বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফয়জুল মুনির চৌধুরী’র মোটর সাইলেক শোডাউন



গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর প্রায় ৩০০ মোটর সাইকেল নিয়ে পুরো জকিগঞ্জ উপজেলায় শোডাউন করলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও রমনা শাহবাগ থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিলেট ৫ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ফয়জুল মুনির চৌধুরী। এ সময় পুরো উপজেলায় উৎসব ছড়িয়ে পড়ে।

উপজেলার সাধারণ মানুষ রাস্তার ২ পাশে দাড়িয়ে সাধুবাদ জানায়। কোথাও কোথাও মানুষের উপচেপড়া ভীড় ছিল লক্ষণীয়। এ সময় ফয়জুল মুনির চৌধুরী বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থেকে নেমে জনসাধারনের সাথে করমর্দন ও কুশলাদি বিনিময় করেন। এর আগে শাহগলি বাজারে মোনাজাতের মাধ্যমে শোডাউন শুরু হয়। শোডাউনটি উপজেলার শাহগলি বাজার থেকে শুরু হয়ে বাবুরবাজারে এক পথসভা শেষে জকিগঞ্জ বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

শোডাউন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সিলেট মহানর এর ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়েব লস্কর এর সভাপতিত্বে ও শোডাউন বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন লস্কর জুয়েল এর পরিচালনায় পথসভা সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় উপজেলার বাবুরবাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়জুল মুনির চৌধুরী বলেন, আমি এই এলাকায় সদ্য আগত কোন লোক নই। দীর্ঘ ৩৫ বৎসর থেকে আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় কমবেশি এই এলাকার মানুষের সাথেও একটি নিবিড় সম্পর্ক ছিল বিদ্যমান। কিন্তু ঢাকার রাজনীতিতে অত্যন্ত ব্যস্ততার জন্য হয়তোবা এলাকায় আশা হয়নি।

কিন্তু বিগত ৫বৎসর থেকে নাড়ীর টানে এই এলাকায় আমি নিয়মিত আশা যাওয়া করি। আমি মনে করি এই এলাকায় আমাদের পদচারনার জন্যই নির্বাচনের ৬ মাস আগে থেকে নির্বাচনী উৎসব শুরু হয়েছে। বিগত নির্বাচনগুলোতে ঢাকা থেকে নমিনেশন নিয়ে আশার পর নির্বাচন আসে।

এতো আগে কখনো নির্বাচন আসেনি। আমরা মধ্যভিত্ত পরিবারের সন্তানরা যখন সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের পাশে এসে তাদের সাথী হয়ে কাজ করতে শুরু করলাম, মানুষ ও যখন আমাদেরকে আকড়ে ধরতে লাগলো সাধারণ শিশু ও যখন তার স্কুলের বেতন টিউশন ফি সহ সকল সমস্যার জন্য কাছে এসে আকড়িয়ে ধরতে লাগলো, একটা পাগল ও যখন আমাদের কাছে আশ্রয় খুজতে লাগলো, তখন আরো কিছু লোকও আমাদের সাথে সাথে এসে যুক্ত হলো।

আমরা স্বাগত জানাই আসুন এলাকার অভাবগ্রস্থ খেটে খাওয়া মানুষ ও রোগীদের পাশে এসে এদের খেদমত করি। তাদের অধিকার এর পক্ষে কথা বলি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক আমি মনে করি শুধু রাজনীতি না এদেশে রাজনীতি করেনা এমন সাধারন মানুষ রয়েছে আমি তাদেরও প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। আমি সেইসব মানুষের বন্ধু হতে চাই। তাদের সন্তান হয়ে তাদের পায়ের কাছে আমার আশ্রয় খুজতে চাই। আমি সার্বজনীন একজন প্রতিনিধি হতে চাই।

তিনি তার দীর্ঘ বক্তব্যে বলেন, আমি থানার দালালী করার জন্য রাজনীতি করতে চাই না, মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাই না। রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলা। আপনি রাজনীতি করছেন আপনি মানুষের অধিকার এর কথা ভুলে যাবেন। আপনি মানুষের আস্থাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। আমি সেই রাজনীতি চাই না। আমি দীর্ঘদিন থেকে রাজনীতি করি আমি একজন রাজনৈতিক ভিক্ষুক। আমাকে যদি আপনারা আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি অতীতের ন্যায় আপনাদের পায়ের কাছে থেকে আপনাদের জন্য কাজ করে যাব।

এ সময় বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরীর রমনা থানা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক লিন্টু, ঢাকা মহানগরীর ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন আজাদ, সড়কের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল লতিফ, সাবেক ছাত্রনেতা সারওয়ার হোসেন চৌধুরী রাজা, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সুমন, জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক নিলয় কিশোর ধর জয়, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ও শোডাউন বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগ নেতা ও শোডাউন বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মুমিন উল হক, জেলা ছাত্রলীগ নেতা ও শোডাউন বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক তামিম আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য ফয়েজ আহমদ, শামীম আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি জুনাইদ আহমদ জুনেদ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুশ শহীদ।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর যুবলীগের সদস্য এহছানুল করিম মাবরুর, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ সম্পাদক জিহান জোনায়েদ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা ছাদিকুর রহমান চৌধুরী ছাদেক, নয়ন দাস দুর্জয়, ইউপি সদস্য আব্দুল মুকিত, উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা বেলাল আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন, জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মিজান আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আশরাফ প্রমূখ। বিজ্ঞপ্তি