বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন চায় ইইউ  » «   ছাতকে পানিতে ডুবে দু’বোনের মৃত্যু  » «   বিমানবন্দরে গণসংবর্ধনা: যুক্তরাজ্যে সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশে ফিরলেন মিসবাহ সিরাজ  » «   জৈন্তাপুরে তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ উপজেলা কমিটির সভা  » «   প্রচন্ড গরমে পুড়ছে জগন্নাথপুর  » «   সিলেটে কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা : আহত তিন  » «   নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা: উদ্বেগ, উৎকন্ঠায় সিলেট নগরবাসী  » «   এইচএসসি পরীক্ষায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’র ধারাবাহিক সাফল্য  » «   কামরানের নৌকার সমর্থনে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সভা  » «   আদালতপাড়া ও আখালীয়া এলাকায় টেবিল ঘড়ির সমর্থনে গণসংযোগ  » «  

জগন্নাথপুর পৌরসভা ভবনের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে



জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভা ভবনের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। তা দেখে পৌর নাগরিকদের মধ্যে স্বস্থি বিরাজ করছে।
জানাগেছে, গত প্রায় এক বছর আগে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই তলা বিশিষ্ট জগন্নাথপুর পৌরসভা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আতাউর রহমান খান। তবে কাজ শুরু হওয়ার কয়েক মাস পর টাকার অভাবে কাজ থেমে গিয়েছিল। এখন আবার দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে।

১০ জুলাই মঙ্গলবার পৌরসভা ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল হক। এ সময় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আতাউর রহমান খান এর ঠিকাদার গোলাম কবির আহমদ চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার রুবেল আহমদ, প্যানেল মেয়র-২ সুহেল আহমদ, পৌর সচিব মোবারক হোসেন, পৌর কাউন্সিলর আবাব মিয়া, দিপক গোপ, পৌর প্রকৌশলী সতীশ গোস্বামী সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে-দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে ভাড়াটে ছোট ভবনের অস্থায়ী কার্যালয়ে পৌরসভার কার্যক্রম চলছে। এতে জায়গা সংকটের কারণে নাগরিক সুবিধা পেতে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে পৌর নাগরিকদের। তাই নতুন পৌর ভবনের নির্মাণ কাজ এগিয়ে যাওয়ায় পৌর নাগরিকদের মধ্যে স্বস্থি ফিরে এসেছে।

এ ব্যাপারে পৌর প্রকৌশলী সতীশ গোস্বামী বলেন, পৌর ভবন নির্মাণ কাজের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা সরকার বরাদ্দ দিলেও ইতোমধ্যে ২ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে টাকার অভাবে এমনিতেই কয়েক মাস কাজ বন্ধ ছিল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যথা সময়ে বাকি দেড় কোটি টাকা পাওয়া গেলে আগামী ৩ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। তখন নতুন পৌর ভবনে পৌরসভার কাজ চালু হলে নাগরিকদের আর কোন ভোগান্তি হবে না।