বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ধানের শীষে নয় তবুও জনপ্রিয় সেলিম



৫২টি ব্যানার-ফেষ্টুন নিয়ে মুক্তির দাবীতে সংহতি সমাবেশ, সুস্থতা কামনার জন্য দরগাহে দোয়া ও মিলাদ, সর্বসাধারণের জন্য বাড়ীতে সমাবেশ আয়োজন করে সারাদিন উনার জন্য অপেক্ষা করার পর উনার জবাব আসে আমি বিয়ানিবাজার বিএনপির সম্মেলনে চলে আসছি (তৃণমূল থেকে উনার কাছে বিয়ানীবাজার বিএনপি বড়), না ঘুমিয়ে বাবা ডায়াবেটিস এর রোগী হওয়া স্বত্ত্বেও নির্বাচনী প্রচারনার জন্য সারাদিন ধানের শীষের লিফলেট হাতে নিয়ে সর্বসাধারণের সাথে গণসংযোগ করেছেন। ঘটনাগুলো বেশি আগের নয় গত সিটি নির্বাচনে আমাদের দেয়া সব বিসর্জন।

শুধুমাত্র ধানের শীষের দিকে চেয়ে। কিন্তু নির্বাচনে জিতার পর উনার আর ফোন আসে না। ৫ বছরের মধ্যে আওয়ামীলীগ সরকার যখন উনাকে জেলে বন্দী করলো আমরাই পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে হয় উক্ত ৫২টি ব্যানার ফেষ্টুনের সংহতি সমাবেশ। যেখানে সিলেটের সর্বস্তরের জনগণ অধ্যক্ষ মাসউদ খান থেকে শুরু করে সবাই উপস্থিত একট্রা হয়েছিলেন। তবুও ৫ বছরের মধ্যে কোনো ফোন আসেনি উনার। দল থেকে শুরু করে তৃণমূলসহ সর্বস্তরের জনগণের সাথে তিনি দ্রোহীতার পরিচয় দেখিয়েছিলেন।
২০১৩ সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জামাত শেষ পর্যন্ত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে উনাকে সমর্থন দিয়েছিলো কিন্তু এবার ২০১৮ সালে তা আর হল না। জামায়াতও নির্বাচন করবে। কিন্তু যেটি সবচেয়ে বেশি আমার চোখে পরিবর্তন দেখা দিল এবার বিএনপি থেকেই একমাত্র সিলেটে বদরুজ্জামান সেলিম বিদ্রোহী হয়ে মেয়র নির্বাচনে দাড়িয়েছেন। উপরে যার কথা বললাম তিনি আর কেউ নন আমাদেরই সদ্য সাবেক মেয়র জনাব আরিফুল হক চৌধুরী।

৩৯ বছর রাজনীতি করার পর যখন প্রিয় রাজনীতিবীদ বদরুজ্জামান সেলিম ভাই বিদ্রোহ করলেন তখন মনে মনে ভাবতে শুরু করলাম উনার এই কাজটা কি সঠিক হলো। তখনই জিয়াউর রহমানের একটি উক্তি মনে হলো, “যেসব রাজনৈতিক নেতারা নিজ স্বার্থের জন্য দলের সাথে থাকে এবং রাজনীতি করে তাদের এই দলে থাকার চাইতে না থাকাই বড়।” কিন্তু বিএনপি আজ আর এই কথাটা ধরে রাখতে পারল না। তিন যুগের বেশি রাজনীতি করে যদি মূল্যায়ণ না হয় তাহলে এই দলে থাকার চাইতে না থাকাই ভালো। তৃণমূল থেকে রাজনীতি শুরু করে আজ সিলেট বিএনপিকে যিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি আর কেউ নন। একমাত্র বদরুজ্জামান সেলিম। যারা উনার পাশে নেতা হওয়ার জন্য গিয়েছিলেন তাদেরকেই তিনি অনেক উপরে মর্যাদায় আসন দিয়েছেন তার অনেক নজির আছে এবং সবাই জানেনও।

