রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাসূল (সা.)’র শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ছিল শবে মেরাজ -মাও. সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন



হযরত শাহ্জালাল মুজাররদে ইয়ামনি (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট হযরত মাওলানা হাফিজ সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই।

কুরআন এবং রাসূল (সা.)-এর আদর্শ বুকে ধারণ করে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

মহানবী সা. এর মিরাজ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। মিরাজুন্নবী সা. স্ব-শরীরে হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। মেরাজ স্বপ্নযোগে হলে কোনো বিতর্ক আসতো না।

যার সত্যতা প্রমাণে হযরত আবু বকর রা. “সিদ্দেকে আকবার” খেতাব লাভ করেন। মেরাজের রজনীতে আল্লাহর সাথে রাসূল (সা.)-এর সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছে। যা অন্য কোনো নবী ও রাসূলের পক্ষে সম্ভব হয়নি। রাসূলকে ভালোবাসা ছাড়া বেহেস্তে যাওয়া যাবে না। রাসূল (সা.)-এর সুন্নাতকে ধারণ করে আমাদের পার্থিব জীবনের কর্মকা- পরিচালনার মাধ্যমে পরকালীন মুক্তি অর্জন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফের মতো মেরাজুন্নবী সা. একটি মুজিযা। নির্যাতন ও নিপীড়নের দুঃসময়ে মেরাজ ছিল রাসূল (সা.)-এর শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। আমাদের উচিত মেরাজ হতে আনীত পুরস্কার স্বরূপ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাযথভাবে পালন করা এবং রাসূল (সা.)-এর আদর্শকে বুকে ধারণ করা।

গতকাল শনিবার পবিত্র মেরাজুন্নবী সা. উপলক্ষ্যে নগরীর মোমিনখলাস্থ হযরত শাহ্জালাল মুজাররদে ইয়ামনি (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং মোমিনখলা এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদুন্নবী সা. মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।

নূর জাহান জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লী মো. আনছার আহমদ কয়েছ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং হাফিজ জুনেদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোমিনখলা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান নিজামী, নূর জাহান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হযরত মাওলানা হাফিজ আব্দুল খালিক, হাফিজ আব্দুল কাহির রানু মিয়া, হাফিজ হারুনূর রশিদ, হযরত শাহ্জালাল মুজাররদে ইয়ামনি (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক হাফিজ মাওলানা বুরহান উদ্দিন, হাফিজ আব্দুর রউফ প্রমুখ।

এ সময় মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে হযরত শাহ্জালাল মুজাররদে ইয়ামনি (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানার বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রসহ স্থানীয় এলাকার সর্বস্থরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

মাহফিলের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও নাতে রাসূল পাঠ করেন মাদ্রাসার ছাত্র মো. আল আমিন।