মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আলোকিত মানুষ আন্তর্জাতিক উশু কোচ ও জাতীয় জাজ মোঃ আনোয়ার হোসেন-নাজমা বেগম



সৃষ্টিকর্তা মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত অর্থাৎ সৃষ্টির সেরা জীব হিসাবে তৈরি করেছেন। মানুষ তার বুদ্ধিকে বিকশিত করে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে। যেমন মানুষ জন্মিলেই মানুষ নয়,তাকে মানুষ হিসাবে পরিচিতি পেতে হলে মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করতে হয় এবং ক্রমান্বয়ে নিজেকে শিখনে আগ্রহী হয়। জ্ঞানের আলোকে শাণিত করে আচরণের স্হায়ী পরিবর্তন করতে সমর্থ হয় ,যাকে আমরা শিক্ষা নামে অবিহিত করি।

আর এই শিক্ষা বিভিন্নভাবে গ্রহণ করে দীক্ষিত হয়ে নিজেকে একজন আদর্শ মানুষ হিসাবে সমাজে বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এবং তারই আদর্শে আদর্শায়িত হয়ে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতির পরিবর্তন সহযোগিতা করে। অন্যতায় সমাজ কুসংস্কারের লেলিহানে অন্ধকারে হাবু ডুবু খেয়েই জীবন পরিচালনায় বাধ্য। মনুষত্বহীন মানুষ প্রাণী হিসাবে বেঁচে থাকতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কেবল তারাই মানুষ নামের দাবীদার যারা পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের স্বার্থে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারে।

আমাদের সমাজে বিত্তবান প্রতিষ্ঠিত মানুষের অভাব নেই কিন্তু নিবেদিত মানুষ হাতে গোনা মাত্র যেকজন যদি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাজ রা যায় তাহলে কৃষ্টি কালচারের পরিবর্তন আনয়ন সময়ের ব্যপার মাত্র। সিলেটের উশু জগতে জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ঃ মার্শাল আর্ট, কুংফু, উশু জগতের একজন খ্যাতমান ব্যক্তি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোচ ও জাজ জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন যার জন্ম ১৯৮৬ সালে। বাবার সীমিত আয় ২ ভাই ২ বোনের সংসারে অনেক চড়ায়ে উতরায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথ বাৎলে নেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি সাধারন পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলে ও শৈশব থেকেই খেলাধূলার প্রতি বিরাট আগ্রহ ছিল। তাই পড়ালেখার পাশা পাশি খেলাধূলায় ও মনোনিবেষ করেন। কৈশোরে মাত্র ১২ বছর বয়সে ব্যক্তি গত উদ্যাোগে মার্শাল আর্ট জগতের সাথে একাত্বতা পোষণ করেন। সিলেটে বিভিন্ন স্কুল পর্যায়ে উশু প্রশিক্ষণ চালু করেন, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সাহেবকে সভাপতি করে সিলেট জেলা উশু এসোসিয়েশন কমিটি গঠন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাবের সান্নিধ্যে প্রশিক্ষিত হবার নেশায় বিভোর ছিলেন কিন্তু কোন উপায়ান্তর খুজে না পেয়ে কিংকর্তব্য বিমূঢ় কারন প্রশিক্ষনের ব্যয়ভার বহন করা তাঁর পক্ষে ছিল কঠিন তবু পিছিয়ে থাকতে রাজি নন। ইচ্ছা শক্তির সঞ্চয়ে গভীর আতœবিশ্বাসের সাথে উস্তাদ চিত্রনায়ক রুবেল সাহেবের সন্ধানে চলে যান ঢাকায়। কোন আশ্বাস না পেয়ে পূনরায় ফিরে আসেন সিলেটে। মার্শাল আর্ট প্রেমিক জনাব আনোয়ার হোসেন ছুটে চলেন সিলেট স্টেডিয়াম কারাতে প্রশিক্ষক জনাব মাসুদ রানা