আমি ছোটবেলা থেকেই উনার নাম আমার বড় ভাইয়ের কাছে শুনে আসছি এবং এটাও জানি বদরুজ্জমান সেলিম ভাই আমার ভাইকে নিজ ছোট ভাইয়ের মত আদর করেন। প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উনি আমাদের বাসায়ও আসতেন। একদিন যখন আমি আরেকটি বিষয় জানতে পারলাম যে উনি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রদ্ধেয় চাচা মরহুম তারু মিয়ার ছেলে তখন উনার বিষয়ে জানার জন্য আরো উদগ্রীব হয়ে উঠি। বলতে পারেন অনেকেই উনি তো সিলেটের তাহলে উনি কি করে বড় নেতা হতে পারেন, আমার প্রশ্ন হলো জাতীয় নেতা হতে হলে কি শুধু ঢাকায় রাজনীতি করতে হবে। আমাদের বাংলাদেশ বলে কথা আজ যদি উনি মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকাতে জন্ম নিতেন তাহলে মাহাথির মোহাম্মদ এবং নেলসন ম্যান্ডেলার পর রাজনীতিবীদদের তালিকায় উনার নামই স্বর্ণাক্ষরে লিখা হতো। অনেকের কাছেই কথাটি যৌক্তিক না হতে পারে কারণ আমরা বাঙালি হুজুগে চলি আমরা বুঝি শুধু ঢাকায় রাজনীতি করলেই রাজনীতিবীদ হওয়া যায় সিলেটে করলে নয়। আর বদরুজ্জামান সেলিম ভাইয়ের মতো রাজনীতিবীদ বাংলাদেশে না হয়ে মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকাতে হওয়া উচিত ছিলো তখনই মূল্যায়ণ করা হতো এই নেতাকে কারণ আমাদের বাংলাদেশে সেলিম ভাইয়ের মতো রাজনীতিবীদদের কোনো স্থান নেই।

সেলিম ভাইকে নিয়ে লিখার কারণ হলো একটিই উনি একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং ত্যাগী মানুষ। আর আমি জানি উনার বিএনপির জন্য এতো ভালোবাসা যে যদি উনাকে বলা হয় রাত ৩টায় কর্মসূচিতে আসতে হবে আপনি ঠিক ৩টা হওয়ার আগেই উনাকে স্ব শরীরে উপস্থিত দেখবেন। কেন্দ্রীয় যারা বিএনপির নেতা হিসেবে রয়েছেন আমি মনে করি তাদের মতো বদরুজ্জামান সেলিম ভাইয়ের পদ পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। এমনকি যুগ্ম-মহাসচিবও। কিন্তু টাকার ভার বেশি বহন করতে পারেননি বলে আজ উনার রাজনৈতিক মূল্যায়ণে অভাব দেখা দিয়েছে। আমি জানি অনেকেই প্রিয় রাজনীতিবীদ হিসেবে বদরুজ্জামান সেলিমকে অনেক পছন্দ করেন কিন্তু বিএনপি থেকে পদ যাওয়ার ভয়ে কেউই উনার পাশে যাচ্ছেন না এবং জানি পছন্দ হলেও ধানের শীষের দিকে চেয়ে কেউই উনাকে ভোট দিবেন না। তার কারণ হলো ধানের শীষ তো আরিফুল হকের সৃষ্টি নয় এই অনন্য সৃষ্টি হলো সোনালী বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্ঠা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম)। কিন্তু এই দলের আজ নৈতিকতার অবক্ষয় হয়েছে। তারা ত্যাগী এবং পরিশ্রমীদের মূল্যায়ণ না করে অর্থ নির্ভর হয়ে পড়েছে। আমি একজন তরুণ ভোটার হিসেবে একমাত্র বদরুজ্জামান সেলিম ভাইকে ভোট দিবো। জানি অনেকেই বলতে পারেন সচেতেন নাগরিক হিসেবে উনাকে ভোট দিয়ে লাভ কি এবং যেই ধানের শীষকে এতো বেশি ভালোবাসি তাকে ভোট না দিয়ে কেন বাস-কে দিলাম তার কারণ হলো ভোট হোক বা না হোক এখানে আওয়ামীলীগই জিতবে কারণ আবাস পেয়েছি গাজীপুরের মতোই সিলেটের দশা হবে আমি একমাত্র ভোট দিলাম আমার মনকে শান্তনা দেয়ার জন্য এবং এরকম একজন রাজনীতিবীদের রাজনৈতিক জীবনের সঠিক সম্মান দেয়ার জন্য।

