বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
চুনারুঘাটে বালি উত্তোলন নিয়ে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ  » «   জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলায় রায়ের বিষয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর আদেশ  » «   মহিউদ্দিন শিরু’র ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  » «   বিভিন্নক্ষেত্রে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ এক রোল মডেল: শিক্ষামন্ত্রী  » «   চুনারুঘাটে পরিত্যক্ত টং দোখান থেকে পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধার  » «   শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সিলেটের উন্নয়নে কাজ করতে চাই: ড. মোমেন  » «   জগন্নাথপুরে গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা  » «   জগন্নাথপুরের সুন্দর আলী পুত্রের কান্ড  » «   ভাষা সৈনিক আসাদ্দর আলীর জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   যান্ত্রীক ত্রুটিতে ৫ ঘন্টা ভোগান্তিতে পবিস কমলগঞ্জ জোনালের ৭৫ হাজার গ্রাহক  » «  

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলা চলবে কিনা, সিদ্ধান্ত ২০ সেপ্টেম্বর



জাতীয় ডেস্ক:: খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম চলবে কিনা, সে বিষয়ে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর আদেশ দেবেন আদালত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে অবস্থিত ঢাকার অস্থায়ী ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এদিন ঠিক করেন।

খালেদা জিয়া আদালতে যেতে ইচ্ছুক নন বলে আজও তিনি জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষকে।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে মৌখিকভাবে বলেছেন, এভাবে খালেদা জিয়া আদালতে আসতে অনিচ্ছুক হলে ও মামলার ওপর দুই আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবী যুক্ততর্ক শুরু না করলে আদালত যেন শুনানির পর্ব সমাপ্ত করে রায়ের দিন ধার্য করেন।

এর আগে বুধবার এ মামলায় হাজিরা দিতে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের অস্থায়ী আদালতে আসেননি বিএনপি চেয়ারপারসন। তার অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার শুনানি করে আজকের দিন ধার্য করেন।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ সাত বছর কারাদণ্ড দাবি করে দুদক প্রসিকিউশন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক।

তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়।

খালেদা জিয়া ছাড়া মামলায় অপর আসামিরা হলেন তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আর অপর দুই আসামি জামিনে আছেন।

প্রসঙ্গত চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।

একই সঙ্গে তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রত্যেকের ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর পরই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। প্রথম শ্রেণির কারাবন্দি হিসেবে বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।