মঙ্গলবার, ২১ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বেলজিয়াম তৃতীয়



স্পোর্টস রিপোর্ট সেমিফাইনালে হারের দুঃখ ভুলার আগেই মাঠে নামতে হয়েছিল। দু’দলই সান্তনার জয় পেতে চেয়েছিল। তবে পারল না ইংল্যান্ড। আজ শনিবার থ্রি-লায়নসদের ২-০ গোলে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের তৃতীয় হলো বেলজিয়াম।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটিই বেলজিয়ানদের সর্বোচ্চ সাফল্য। এর আগে সেরা ছিল চতুর্থ স্থান। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থ হয় তারা। তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গে খেলতে নামে ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম। ঘড়ির কাঁটা ৫ মিনিট ঘোরার আগেই গোল পেয়ে যায় বেলজিয়াম। ৪ মিনিটে নাসের শ্যাডলির অ্যাসিস্ট থেকে নিশানাভেদ করেন থমাস মিউনিয়ার। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইংল্যান্ড।

সমতায়ও ফিরতে পারত থ্রি-লায়নসরা। ২৩ ও ২৪ মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ পায় তারা। তবে তা হেলায় নষ্ট করেন রাহিম স্টার্লিং ও হ্যারি কেন। ৩৫ মিনিটে সুযোগ পায় বেলজিয়াম। তবে হাতের নাগালে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি টবি অ্যালডারউইয়ারল্ড। পরে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে খেলা এগিয়ে চললেও আর কেউই গোলমুখ খুলতে পারেনি। এতে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে মরিয়া হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণে বেলজিয়াম শিবিরে আতঙ্ক ছড়ায় ইংলিশরা। একাধিক সুযোগো পায় তারা। এদিন যেন ফুটবলদেবীও তাদের সহায় ছিল না। না হলে ৬৮ মিনিটে নিশ্চিত গোলটি কেন পাবেন না? কাইরান ট্রিপারের অ্যাসিস্ট থেকে গোলমুখে বল ঠেলে দিয়েছিলেন এরিক ডায়ার। থিবাউত কর্তোয়াও পরাস্ত হয়েছিলেন। বল যখন গোললাইন অতিক্রম করার তিল দূরে, তখনই দেবদূত হয়ে তা প্রতিহত করেন বেলজিয়ান এক রক্ষণসেনা। অধিকন্তু গোল মিসের মোহড়ায় যেন নামেন হ্যারি কেনরা। ৭০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে একাধিক মিস করেন তারা। উল্টো ৮২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল খেয়ে বসে ইংল্যান্ড। আরেকবার জাদু দেখালেন দুই মানিকজোড় ব্রুইনা-হ্যাজার্ড।