বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন চায় ইইউ  » «   ছাতকে পানিতে ডুবে দু’বোনের মৃত্যু  » «   বিমানবন্দরে গণসংবর্ধনা: যুক্তরাজ্যে সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশে ফিরলেন মিসবাহ সিরাজ  » «   জৈন্তাপুরে তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ উপজেলা কমিটির সভা  » «   প্রচন্ড গরমে পুড়ছে জগন্নাথপুর  » «   সিলেটে কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা : আহত তিন  » «   নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা: উদ্বেগ, উৎকন্ঠায় সিলেট নগরবাসী  » «   এইচএসসি পরীক্ষায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’র ধারাবাহিক সাফল্য  » «   কামরানের নৌকার সমর্থনে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সভা  » «   আদালতপাড়া ও আখালীয়া এলাকায় টেবিল ঘড়ির সমর্থনে গণসংযোগ  » «  

থাইল্যান্ডে গুহায় আটকে পড়া ফুটবল টিমের সবাই উদ্ধার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চরম ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া সবাইকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছেন ডুবুরিরা। খবর বিবিসির

মঙ্গলবার কোচসহ ৫ জনকে বের করে আনা হয়। এর আগে গত দুই দিন ধরে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গুহা থেকে বের করে আনা হয়েছিল।

থাম লুয়াং গুহা ভিতরের এই অভিযান বিশ্বব্যাপী সবার মনোযোগ কেড়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যার কারণে গত ২৩ জুন এই দলটি গুহার ভেতর আটকা পড়ে। পরে গত সপ্তাহে তাদের সন্ধান পান ডুবুরিরা।

গুহা উদ্ধারকৃত কিশোরদের কাউকেই জনসমক্ষে আনা হয়নি। তবে তারা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছে বলে জানানো হয়েছে।

থাই কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কিশোরদের এখনও বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। ওই কিশোররা জাউ ভাত খেতে পারছে। তারা মাংস ও চকলেট খেতে চাইলেও হজমে সমস্যা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তাদের সেটা দেয়া হচ্ছে না। কেননা তারা প্রত্যেকেই কয়েকদিন ধরে না খেয়ে ছিল।

এর আগে গত ২৩ জুন ১২ সদস্যের একটি কিশোর ফুটবল দল এবং তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচ উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চিয়াং রাইয়ের ‘থাম লুয়াং’ গুহায় প্রবেশ করে। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে গুহার ভেতর পানি ঢুকে পড়লে দলটি আটকা পড়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর ডুবুরিরা দলটির সন্ধান পায়। ওই কিশোরদের বয়স ১১ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে।

উদ্ধার করা কিশোরদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করছে না থাই কর্তৃপক্ষ। যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের বাবা-মাকেও হাসপাতালে ডাকা হচ্ছে না। এসব অভিযোগের জবাবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, সংক্রমণের ভয়ে তাদের কাছে বাবা-মা বা আত্মীয় স্বজনকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। নাম-পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে উদ্ধার অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক নারোংসাক ওসাটানাকর্ন বলেন, সবাইকে উদ্ধার করার আগে নাম-পরিচয় বলা যথার্থ হবে না। এতে যারা এখনও বেরিয়ে আসেনি, তাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যেতে পারে।