বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আপনজনদের খোঁজে হাসপাতালে স্বজনরা



জাতীয় ডেস্ক :: আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন পাইলট আবিদ সুলতান। এ নিয়ে কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫০ জনে। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় কেউ হারিয়েছেন ভাই, কেউ বোন আবার কেউবা তাদের প্রিয় সন্তান।

ওই বিমানে থাকা যাত্রীদের স্বজনরা গতকাল ভিড় করেন বারিধারার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের অফিসে। তাদের কান্নায় ভারি ছিল বারিধারার আকাশ-বাতাস। আপনজনদের সর্বশেষ অবস্থা জানতে আজ মঙ্গলবার সকালে তারা ছুটে গেছেন নেপালে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নেপালে পৌঁছান তারা। বিধ্বস্ত উড়োজাহাজে থাকা যাত্রীদের ৪৬ স্বজন নেপালে পৌঁছেছেন। কাঠামান্ডুতে পৌঁছার পর তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশ দূতাবাসে। সেখান থেকে দূতাবাসের গাড়িতে নিয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হাসপাতালে আপনজনদের পাশে।

কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, আহতদেরকে সেখানকার তিনটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে ভালোভাবে। মরদেহগুলো স্বজনরা চিহ্নিত করার পর দেশে পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এর আগে, ,মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়। ইউএস বাংলার এয়ারলাইন্সের ৭ জন প্রতিনিধিও এই ফ্লাইটে ছিলেন।

গতকাল সোমবার হতাহতদের প্রতিটি পরিবার থেকে একজনকে নেপালে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকা থেকে যাত্রা করা ইউএস-বাংলার ড্যাশ ৮-কিউ ৪০০ এয়ারক্রাফটটি ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারালে তা রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনাস্থলেই ৪০ জন নিহত হন। পৃথক দুই হাসপতালে ১০ জন মারা যান।

বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটির যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশের ৩২ জন, নেপালের ৩৩ জন, চীনের একজন ও মালদ্বীপের একজন যাত্রী ছিলেন বলে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।