শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর

জগন্নাথপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বেড়িবাধের কাজে অনিয়মের অভিযোগ



মো.শাহজাহান মিয়া, জগন্নাথপুর:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ফসল রক্ষা বেড়িবাধের কাজ নিয়ে এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাও ইউপি চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠলেও তিনি কাউকে পরোয়া করছেন না বরং আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এবার পাইলগাও ইউনিয়নের অর্ন্তভূক্ত ফসল রক্ষা বেড়বিাধের ৮টি প্রকল্পের অধীনে কাজ হচ্ছে। অভিযোগ উঠে পাইলগাও ইউপি চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া স্থানীয় ইউপি সদস্য ও কাজের নিকটবর্তী কৃষকদের বাদ দিয়ে তিনি তার আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে কৌশলে পিআইসি কমিটি গঠন করেন। এছাড়া কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও গাফিলাতির অভিযোগ উঠে।

গত রোববার বিকেলে সরজমিনে দেখা যায়, দুই দফা কাজের মেয়াদ শেষ হলেও বেড়িবাধের কাজ শেষ হয়নি। বেড়িবাধের কাজ পাওয়া চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়ার ভাতিজা শহিদ মিয়া, পিআইসি নং-১১৪ এবং তার আত্মীয় সুরুজ্জামানের অংশ পিআইসি নং-৪৬ কদমতলা-সোনাতলা ও পুরান আলাগদী-জালালপুর গ্রাম এলাকার বেড়িবাধের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাধের কাছ থেকে মাটি তোলা হয়েছে। বাধের উচ্চতা ও প্রস্থ তুলনা মূলক অনেক কম রয়েছে।

এ সময় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাজের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে কয়েকজন কৃষকের বিরুদ্ধে চাদাবাজি মামলা দিয়ে হয়রানী করেন। এ সময় ইপস্থিত নারী-পুরুষ জনতা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা অনেক আশা নিয়ে ভোট দিয়ে মখলুছ মিয়াকে চেয়ারম্যান বানিয়ে ছিলাম। বাধের কাজে অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করায় তিনি এখন আমাদেরকে হয়রানী ও নির্যাতন করছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান বাহিনীর যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে পড়েছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া বলেন, পিআইসি কমিটি গঠন নিয়ে স্বজনপ্রীতি ও বাধের কাজে কোন অনিয়ম হলে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে। এতে স্থানীয় কিছু লোক বাধা দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেউ আমার কাছে চাদা চায়নি। তবে কাজে বাধা দেয়ায় মামলা করা হয়েছে।