রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সিলেট কওমি মাদরাসা বোর্ডের শুকরিয়া মিছিল  » «   বিশ্বনাথে গোপন বৈঠক কালে ১৭ জামাত নেতা আটক  » «   হোটেল শ্রমিক উইনিয়নের বিক্ষোভ মিছিল  » «   জেলা পরিষদের অর্থায়নে সংযোগ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন-এড. লুৎফুর রহমান  » «   জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫ জনের জামিন হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি  » «   বিশ্বনাথে মাজার নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন  » «   সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফয়জুল মুনির চৌধুরী’র মোটর সাইলেক শোডাউন  » «   চারখাই ত্রিমুখে ‘শহীদ নাহিদ চত্বর’র উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   কমলগঞ্জের ধলই চা বাগানে মস্তকবিহিন নারীর লাশ উদ্ধার  » «   ওসমানীনগরে বাস চাপায় নিহত ২ : আহত ২  » «  

কুলাউড়া থানা থেকে কনস্টেবল নিখোঁজ, পুলিশের জিডি



কুলাউড়া প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা থেকে কনস্টেবল জাহাঙ্গীর আলম লাপাত্তা রয়েছেন এক মাস ধরে। তিনি না আছেন কর্মস্থলে, না বাড়িতে। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে।

নিখোঁজ কনস্টেবল মো. জাহাঙ্গীর আলম হবিগঞ্জে জেলার শায়েস্তাগঞ্জের পশ্চিম বড়চর গ্রামের বাসিন্দা মো. জহিরুল হকের ছেলে ও কুলাউড়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার ইতিমধ্যে তাকে নোটিশও করেছেন। তার লাপাত্তা হওয়ার পর থেকে মূর্ষে পড়েছেন তার মা-বাবাও।

কুলাউড়া থানার ওসি শামীম জানান, সে থানা থেকেই লাপাত্তা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা হচ্ছে। তবে এখনও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ কনস্টেবল জাহাঙ্গীর আলমের বাবা মো. জহিরুল হক জানান, একামাত্র ছেলে নিখোঁজের খবরে মাসহ তিনি মূর্ষে পড়েছেন। তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজে ছেলের সন্ধান পাচ্ছেন না। ঘুরেছেন বিভিন্ন হুজুরের কাছে। অনেক তাবিজ-কবজ করেছেন। কোনো কিছুতেই ফল পাননি।

পুলিশের দেয়া নোটিশ ও সাধারণ ডায়রির তথ্যমতে, নিখোঁজ মো. জাহাঙ্গীর আলম কুলাউড়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯ মার্চ সরকারি ডিউটি শুনাতে গেলে তাকে ব্যারাকে পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাও বন্ধ পাওয়া যায়। তাকে খোঁজার জন্য একজন এসআই’র নেতৃত্বে ফোর্স নিয়োগ করা হয়। কিন্তু তাকে কোথাও খোঁজে না পেয়ে ওই দিনই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

একই দিন বিকাল ৫টায় তাকে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ঘুরাফেরা করতে দেখে রেলওয়ে পুলিশ তাকে আটক করে।

এ সময় তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিলে রেলওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি কুলাউড়া থানায় অবহিত করেন। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানার পুলিশ রাত আড়াইটায় কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়িতে পৌঁছে জানতে পারেন রাত দেড়টায় বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে তিনি পালিয়ে গেছেন।

এরপর থেকে তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ২০ মার্চ আরও একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

২৫ মার্চ পুলিশ সুপার নোটিশ দিয়ে তাকে কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য বলেন। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করা হবে বলে জানানো হয়।