বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

পেশাজীবিদের সাথে খন্দকার মুক্তাদিরের মতবিনিময়



দেশনেত্রীকে মুক্তি ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হলে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। গণতন্ত্রমুক্ত করতে হলে বিএনপিকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে দেশ ও জনগণকে চরম মূল্য দিতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আহবানে পেশা জীবিদের মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পেশাজীবি নেত্রীবৃন্দ বলেন, ভোটার বিহিন নির্বাচনে সরকার গঠন করে আ’লীগ সরকার বিরোধীদলের উপর অমানবিক নির্যাতন, অত্যাচার , খুন, গুম করে ও বিএনপির জনসমর্থন কমাতে পারেনি। মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ায় তার জনপ্রিয়তায় এখন আকাঁশচুম্বি।

কোন অপ্রপচারে জনগণ বিভ্রান্ত হয়নি। একজন নেতাকর্মীও বিএনপি ছেড়ে যায়নি। ফলে আওয়ামীলীগ এখন ভীত সন্তস্ত্র হয়ে পড়েছে। আ’লীগ উন্নয়নের মহাসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে কিন্তু জনগণ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ পাবেনা। বক্তারা বলেন, কঠোর কর্মসূচী দিয়ে সরকারকে সহায়ক সরকারের মাধ্যমে সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করে দেশনেত্রীর আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে গনতন্ত্রকে পুনঃপতিষ্ঠা করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট পেশাজীবি পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক বিএমএ’র সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডাক্তার শামীমুর রহমান।

বক্তারা সিলেট ১আসনে ইতিহাস ঐতিয্যের কথা উল্লেখ করে সঠিক প্রার্থী নির্বাচনের জন্য আহবান জানান। তারা বলেন, জনগণকে এখই ম্যাসেজ দিতে হবে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি, যাতে ভোটাররা জেগে উঠতে পারে। বক্তারা জনগণের কাছে খন্দকার মুক্তাদিরকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ্য করে বলেন, তাঁর মতো শিক্ষিত সজ্জন ব্যাক্তিকে প্রার্থী করতে পারলে সিলেট ১আসন পুনঃরুদ্ধার হবে।
মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন বদরুদ্দোজা বদর।

আলোচনায় বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ শাখার পেশাজীবি নেত্রীবৃন্দ অংশনেন। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখে প্রফেসর ড. সাজেদুল করিম, প্রফেসর এম রাশেদ হাসনাত, প্রফেসর এম সিদ্দিকুল ইসলাম, প্রফেসর ইকবাল আহমেদ, প্রফেসর নিজাম উদ্দিন, প্রফেসর মুজ্জামেল হক, অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তফাদার, প্রফেসর ড. এমদাদুল হক, প্রফেসর মাসুদুর রহমান, প্রফেসর তাজউদ্দিন, প্রফেসর ইসমাঈল, প্রফেসর আমিনুল ইসলাম, প্রফেসর হোসেন আল-মামুন, প্রফেসর এম রেজাউল করিম, প্রফেসর আ.ফ.ম জাকারিয়া, প্রফেসর আতাউর রহমান, প্রফেসর মতিয়া রহমান, প্রফেসর পাবেল সাহরিয়ার, প্রফেসর শামিউল হাসান তালুকদার, প্রফেসর মনজুর-উল হায়দার, সাংবাদিক খালেদ আহমদ, অধ্যপক ফরিদ উদ্দিন, প্রফেসর মামুন, প্রফেসর বেলাল সিকদার, কৃষিবীদ খছরু মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, নিয়ামত উল্লাহ, গোলাম রসুল, অধ্যাপক মোঃ আবুল বায়েছ, শিক্ষক সমিতির নেতা আব্বাছ আলী।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাহির চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়ছল, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক প্রমুখ।

সমাপনির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিএনপি যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশী ঐক্যবদ্ধ। দলের জন্য পেশাজীবিদের মতামত ও পরামর্শ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের পরামর্শ নিয়ে দলের কর্মসূচীকে আরো সমৃদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, সিলেটের বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ বলেই সিটি নির্বাচনে আমারা আ’লীগকে পরাজিত করেছি। সংসদ নির্বাচনেও আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। এটা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটা দেশ ও জাতীর স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তে হবে। -বিজ্ঞপ্তি