বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জের ওসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা



ডেস্ক: সিলেটের পাথররাজ্য কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন পাথর কোয়ারিতে অবৈধভাবে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করে শতশত কোটি টাকার ক্ষতি, দুর্ণীতি-অনিয়ম করে লুটপাট ও পরিবেশের ৪-৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে থানার ওসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা, চুনাপাথর আমদানী রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী শামীম আহমদ।

বৃহস্পতিবার বিকালে মামলার শুনানী শেষে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আদেশ দিয়েছেন আদালত। সিলেটের সিনিয়র বিশেষ জজ ড. মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার ওই আদেশ দেন। আগামী ১১ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা দিয়ে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাদির আইনজীবী একেএম সমিউল আলম।
কোম্পানীগঞ্জের ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি, পাথর ব্যবসায়ী শামীম আহমদ সোমবার আদালতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাই, এএসআই মুহিবুর রহমান, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ, ভোলাগঞ্জ কলাবাড়ি এলাকার তাজুল ইসলাম ওরফে পরিবেশ মোল্লা, বিল্লাল আহমদ, জীবন পুরের কাজল সিংহ ও বুরদেও গ্রামের সাদ্দাম হোসেনকে অভিযুক্ত করে মামলা (নং-১৪/১৮) করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি, শাহ আরেফিন টিলা, দায়ারবাজার, লিলাইবাজার, উৎমা, গুচ্ছগ্রামসহ অন্যান্য কোয়ারি থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত বোমা মেশিনসহ অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে শতশত কোটি কোটি টাকার ক্ষতি ও ৪-৫ হাজার কোটি টাকার পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। থানার ওসি ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তার যোগসাজশে আসামীগণ এমন কাজে জড়িত।

জনস্বার্থে দায়ের করা মামলায় শামীম আহমদ আরও উল্লেখ করেন, ১-৩ নং আসামী সরকারি কর্মকর্তা হয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও পরিবেশ ধ্বংসে সহায়তা করছেন। অপর আসামীরা তাদের সহায়তা করছে। সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। এছাড়া এজাহারে পাথর কোয়ারি এলাকায় কিভাবে তারা অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং কোথা থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে তারও বর্ণনা তুলে ধরা হয়।