সাহেবের ক্লাবে দক্ষতার সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণে মত্ত হলে বার্মিস সমাপ্ত করে ব্লেক বেল্ট প্রাপ্ত হন । বিভিন্ন টিম থেকে শুরু করে ন্যাশনাল পর্যন্ত খেলা করে গোল্ড অর্জনে নিজের অবস্হানকে সুদৃঢ় করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মার্শাল আর্ট জগতে। কিছুদিন পর তাকাউরা ও হিরোসিতা নামক দুজন জাপানী প্রশিক্ষকের নিকট চট্রগ্রামে ১৫ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। সেখানে ২৫ জনে ১ জন জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন নির্বচিত হন তারপর থেকে বিভিন্ন ক্লাবে প্রেকটিস কার্য চালিয়ে যান। পরবর্তীতে তিনি পুনরায় কারাতে রুবেল সাহেবের ক্লাবে সপ্তাহে ২ দিন ফ্রি এবং বাকীদিন বেতন প্রদানে ফাইটার কারাতে ও পাশাপাশি অন্যান্য স্টাইলে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ উশু এসোসিয়েশনের সহযোগীতায় বিভিন্ন উশু প্রশিক্ষকের কাছে উচ্চতরের ট্রেনিং গ্রহণ করেন। ঢাকাতে থাকা খাওয়ার ব্যাপারে যদিও হিমসীম খেতে হয়েছে তথাপি সমাপ্ত করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেন। লক্ষ্য উদ্দেশ্য নির্ভর হলে সফলতা হবেই। তাহার স্বপ্ন ছিল প্রখর তাই হাটি হাটি পা পা করে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম বয়ে আজ উশু নিয়ে নির্দিষ্ট একটি অবস্থানে নিজেকে বসাতে সহযোগিতার মাধ্যমে ক্লাব প্রতিষ্টা করেন। সেখানে উশু প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্বে থেকে উশু জিমনাস্টিক মুভমেন্ট থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যাদির তত্ত্বাবধানে এগিয়ে চলেন। সল্প সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন টিমের সাথে প্রশিক্ষনার্থীদের খেলা নিশ্চিত করেন, এমন কি জাতীয় পর্যায়ের খেলা, যুব গেমস, বি কে এসপি খেলাতে একাধিক স্বর্ন, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ অর্জন করে সিলেটের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টায় ব্রত হন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোচ, জাজ হিসাবে তিনি প্রতিনিয়ত অসাধারনত্বের পরিচয় দিয়ে চলেছেন। উপযুক্ত নেতৃত্ব প্রদানে সহযোগিতার
ধারা অব্যাহত রেখে তাঁর কঠোর শ্রম ও সাধনার ফলে সিলেটে চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুল প্রতিষ্টা করেন। সিলেটে উশু এই প্রথম তিনিই শুরু করেন।
উশুর পরিচয় ঃ ইহা একটি আন্তর্জাতিক খেলা wu শব্দের অর্থ মানুষের আতœরক্ষা আর shu অর্থ কৌশল মূলত শাব্দিক ব্যঞ্জনার্থে ঁিংযঁ মানুষের আতœরক্ষার কৌশল। এই খেলাটি প্রায় ৩ হাজার বছরের ও প্রাচীন ইতিহাস। যদিও ১৯১২ সালে সারা বিশ্বে wushu নামে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। ১ম বারের মত প্রদর্শিত এই উশু খেলা জার্মানীর অলিম্পিক গেমসে ১৯৩৬ সালে প্রদর্শিত হয়। অনেকের মতে ইহা শুধু মারামারির মধ্যেই সীমাবদ্ধ আসলে তা ভুল ধারনা। বাস্তবিক পক্ষে উশু খেলাটি সুস্হ মস্তিষ্ক গঠনের নিমিত্তে একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলা। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে সম্পূর্ণ বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে। এটি স্বাস্থ্য রক্ষা ও সম্মান রক্ষার্থে একটি কৌশল মাত্র।আশির দশকে উশু খেলাটি বাংলাদেশে আর্বিভূত হয় । সর্বপ্রথম চায়নায় শুরু হলে এর গুনাগুন প্রতিপাদ্য সমগ্র বিশ্ব ব্যাপি প্রয়োজনীয়তাবোধ করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে এর গুরুত্ব প্রাধান্য পেয়েছে এবং এর সুফলভোগে জনমনে প্রভাব বিস্তার করায় সুখ্যাতি অর্জন করেছে।