৫৪ বছর বয়স নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন নগরের খাদেম হওয়ার জন্য, ভেবেছিলেন দল থেকে মূল্যায়ণ করা হবে কিন্তু সেই স্বপ্নটা আর সত্যি হলো না। মানুষের গড় আয়ু হলো ৬০ বছর আরো ৫ বছর পর উনার ৫৯ বছর হয়ে যাবে শরীরের জোর-শক্তি কমে যাবে, ইচ্ছা-আকাঙ্খাও কমে যাবে তখন আর কি আদৌ সম্ভব হবে। আমি জানি সর্বসাধারণ থেকে শুরু করে সবাই সেলিম ভাইকে মন থেকে শ্রদ্ধা এবং এক অনন্য ভালোবাসা রয়েছে উনার প্রতি তার কারণ হলো উনি রাজনীতি নিজ স্বার্থের জন্য নয় জনগণের জন্য করেন।৫২টি ব্যানার-ফেষ্টুন নিয়ে মুক্তির দাবীতে সংহতি সমাবেশ, সুস্থতা কামনার জন্য দরগাহে দোয়া ও মিলাদ, সর্বসাধারণের জন্য বাড়ীতে সমাবেশ আয়োজন করে সারাদিন উনার জন্য অপেক্ষা করার পর উনার জবাব আসে আমি বিয়ানিবাজার বিএনপির সম্মেলনে চলে আসছি (তৃণমূল থেকে উনার কাছে বিয়ানীবাজার বিএনপি বড়), না ঘুমিয়ে বাবা ডায়াবেটিস এর রোগী হওয়া স্বত্ত্বেও নির্বাচনী প্রচারনার জন্য সারাদিন ধানের শীষের লিফলেট হাতে নিয়ে সর্বসাধারণের সাথে গণসংযোগ করেছেন। ঘটনাগুলো বেশি আগের নয় গত সিটি নির্বাচনে আমাদের দেয়া সব বিসর্জন। শুধুমাত্র ধানের শীষের দিকে চেয়ে। কিন্তু নির্বাচনে জিতার পর উনার আর ফোন আসে না। ৫ বছরের মধ্যে আওয়ামীলীগ সরকার যখন উনাকে জেলে বন্দী করলো আমরাই পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে হয় উক্ত ৫২টি ব্যানার ফেষ্টুনের সংহতি সমাবেশ। যেখানে সিলেটের সর্বস্তরের জনগণ অধ্যক্ষ মাসউদ খান থেকে শুরু করে সবাই উপস্থিত একট্রা হয়েছিলেন। তবুও ৫ বছরের মধ্যে কোনো ফোন আসেনি উনার। দল থেকে শুরু করে তৃণমূলসহ সর্বস্তরের জনগণের সাথে তিনি দ্রোহীতার পরিচয় দেখিয়েছিলেন।
২০১৩ সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জামাত শেষ পর্যন্ত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে উনাকে সমর্থন দিয়েছিলো কিন্তু এবার ২০১৮ সালে তা আর হল না। জামায়াতও নির্বাচন করবে। কিন্তু যেটি সবচেয়ে বেশি আমার চোখে পরিবর্তন দেখা দিল এবার বিএনপি থেকেই একমাত্র সিলেটে বদরুজ্জামান সেলিম বিদ্রোহী হয়ে মেয়র নির্বাচনে দাড়িয়েছেন। উপরে যার কথা বললাম তিনি আর কেউ নন আমাদেরই সদ্য সাবেক মেয়র জনাব আরিফুল হক চৌধুরী।

৩৯ বছর রাজনীতি করার পর যখন প্রিয় রাজনীতিবীদ বদরুজ্জামান সেলিম ভাই বিদ্রোহ করলেন তখন মনে মনে ভাবতে শুরু করলাম উনার এই কাজটা কি সঠিক হলো। তখনই জিয়াউর রহমানের একটি উক্তি মনে হলো, “যেসব রাজনৈতিক নেতারা নিজ স্বার্থের জন্য দলের সাথে থাকে এবং রাজনীতি করে তাদের এই দলে থাকার চাইতে না থাকাই বড়।” কিন্তু বিএনপি আজ আর এই কথাটা ধরে রাখতে পারল না। তিন যুগের বেশি রাজনীতি করে যদি মূল্যায়ণ না হয় তাহলে এই দলে থাকার চাইতে না থাকাই ভালো। তৃণমূল থেকে রাজনীতি শুরু করে আজ সিলেট বিএনপিকে যিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি আর কেউ নন। একমাত্র বদরুজ্জামান সেলিম। যারা উনার পাশে নেতা হওয়ার জন্য গিয়েছিলেন তাদেরকেই তিনি অনেক উপরে মর্যাদায় আসন দিয়েছেন তার অনেক নজির আছে এবং সবাই জানেনও।

