শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোতোয়ালী থানার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   জগন্নাথপুরে ছাত্রদল নেতাকে ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক করায় ১১ সদস্যের পদত্যাগ !  » «   খাদিমনগরে ইউপি সদস্য দিলুকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন  » «   কারবালার আত্মাদান হলো জালিমের সামনে আল্লাহর বাণী প্রচারে সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত: রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যাওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থি: ফখরুল  » «   বিশ্বনাথে নারীদের ত্রি-মাসিক সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন  » «   সিলেটে শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ : ৬ দিনপর রংপুর থেকে উদ্ধার  » «   সিলেট আদালতে স্বীকারোক্তি : ধর্ষণের পর পানিতে চুবিয়ে রুমিকে হত্যা  » «   ওসমানীনগরে প্রানীসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের নবনির্মিত ভবন উদ্ভোধন  » «   ছাতকে সেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক সংস্কার  » «  

সিলেট নগরীর পীর মহল্লায় ৩২টি বস্তা সুপারী ডাকাতি, থানায় মামলা



সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন পুর্ব পীরমহল্লাস্থ আকলকোয়া মাজারের সামনে দিনদুপুরে ৩২ বস্তা সুপারী ভয় দেখিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নুর ইসলাম। তিনি গত ১৪ সেপ্টেম্বর এয়ারপোর্ট থানায় ৮ জনের নাম উলে­খ করে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৮, ১৪.৯.১৮। নুর ইসলাম গোয়াইনঘাট থানার ভিতরগুল গ্রামের সোয়া মিয়ার পুত্র।

মামলার আসামীরা হলেন, মুংলীপাড় গ্রামের মাসুক মিয়ার পুত্র সুহিন মিয়া, বড়শালা গ্রামের মৃত মহব্বত আলীর সমশের আলী, পূর্ব পীরমহ্ল্লার ৪৩নং বাসার মোহন মিয়ার পুত্র নাহিদ, বড়শালা গ্রামের ফজলু আহমদের পুত্র সাইদুর রহমান মুন্না, মুংলীপাড় গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার পুত্র সবুজ, মৃত রশিদ আলীর পুত্র শহিদুল ইসলাম শহিদ, সৈয়দ মুগনীর ৪/১৪নং বাসার মৃত নেফুর তালুকদারের পুত্র রুহেল তালুকদার ও লেচুবাগার এলাকার মৃত পারিছ খানের পুত্র ইবাদ খান।

মামলার এজাহারে তিনি উলে­খ করেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গোয়াইনঘাট থেকে ট্রাকযোগে ৩২ বস্তা সুপারী (যার বাজার মূল্য ২ লাখ ৫৯ হাজার ৯’শ) নিয়ে সিলেটের কাজীর বাজারে নিয়ে আসছিলেন। বিকাল ৫টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন পূর্ব পীর মহল্লার আকলকোয়া মাজারের সামনে আসা মাত্র একটি কালো রংয়ের প্রাইভেট কার (যার রেজি.নং- ঢাকা মেট্রো-গ-১১-৪৭১০) ও দুটি মোটর সাইকেলে ৮/১০ সন্ত্রাসী পথে বাঁধা দেয়। সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রাকের ড্রাইভারকে নামায়, একজন সন্ত্রাসী নিজে গাড়ি চালিয়ে পশ্চিম পীরমহল্লাস্থ একটি খালি মাঠে নিয়ে আসে। সেখানে গাড়ী থামিয়ে আসামীরা ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। তখন সুপারী চালানের মালিক নুর ইসলাম তাদেরকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে অনুনয় করে বললেন, আমার কাছে আর কোন টাকা নেই। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামীরা নুর ইসলামকে খালি গাড়ি দিয়ে ৩২ বস্তা সুপারী নিয়ে যায় এবং নুর ইসলাম ও তার সাথে থাকা চাচতো ভাই জয়নালকে এ বিষয়ে কিছু বললে বা আইনের আশ্রয় নিলে হত্যা করার হুমকি দেয়। পরে নুর ইসলাম জানতে পারেন, তারা এলাকায় সন্ত্রাসী করে বেড়ায়। এলাকায় তাদের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। তারা এভাবে দিনদুপুরে চাঁদাবাজি, ডাকাতি সহ সকল প্রকার অবৈধ কর্মকান্ড করে বেড়ায়।

তাই এ ব্যাপারে সুষ্ঠু বিচার পেতে ও সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে তিনি এয়ারপোর্ট থানায় এ মামলা দায়ের করেন।