শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোতোয়ালী থানার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   জগন্নাথপুরে ছাত্রদল নেতাকে ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক করায় ১১ সদস্যের পদত্যাগ !  » «   খাদিমনগরে ইউপি সদস্য দিলুকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন  » «   কারবালার আত্মাদান হলো জালিমের সামনে আল্লাহর বাণী প্রচারে সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত: রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যাওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থি: ফখরুল  » «   বিশ্বনাথে নারীদের ত্রি-মাসিক সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন  » «   সিলেটে শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ : ৬ দিনপর রংপুর থেকে উদ্ধার  » «   সিলেট আদালতে স্বীকারোক্তি : ধর্ষণের পর পানিতে চুবিয়ে রুমিকে হত্যা  » «   ওসমানীনগরে প্রানীসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের নবনির্মিত ভবন উদ্ভোধন  » «   ছাতকে সেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক সংস্কার  » «  

কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের রোষানলে পাথর ব্যবসায়ী



ডেস্ক রিপোর্ট: কোম্পানীগঞ্জে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করায় কোম্পানীগঞ্জ থানার এস.আই অমৃত কুমার দেব বাদী হয়ে শুক্রবার (১৭ আগস্ট) একটি মামলা (১০, ১৭.০৮.১৮) দায়ের করেন। মামলায় কোম্পানীগঞ্জের পাথর ব্যবসায়ী কেফায়েত উল­াহকে প্রধান আসামী করা হয়। তিনি উপজেলার পাড়–য়া মাঝপাড়ার মো. বিল­াল মিয়ার পুত্র।

এ ব্যাপারে মামলার আসামী কেফায়েত উল­াহ জানান, তিনি একজন পাথর ব্যবসায়ী। তার মালিকানাধীন একটি স্টোন ক্রাশার মিল রয়েছে। পাথর উত্তোলনের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। বোমা মেশিন দিয়ে একটি মহল পাথর উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা লুট ও স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট করছে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি করে তিনি বলেন, যারা প্রকৃত আসামী তাদের পর্দার আড়ালে রেখে থানা পুলিশ একটি মহলের ইন্ধনে তাকে মিথ্যা মামলায় আসামী করেছে।

মামলায় উলে­খ করা হয়েছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবুল লাইছ ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানার নেতৃত্বে গুচ্ছগ্রামে অভিযান পরিচালনার টের পেয়ে কেফায়েত উল­াহ সহ অন্যান্য আসামীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু কেফায়েত উল­াহ অভিযানের ব্যাপারে কিছু জানেনই না। বরং তিনি গত পনের দিন যাবত ব্যবসার কারনে সিলেটে অবস্থান করে আসছেন। তাছাড়া পাথর উত্তোলন চক্রের সাথে তিনি জড়িত নন। তাহলে কিভাবে তিনি মামলার প্রধান আসামী হন? এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে নানা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কেফায়েত উল­াহ এ মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাই পাথর উত্তোলনে পাথর খেকোদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করে আসছেন। তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রাতের আধারে গুচ্ছগ্রাম, ভোলাগঞ্জ রেলওয়ে রোপওয়ে বাংকার, লিলাইবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করাচ্ছেন পাথর খেকোদের দিয়ে। ঐসব স্পট থেকে প্রতিদিন ওসির পকেটে ঢুকে লক্ষ লক্ষ টাকা। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব ও ধবংস হচ্ছে কোম্পানীগঞ্জের সুন্দরতম পরিবেশ। এ নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ওসি আব্দুল হাই’র এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও অপসারণের দাবিতে ইতোপূর্বে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।