রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে যত্র-ছত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ: হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য



আব্দুস সালাম, বিশ্বনাথ থেকে::  সিলেটের বিশ্বনাথে সর্বত্র পরিবেশ দূষণ মারাত্বক আকার ধারণ করছে। দূগন্ধময় পরিবেশের কারনে রোগ জীবাণূ ছড়িয়ে পড়ছে এবং ময়লা আবর্জনার গন্ধে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। বায়ু দূষিত হওয়ায় বিভিন্ন রোগ জীবাণূর সৃষ্টি হচ্ছে। মশা-মাছি বংশ বৃদ্ধি করছে ফলে হুমকির মুখে আজ

জনস্বাস্থ্য। বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরার বজ্য ও ফার্মের বিষ্টায় স্তুপ খোলা জায়গায় পড়ে আছে।

উপজেলার সদরের প্রাণ কেন্দ্র বাসিয়া ব্রিজের দুই পাশে থানা প্রাঙ্গনের সম্মুখে ২০ গজ অদুরে ময়লা আবর্জনা ফেলে এক চরম দূর্গন্ধময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে ময়লা ফেলে রাখার আরেকটি অসৎ উদ্দেশ্যও রয়েছে। হোটেলের শত শত মন কয়েল লাকড়ি পুড়িয়ে ছাই নদীতে ফেলে ভরাট করে কৌশলে নদীর তীর দখল করা হচ্ছে।

এতে নদীতে পানি প্রবাহে বাঁধারও সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে অসখ্য হাঁস মুরগির ফার্ম রয়েছে। ফার্মের মালিকরা ময়লা আবর্জনা ও হাঁস মুরগির বিষ্টা নির্দিষ্ট গর্তে না ফেলে রাস্তার পাশে, খালে-জলাসয়ে, বিভিন্ন বাজারে, মসজিদ মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্টনের আশপাশে ফেলে পরিবেশ দূষণ করছেন। কিন্তু জনসচেতনতা সৃষ্টি কিংবা পরিবেশ দূষণ রোধে কারো কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্বনাথ নতুন বাজারস্থ উপজেলার হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, কলেজিয়েট স্কুল, মেরিট কেয়ার স্কুল, বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল, রামপাশা স্ট্যান্ডে সুবেদার আব্দুল মালিক বীর বিক্রম যাত্রী ছাউনী এলাকায় ময়লা আবর্জনার স্তুপ পড়ে আছে।

এসব রাস্তায় দিবানিশি নির্লজ্জ ভাবে অনেকেই মলমুত্র ত্যাগ করে পরিবেশকে আরো বেশি দূষণ করে ফেলেছে। অনেক সময় এসব রাস্তা দিয়ে শিক্ষার্থীরা ও পথচারীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

তাছাড়া বিশ্বনাথ, জগন্নাথপুর, লামাকাজি, নকিখালি-পুরান গাঁও রোড এবং উপজেলার বিভিন্ন গামে হাঁস মুগির খামারের বিষ্টায় পাহাড় জমে আছে।
এব্যাপারে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিতাভ পরাগ তালুকদার জানান, দ্রুত পরিবেশ দুষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এখানকার মানুষ দুর্গন্ধময় পরিবেশ থেকে শীঘ্রই রেহাই পাবেন।