মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সিটি ডিজিটাল সেন্টারের বিকল্প নেই –মেয়র আরিফ



ডেস্ক নিউজ:: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, জনগণের দোরগোড়ায় সহজে, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে সেবা পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে সিটি ডিজিটাল সেন্টার এর বিকল্প নেই। সিটি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে জনগন সেবা পাবে ঘরে বসে। স্বপ্ন পুরনে ডিজিটাল এই সেবা গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও সমস্ত সেবা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন পৌছে যাবে আপনার দরজায়।

তিনি মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) সিলেটের জেলা পরিষদ হল রুমে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ‘নগর ডিজিটাল সেন্টার শক্তিশালী ও টেকসইকরণ’ দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

একসেস টু আই ইনফরমেশন (এটুআই)’র সহযোগিতায় কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী এ জেড নূরুল হক।

সিসিকের কর্মকর্তা চন্দন দাসের পরিচালনায় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, সরকারী বা বেসরকারী সেবা গ্রহনের জন্য সময় বা অর্থ অপচয় হবে না নগরবাসীর। তিনি বলেন, সরকারী এই সেবা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে স্থাপন করে নগরবাসীর সেবা প্রদান করা হবে।

এক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন সকল সাপোর্ট প্রদান করবে জানিয়ে সিসিক মেয়র বলেন, আমি নগরবাসীর কাক্সিক্ষত উন্নয়ন পৌঁছে দিতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। নগরবাসীর সার্বিক উন্নয়ন চ্যালেঞ্জিং হিসেবে গ্রহন করেছি বলেই নগরীর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে নগরীর রাস্তা-ঘাট সম্প্রসারণ, নতুন রাস্তা নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, যানজট সমস্যার সমাধান, পানীয় জলের সংকট দূর হয়েছে । নগরবাসীর সার্বিক নিরাপত্বায় প্রতিটি ওয়ার্ড সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে। ইতিমধ্যে নগরীর প্রধান প্রধান রাস্তায় এলইডি বাতি স্থাপন করা হয়েছে।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিকের প্রধান নির্বাহী এ জেড নূরুল হক বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে ইউনিয়ন, পৌর ও সিটি ডিজিটাল সেন্টার অগ্রনি ভূমিকা পালন করছে।

কর্মশালায় সিসিকের সচিব বদরুল হক বলেন, সিসিকে সিটি ডিজিটাল সেন্টার প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েক বছর আগে থেকে নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এটির বাস্তবায়ন করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়র পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, ডিজিটাল সেন্টার প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন হলে জনগন প্রতারণা বা হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে। সেবাখাতগুলো যত দ্রুত ডিজিটালাইজেশন হবে, ততো বেশি মানুষ অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে মুক্তি পাবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত, রাজিক মিয়া, একসেস টু আর’র পরিচালক পারভেজ হাসান, সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান।