সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
নাস্তিক ফতোয়া দিয়ে ফের আলোচনায় এমপি কয়েছ( ভিডিও সহ)  » «   আফগানদের হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ  » «   প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সিলেট কওমি মাদরাসা বোর্ডের শুকরিয়া মিছিল  » «   বিশ্বনাথে গোপন বৈঠক কালে ১৭ জামাত নেতা আটক  » «   হোটেল শ্রমিক উইনিয়নের বিক্ষোভ মিছিল  » «   জেলা পরিষদের অর্থায়নে সংযোগ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন-এড. লুৎফুর রহমান  » «   জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫ জনের জামিন হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি  » «   বিশ্বনাথে মাজার নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন  » «   সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফয়জুল মুনির চৌধুরী’র মোটর সাইলেক শোডাউন  » «   চারখাই ত্রিমুখে ‘শহীদ নাহিদ চত্বর’র উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «  

খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির সময় বাড়ল আরও একদিন



জাতীয় ডেস্ক:  জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা বাড়ানো নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। একই দিন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিলের ওপর শুনানি হবে।

রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

উভয় আবেদনের ওপর শুনানির দিন আজ ধার্য থাকলেও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল শুনানির জন্য সময় আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক সময় আবেদনের বিরোধিতা করে শুনানি শুরুর আবেদন জানায়। আদালত উভয় আবেদন নিষ্পত্তি করে সোমবার দুপুর ২টার দিকে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩ জুলাই শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন সময় আবেদনের পর আদালত আজ ৮ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন।

গত ১ জুলাই খালেদা জিয়া ও অপর দুই আসামির আপিলসহ দুদকের আবেদনের শুনানির জন্য ৩ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুজন হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পলাতক তিনজন হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এর পর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন।

এর পর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

এ মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পর খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর গত ১৬ মে তা বহাল রেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন।