শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোতোয়ালী থানার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   জগন্নাথপুরে ছাত্রদল নেতাকে ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক করায় ১১ সদস্যের পদত্যাগ !  » «   খাদিমনগরে ইউপি সদস্য দিলুকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন  » «   কারবালার আত্মাদান হলো জালিমের সামনে আল্লাহর বাণী প্রচারে সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত: রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যাওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থি: ফখরুল  » «   বিশ্বনাথে নারীদের ত্রি-মাসিক সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন  » «   সিলেটে শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ : ৬ দিনপর রংপুর থেকে উদ্ধার  » «   সিলেট আদালতে স্বীকারোক্তি : ধর্ষণের পর পানিতে চুবিয়ে রুমিকে হত্যা  » «   ওসমানীনগরে প্রানীসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের নবনির্মিত ভবন উদ্ভোধন  » «   ছাতকে সেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক সংস্কার  » «  

সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলায় চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় নি:শর্ত ক্ষমা চাইলো হামলাকারীরা



ডেস্ক রিপোর্ট:: সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলাকারীরা নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থণা করেছে। রোববার বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশফাক আহমদের মধ্যস্থতায় এ ক্ষমা প্রার্থণা করে হামলাকারীরা বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরণের আর কোনো অপরাধ কর্মকাণ্ডে তারা যুক্ত হবে না। গত ১ জুলাই নিজ গ্রামের বাড়ি সাহেবেরবাজার যাওয়ার পথে ধুপাগুল এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক ইদ্রিছ আলী।

এরপর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে তাকে দেখতে যান সিটি করপোরেশেন নির্বাচনে দুই মেয়র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদসহ বিভিন্ন শ্রেণীর নেতৃবৃন্দ। ঘটনায় তাৎক্ষণিক উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানান সিলেট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন। এ ঘটনায় সাংবাদিক ইদ্রিছ আলী বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। সাহেবেরবাজারে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান আশফাক আহমদসহ অন্যরা। পরবর্তিতে বিষয়টি একটি ভুল বুঝাবুঝি মনে করে এর সমাধাণের উদ্যোগ নেন সদর উপজেলার উল্লেখিত চেয়ারম্যান। এর ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেলে এক বৈঠক বসে উপজেলা মিলনায়তনে। সেখানে হামলাকারীরা বলেন, ইদ্রিছের ওপর হামলা নিছক একটি ভুল বুঝাবুঝি।

মুলত দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের ঝের ধরে ভুলবশত: এ হামলার ঘটনা ঘটে। এজন্য তারা সকলের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। ভবিষ্যতে এ ধরণের আর কোনো ঘটনা ঘটবে না বলেও অঙ্গিকার করেন। একইসঙ্গে সাহেবেরবাজার ও ধুপাগুল গ্রামবাসীর মধ্যে যে বিরোধ ছিল তাও সমাধান করে দেন উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদিমনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, বর্তমান চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য আনসার আলী, বশির আহমদ, নাজিম উদ্দিন ইমরান, সাকির আহমদ প্রমূখ।