শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন চায় ইইউ  » «   ছাতকে পানিতে ডুবে দু’বোনের মৃত্যু  » «   বিমানবন্দরে গণসংবর্ধনা: যুক্তরাজ্যে সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশে ফিরলেন মিসবাহ সিরাজ  » «   জৈন্তাপুরে তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ উপজেলা কমিটির সভা  » «   প্রচন্ড গরমে পুড়ছে জগন্নাথপুর  » «   সিলেটে কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা : আহত তিন  » «   নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা: উদ্বেগ, উৎকন্ঠায় সিলেট নগরবাসী  » «   এইচএসসি পরীক্ষায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’র ধারাবাহিক সাফল্য  » «   কামরানের নৌকার সমর্থনে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সভা  » «   আদালতপাড়া ও আখালীয়া এলাকায় টেবিল ঘড়ির সমর্থনে গণসংযোগ  » «  

এএটি’র আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সে প্যানেল বক্তা হিসেবে যোগ দিলেন একাউন্টেন্ট নুরুজ্জামান



ডেস্ক নিউজ:: ব্রিটেনের একাউন্টিং সেক্টরের সবচেয়ে বড় সংগঠন এএটি‘র বার্ষিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এবারের কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য ছিলো ফিউচার একাউন্টস।

লন্ডনের উইনসরের একটি অভিযাত হোটেলে দুদিনব্যাপী এই আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একাউন্টেন্সি পেশাকে কিভাবে বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল ও অধিকতর কার্যকরী করা যায় সেই বিষয়ে গুত্বপূর্ন প্রেজেন্টেশন দেন সেমিনারের প্যানেল বক্তারা।

কনফারেন্সের একটি গুরুত্বপূর্ন সেশনে প্যানেল বক্তা ছিলেন এএটির টেক্স পলিসি এডভাইজার ব্রায়েন পালমার, ফাইনান্স ট্রেনিং একাডেমীর এন্ডি লোনেন, বডা ফোনের গ্রুপ ফাইনান্স সিস্টেম এবং প্রসেসের বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টোফার আর্গেন্ট, জিরোর সেলস ডাইরেক্টর গ্লেন ফস্টার ও ইস্ট লন্ডনের তাজ একাউন্টসের স্বত্তাধিকারী আবুল হায়াত নুরুজ্জামান। আবুল হায়াত নুরুজ্জামান হচ্ছেন একমাত্র ব্রিটিশ বাংলাদেশী ও সিলেটের কৃতিসন্তান যিনি এই কনফারেন্সের প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন। তিনি ২০১৭ সালে এএটি লাইসেন্স মেম্বার অফ দ্যা ইয়ার এওয়ার্ডে ভুষিত হন।

এছাড়াও তরুন প্রজন্মের পেশাজীবিদের অনুপ্রেরনা ও উৎসাহ দিতে নুরুজ্জামানকে নিয়ে সম্প্রতি এএটির ম্যাগাজিনে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিশ্বের ৯০টি দেশের ১ লাখ ৪০ হাজার মেম্বার রয়েছে এএটির। একাউন্টেন্ট পেশায় জড়িতদের জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুপ্রেরনা প্রদানের জন্য প্রতিবছর ডিজাইন করা হয় এই বিশ্বমানের কনফারেন্সে।

এতে একাউন্টেন্সি শিল্পের বিকাশ, ব্যবসায়ীদের সঠিক এবং নির্ভুল হিসেব রাখার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তাদের যথাযথ সেবা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্ব পায় সেমিনারে।

পেশাধার একাউন্টেন্টদের সাথে নেটওয়ার্কিং, ভবিষৎ একাউন্টিং শির্ক্ষাথীদের কি কি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে তা আলোচনায় উঠে আসে। হিসেব সংরক্ষনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দু‘দিনব্যাপী কী নোট উপস্থাপন করেন বক্তারা।