তেই জড়িয়ে পড়েন ছাত্ররাজনীতির সাথে।সেসময় তিনি স্কুলের ছাত্রী।কলেজ জীবনে বেগম বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে সহসভাপতি হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাক্ষী হয় ইতিহাসের এক জঘন্য অধ্যায়ের।তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্হান করায় সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা।স্বজন হারানোর অসহনীয় শোকের ভার আজও তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন শুধু এদেশের মানুষের কথা ভেবে।

‘৭৫ এর সেই বিভীষিকার পর বাংলাদেশ যখন এক অন্ধকার যুগের দিকে হাঁটতে থাকে তখনই সকল রক্তচক্ষু ও জীবনের মায়া ত্যাগ করে ১৯৮১ সালের ১৭ই মে দেশের মানুষের টানে শেখ হাসিনা ফিরে আসেন প্রিয় মাতৃভূমিতে।সিক্ত হোন কোটি মানুষের ভালবাসায়।

আবেগাপ্লুত নেত্রী কোটি মানুষের মাঝে ঘোষণা করেন বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির অঙ্গীকার।শুরু হয় গণতন্ত্রের অভিযাত্রা।সেই থেকে আজ অব্দি তিনি লড়াই করে চলেছেন এদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।১৯ বার পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টার পরেও সকল অপচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেন তিনি।সংগ্রাম করে চলেন সকল দুঃশাসন ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে।তিনি এদেশের মানুষের হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছেন।আওয়ামীলীগকে দিয়েছেন ‘পরিচ্ছন্ন ইমেজ’।তাঁর নেতৃত্ব সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে।এজন্যেই আজ তিনি এদেশের ‘অবিসংবাদিত নেত্রী’।

বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এ রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সমুদ্রতল থেকে মহাকাশ জয় করেছে।গ্রাম থেকে শহর-সর্বত্র পৌঁছেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। বিশ্বশান্তির অগ্রদূত হয়ে পুরো বিশ্বে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন তিনি।

একসময়ে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদ দেয়া বিদেশীরা আজ বাংলাদেশকে সম্মান করে,সমীহ করে কথা বলে।এসবই সম্ভব হয়েছে তাঁর কারণে।তাঁর যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আজ জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী,সমৃ্দ্ধ,অসাম্প্রদায়িক,উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে ওঠার দ্বারপ্রান্তে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “we won’t bow down to anyone as we’ll live with dignity in the world.”
আমাদের বিশ্বাস,তাঁর ক্যারিশম্যাটিক লিডারশীপেই সকল বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উচুঁ করে এগিয়ে যাবে।গড়ে উঠবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা।

লেখকঃ নাজনীন নাহার বিপা
কর্মী,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।