শরীর চর্চায় এর ভূমিকা ঃ শরীর এবং মনের সংযোগ সুত্রেই একজন মানুষের মধ্যে পূর্ণাঙ্গতা আসে। মানুষ বাস্তবতার সাথে খাপ খাওয়ানোর যোগ্যতা অর্জন করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে আতœ পরিশূদ্ধি লাভ করে ।কাজেই শরীর ও মনের সংযোগে বিকাশ সাধনই শরীর চর্চার মূখ্য উদ্দেশ্য। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে জীবন মান উন্নয়নের এক নজির বিহীন দৃষ্টান্ত স্হাপন করে যাচেছ। উদ্দেশ্যকে কার্য সিদ্ধির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হয়। তাহলেই সফলতা বিরাজমান। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতে, শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চার ভাগে ভাগ করা বাঞ্চনীয়।
★ সুস্থ্য শরীর গঠন
★ মানসিক বিকাশ সাধন
★ চারিত্রিক গুনাবলী অর্জন
★ সামাজিক গুনাবলী অর্জন।
এই চর্তুমূখী প্রক্রিয়ায় সমন্বয় সাধনে উশু খেলা বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শরীর চর্চায় সকল বয়সের প্রশিক্ষনার্থীর দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, আতœবিশ্বাস সুদৃঢ় হয়, মানসিক প্রশান্তির বিন্যাসে দৈহিক শক্তি যোগান দিয়ে নেতৃত্বের গুনাবলীর পারদর্শিতা প্রকাশ পায় । উশু খেলার উপাদান গুলোর মধ্যে সমন্বয় থাকায় এখানে মিথ্যার আশ্রয় নেই। তাছাড়া এখানে শৈল্পিকতার রূপায়নে শরীর চর্চার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । এই খেলায় নারী পুরুষ সকলের সমঅধিকার রয়েছে। নারী শুধু জায়া নয় বিশ্বব্যাপি মর্যাদার আসনে আসিন। তাই কবির ভাষায় কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারি, প্রেরনা যোগিয়েছে শক্তি দিয়েছে বিজয় লক্ষি নারী। আজকের এই শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ডিজিটালইজেশন দেশ রূপায়নে সর্বক্ষেত্রে নারীর অবদান প্রত্যক্ষভাবে বিবেচ্য। সংসদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাহিনীতে যেমন আনসার, বিজিবি, নৌ, বিমান এমনকি বাংলাদেশের রাষ্ট্র নায়ক, বিরোধী দলীয় নেতা সর্বক্ষেত্রে নারী বিরাজমান। এর মুল কারন হলো বর্তমান বাংলাদেশের নারীরা নিজেকে স্বমূল্যায়নে রপ্ত করতে পেরেছে ,চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থেকে মুুক্তির পথ বাৎলে দিচেছ উশুখেলা যার ফলে স্বনিরাপত্তায় নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাবার জ্ঞান শিখে নিচেছ। সমাজ কর্তৃক নির্ধারিত সংস্কৃতির পরিবর্তন আনয়নে এটা বিশেষ ভূমিকা রাখে। মেয়েরা সাহস সঞ্চয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে। আর প্রত্যেক মানুষের কাছে সাহসই হচ্ছে জীবনমান উন্নয়নের মুল চালিকা শক্তি এটাই বাস্তব জাতি সংঘ সিডও সনদের ধারা ১১ বাস্তবায়নে চাই নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ। ধর্মীয় মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদকে প্রতিহত করে তরুন সমাজকে নারী আন্দোলনে