আমি ছোটবেলা থেকেই উনার নাম আমার বড় ভাইয়ের কাছে শুনে আসছি এবং এটাও জানি বদরুজ্জমান সেলিম ভাই আমার ভাইকে নিজ ছোট ভাইয়ের মত আদর করেন। প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উনি আমাদের বাসায়ও আসতেন। একদিন যখন আমি আরেকটি বিষয় জানতে পারলাম যে উনি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রদ্ধেয় চাচা মরহুম তারু মিয়ার ছেলে তখন উনার বিষয়ে জানার জন্য আরো উদগ্রীব হয়ে উঠি। বলতে পারেন অনেকেই উনি তো সিলেটের তাহলে উনি কি করে বড় নেতা হতে পারেন, আমার প্রশ্ন হলো জাতীয় নেতা হতে হলে কি শুধু ঢাকায় রাজনীতি করতে হবে। আমাদের বাংলাদেশ বলে কথা আজ যদি উনি মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকাতে জন্ম নিতেন তাহলে মাহাথির মোহাম্মদ এবং নেলসন ম্যান্ডেলার পর রাজনীতিবীদদের তালিকায় উনার নামই স্বর্ণাক্ষরে লিখা হতো। অনেকের কাছেই কথাটি যৌক্তিক না হতে পারে কারণ আমরা বাঙালি হুজুগে চলি আমরা বুঝি শুধু ঢাকায় রাজনীতি করলেই রাজনীতিবীদ হওয়া যায় সিলেটে করলে নয়। আর বদরুজ্জামান সেলিম ভাইয়ের মতো রাজনীতিবীদ বাংলাদেশে না হয়ে মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকাতে হওয়া উচিত ছিলো তখনই মূল্যায়ণ করা হতো এই নেতাকে কারণ আমাদের বাংলাদেশে সেলিম ভাইয়ের মতো রাজনীতিবীদদের কোনো স্থান নেই।

সেলিম ভাইকে নিয়ে লিখার কারণ হলো একটিই উনি একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং ত্যাগী মানুষ। আর আমি জানি উনার বিএনপির জন্য এতো ভালোবাসা যে যদি উনাকে বলা হয় রাত ৩টায় কর্মসূচিতে আসতে হবে আপনি ঠিক ৩টা হওয়ার আগেই উনাকে স্ব শরীরে উপস্থিত দেখবেন। কেন্দ্রীয় যারা বিএনপির নেতা হিসেবে রয়েছেন আমি মনে করি তাদের মতো বদরুজ্জামান সেলিম ভাইয়ের পদ পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। এমনকি যুগ্ম-মহাসচিবও। কিন্তু টাকার ভার বেশি বহন করতে পারেননি বলে আজ উনার রাজনৈতিক মূল্যায়ণে অভাব দেখা দিয়েছে। আমি জানি অনেকেই প্রিয় রাজনীতিবীদ হিসেবে বদরুজ্জামান সেলিমকে অনেক পছন্দ করেন কিন্তু বিএনপি থেকে পদ যাওয়ার ভয়ে কেউই উনার পাশে যাচ্ছেন না এবং জানি পছন্দ হলেও ধানের শীষের দিকে চেয়ে কেউই উনাকে ভোট দিবেন না। তার কারণ হলো ধানের শীষ তো আরিফুল হকের সৃষ্টি নয় এই অনন্য সৃষ্টি হলো সোনালী বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্ঠা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম)। কিন্তু এই দলের আজ নৈতিকতার অবক্ষয় হয়েছে। তারা ত্যাগী এবং পরিশ্রমীদের মূল্যায়ণ না করে অর্থ নির্ভর হয়ে পড়েছে। আমি একজন তরুণ ভোটার হিসেবে একমাত্র বদরুজ্জামান সেলিম ভাইকে ভোট দিবো। জানি অনেকেই বলতে পারেন সচেতেন নাগরিক হিসেবে উনাকে ভোট দিয়ে লাভ কি এবং যেই ধানের শীষকে এতো বেশি ভালোবাসি তাকে ভোট না দিয়ে কেন বাস-কে দিলাম তার কারণ হলো ভোট হোক বা না হোক এখানে আওয়ামীলীগই জিতবে কারণ আবাস পেয়েছি গাজীপুরের মতোই সিলেটের দশা হবে আমি একমাত্র ভোট দিলাম আমার মনকে শান্তনা দেয়ার জন্য এবং এরকম একজন রাজনীতিবীদের রাজনৈতিক জীবনের সঠিক সম্মান দেয়ার জন্য।

৫৪ বছর বয়স নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন নগরের খাদেম হওয়ার জন্য, ভেবেছিলেন দল থেকে মূল্যায়ণ করা হবে কিন্তু সেই স্বপ্নটা আর সত্যি হলো না। মানুষের গড় আয়ু হলো ৬০ বছর আরো ৫ বছর পর উনার ৫৯ বছর হয়ে যাবে শরীরের জোর-শক্তি কমে যাবে, ইচ্ছা-আকাঙ্খাও কমে যাবে তখন আর কি আদৌ সম্ভব হবে। আমি জানি সর্বসাধারণ থেকে শুরু করে সবাই সেলিম ভাইকে মন থেকে শ্রদ্ধা এবং এক অনন্য ভালোবাসা রয়েছে উনার প্রতি তার কারণ হলো উনি রাজনীতি নিজ স্বার্থের জন্য নয় জনগণের জন্য করেন।

মো.নাঈমুল ইসলাম
ছাত্র ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক, লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক।