সোমবার, ২৮ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
উন্নতির জন্য সংযমের বিকল্প নেই: ইমরান আহমদ এমপি  » «   সিলেট কুমারগাওঁ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় দুই যুবলীগ নেতা আহত  » «   রোজার মাসে বলছি, কাউকে ছাড়ব না: মান্না  » «   কোম্পানীগঞ্জ ইমরান আহমদ কারিগরি কলেজের অনুমোদন  » «   সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের কাপড় দিলো রাইজ স্কুল  » «   উপশহরে সুরক্ষিত ফ্লাটে দুর্ধর্ষ চুরি : অর্ধ কোটি টাকা মালামাল লুট  » «   সিমান্তিকের কিশোরী সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «   ফের একতরফা নির্বাচন করতে প্রধানমন্ত্রী ভারতের শরণাপন্ন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ব্যারিস্টার সালামে ইফতার মাহফিলে মানুষের ঢল  » «   কমলগঞ্জে গাঁজা বিক্রয়কালে পিতা-পুত্র আটক  » «  

আইনের নামে বেআইনী সিলেট বিআরটিএতে ওপেন সিক্রেট-পর্ব (১)



বেপরোয়া জমির, আলী, মুন্ন সিন্ডিকেট

স্টাফ রিপোর্ট::  আইনের মধ্যে থাকতে হয় জন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানদের। এটাই শপথ এইটাই বিধি। কিন্তু সিলেট বিআরটিতে যারাই কর্মসংশিষ্ট তারাই এখানে শপথ (!) করে হয়েতো আসেন বেআইনী কর্মে অর্থ উপার্জনে।

সেকারনে ইমেজ সংকটে গোটা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এ প্রতিষ্টানটি। বড় কর্তা কেউ গোপালগঞ্জ পরিচয়ে অধরা। তার অধিনস্তরা তো তার কারনেই খুঁটির জোরে বেপরোয়া। তাই যেমন খুশি তেমনি মানুষেকে হয়রানি করে টাকার পাহাড় গড়তে মরিয়া। সেকারনেই পদে পদে বিড়ম্বনা। দেখার কেউ নেই, শুনার কেউ নেই, নিয়তির লেখন হয়ে গেছে দূভোর্গ।

এ অফিসের অনিয়মন দূর্নীতির এক কালো বিড়াল যেন জমির হোসেন। তিনি প্রতিষ্টানে এমবিআই হিসাবে কর্মরত। গুরুত্বপূর্ণ পদের এই ব্যক্তি, নগরীর উপশহরে থাকেন আলিশান বাসায়। ১৪ হাজার টাকা বেতন স্কেলের এই কর্মকর্তার বিলাশ বহুল রাজকীয় জীবন, যেন আলাদীনের চেরাগ হয়ে কপালে ধরা দিয়েছে। প্রতি সপ্তাহে সিলেট ঢাকা আকাশ পথে যাতায়াত করেন তিনি। তিনি বলেন, আমার বস আমার উপর খুশি, আমি মনে করি বস যখন খুশি তাহলে আমি নিয়মের মধ্যেই আছি।

তার নিজস্ব সংজ্ঞার নিয়মের কারনে ফিটনেস ও লাইসেন্স এমবিআই জমির হোসেন লুটপাঠের রাজত্বে পরিনত হয়েছে। তার ডান বামে রয়েছেন দুই পেতাত্মা। তারা দৃশ্যমান চরিত্রের যেন রাুস। তাদের একজ মোহাম্মদ আলী ওরফে রক্ত চোষা আলী, অপরজন মুন্নু। মুন্নর বিআরটিতে কোনো বিধি মোতাবেক কোন চাকুরি নেই। কিন্তু এই প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটারের কর্তৃত্ব তার হাতেই। সরকারী নিয়ম না থাকলে জমির হোসের নিয়মে নিয়ন্ত্রন নিয়েছেন কম্পিউটারের।

সেকারনে অরিতি অনিরাপদ এখানকার সকল নথিপত্র। তারপরও তাই ঘটছে সিলেট বিআরটিএ লাইসেন্স ও ফিটনেস শাখায়। গাড়ি ফিটনেস করতে চাইলেই টাকা। আইন রা করে রাস্তায় চলার সুযোগ দিতে রাজি যেন নয় কর্তৃপক্ষ। তাদের খুশি করে আইন রক্ষা করো নইলে কেটে পড়ো এটাই এখানকার বাস্তবতা। রাস্তায় গেলে পুলিশ বিআরটিতে দূর্নীতির রাুস যাবো কোথায় জনগন এটাই এখন প্রশ্ন।

একাধিক সূত্র জানায়, গাড়ি ফিটনেস করাতে গেলে সরকারী ফিসের সাথে নির্ধারিত একটি অংক ফাইলের সাথে জুড়ে না দিলে ফাইল হাওয়া হয়ে যাবে-ই। ফিটনেস কালে গাড়ি নিয়ে হাজির করলে ১৫’শ টাকা, না করলে ২৫’শ টাকা। এই টাকা মোহাম্মদ আলী ওরফে রক্তচোষা আলীর হাত হয়েই পকেটে নেন জমির হোসেন। নইলে ফিটনেস ছাড়া রাস্তায় চালাও গাড়ি, এক্সিডেন্টে করে, করো জীবনহানী, কি আসে যায় জমির আলী। এভাবে নিয়ম রক্ষা করতে যেয়ে অনিয়েমের ফান্দে পড়ে কাহিল ভোক্তভোগীরা।

লাইসেন্স শাখার কথা তো রূপকথার গল্পের মতো। লার্নার করতে লাগে বাড়তি দুই হাজার পাঁচ থেকে ৩ হাজার। লার্নার করার ২ মাস পর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সরকারী বিধি থাকলেও ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেও ২মাসের মেয়াদ প্রয়োজন নেই, চাইল্ইে হাত বাড়িয়ে লাইসেন্স পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকে রয়েছেন দক্ষ, তারা রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন, কিন্তু ঘুষের টাকা দেওয়ার শক্তি (!) নেই বলেই গাড়ি চালাচ্ছেন দেদারছে।

তাদের অনেকে জাল ড্রাইভিং লাইসেন্সে নির্ভর হয়ে, নকল কে আসল বলেই চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক সূত্র জানায়, প্রকৃতভাবে লাইসেন্স চিতরন করা হলে, লাইনেন্স খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হতো বেহিসাব। কিন্তু সেই পদ্ধতি ঘুষ নির্ভর হয়ে উঠায় মানুষ জাল লাইসেন্সে আগ্রহী হয়ে উঠছে। কিন্তু যারা কোনদিন গাড়ির স্ট্যারিং ধরেনি তারা ঘুষের বিনিময়ে লাইসেন্স নিয়ে, নিজে মরছে, অপরকে মারছে। এ মরন খেলা বন্ধ করতে হলে, প্রয়োজন দূর্নীতবাজদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা। এতে করে প্রকৃত চালকরা লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ হবে, সরকারের কোষাগার ভরবে টাকায় টাকায়।