যুক্ত করার পন্থাকে জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন নিরলসভাবে কাজ করে যাচেছন। বিশ্বায়নের যুগে নারী পুুরুষের সমতা এক চলমান এজেন্ডা। এখানে তরুন জনগোষ্ঠিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন সহায়ক হিসাবে কাজে লাগানোর প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতার আরোকে সম্ভাবনাময় সুযোগ্য নাগরিক তৈরিতে মনোনিবেশ করেন। যার ফল শ্রুতিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জেন্ডার সমতার মাধ্যমে ব্যালেন্স ঠিক রেখে প্রশিক্ষন পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছেন । নারী জাগরনের অগ্রদূত ছিলেন বেগম রোকেয়া এবং পথিকৃৎ কবি সুুফিয়া কামাল। উশু খেলার মাধ্যমে যুক্তি নির্ভর প্রমাণ দেখিয়েছেন জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ,যে কেউ পিছনে পরে থাকবেনা এই বক্তব্যকে প্রাধান্য দিয়ে বাস্তবায়নের অঙ্গিকার দৃশ্যমান হয়ে থাকবে বলে দাবী রাখেন সর্বাগ্রে। আমাদের সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা অপসংস্কৃতির শিখড় গেড়ে রয়েছে। তা স্বমূলে উপড়ে ফেলা প্রয়োজন। নারী নির্যাতন দূরীকরণে এটা কোন নারীর একার কাজ নয়। সমাজ থেকে এই ভয়াবহ দৃষ্টতা নির্মূল করতে সকল প্রকার হিংসা বিদ্বেষ এর উর্ধ্বে থেকে আনোয়ার হোসেন এর মত সকল অবস্হানের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় জেন্ডার সচেতন হলে ঘুনে ধরা সমাজ থেকে অপসংস্কৃতি দূর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সুস্হ সংস্কৃতি ধারার সুদৃঢ় উপস্হিতি নিশ্চিত করা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ,সমাজ সচেতন সাহসীী পুরুষ, ছাত্রদের নারী নির্যাতন প্রতিরোধকারী ভূমিকায় সুদৃঢ় অবস্হান দৃশ্যমান করা। সমাজের মঙ্গলার্থে ব্যবহৃত গনমাধ্যম, ব্যবসা বানিজ্য, কারুকলা, ক্রীড়া শিক্ষাব্রতীর উদ্যাোগ ও প্রচেষ্টা। এসবের পরে রয়েছে প্রধান প্রতিপাদ্য প্রচেষ্টা নারীর ব্যক্তিগত সাহসী ভুমিকা। স্বাবলম্ভী নারী আতœ স্বচেতনতায় নির্যাতন নির্মূলের দ্বারা তার গন্ডিকে মূল্যায়ন করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্টা করতে
পাারে শুধুমাত্র সহযোগিতার প্রয়োজন। তাছাড়া খেলাধূলার দ্বারা বর্হিঃবিশ্বের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিও মজবুত হয় ।বিশেষ ক্ষেত্রে একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়ার রাষ্ট্রদূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবার সম্ভাবনা থাকে। পরিশেষে বলা যায় যে উশু খেলার মাধ্যমে সুুস্হ সবল জীবন গঠন সম্ভব । তাই প্রতিটি স্তরের মানুষকেই শরীর চর্চায় মনোযোগী হওয়া দরকার। জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ব্যক্তিস্বার্থকে চরিতার্থ করে জনস্বার্থে আতœনিয়োগ করে সত্যি তিনি প্রশংসার দাবীদার হতে পেরেছেন। আপনার শ্রম প্রজন্মের দীক্ষিত আলো তা যেন জাতির আশা আকাংখার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত যেন থাকে এই কামনা করি। উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই, নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। আমি তার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ূ কামনা করি এবং যারা তাকে সহযোগিতা করেছেন।