মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী বরাবারে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির স্মারকলিপি



আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন, তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন স্থানীয় সরকার সিলেটের উপ পরিচালক দেবজিৎ সিনহা।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপি সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত্ চৌধুরী সাদেক, জেলা সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল গাফফার, মহানগর সহ-সভাপতি প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, মহানগর সহ-সভাপতি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, ফাত্তাহ বকশী, জেলা উপদেষ্ঠা এডভোকেট কামাল হোসেন, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দিকী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঈনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল মোর্শেদ, জেলা বিএনপি নেতা নজিবুর রহমান নজিব, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ফখরুল হক, মহানগর প্রকাশনা সম্পাদক জাকির হোসেন মজুমদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আশরাফুল ইসলাম, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, জেলা ধর্ম সম্পাদক আল মামুন খান, মহানগর স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: আশরাফ আলী, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ও মুরাদ হোসেন, বিএনপি নেতা এডভোকেট আনসারুজ্জামান, এডভোকেট মহসিন আহমদ, এডভোকেট তাজরিহান জামান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট ইকবাল আহমদ, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন- আব্দুল লতিফ খান, এনামুল হক মাক্কু, দিলোয়ার হোসেন জয়, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আব্দুর রহিম, খোকন ইসলাম, উজ্জর রঞ্জন চন্দ, শামসুর রহমান শামীম, শফিকুর রহমান টুটুল, শেখ কবির আহমদ, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, নুরুল ইসলাম লিমন, ফয়সল আহমদ টিপু, মাসুম আহমদ, আবুল হোসেন, এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল হেলাল, এডভোকেট ইয়াসির আরাফাত, এডভোকেট সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, বদরুল ইসলাম আজাদ, শাহজাহান আহমদ, আবুল হাসেম, মির্জা জাহেদ, এনামুল হক পাভেল, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল মুকিত, আলম আহমদ ও মাহবুব আহমদ প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ বলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলেন বাংলাদেশ সরকারের তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী। ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার জুলুমের শিকার হয়েছেন কিন্তু স্বৈরাচারের সাথে আপোষ করেন নি। ষড়যন্ত্রমুলক একটি মামলায় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখা বাংলাদেশে বিধ্বস্ত গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকের শামিল।

আদালতে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত এমনকি মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা জামিন পায়। তারা নিরাপদে দেশ ছেড়েও পালিয়ে যেতে পারে। ষড়যন্ত্রমুলক একটি মামলায় তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীকে পরিত্যক্ত ভবনে আটকে রাখা জাতির জন্য খুবই দুঃখজনক। বার বার সুচিকিৎসার দাবী জানানো স্বত্ত্বেও তাঁকে চিকিতৎসা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে বার বার সময়ক্ষেপণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে এছাড়া তিনি ৫ জুন কারাগারে মাথাঘুরে পড়ে যান এসময় তিনি ৫-৭ মিনিট অজ্ঞান ছিলেন। সত্তরোর্ধ একজন নারীর সাথে এমন বর্বর আচরণ কোন গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ হতে পারেনা। আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন এবং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করুন। আমরা প্রতিযোগিতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি প্রতিহিংসা নয়। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করুন। -বিজ্ঞপ্তি